রাজধানীর মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ও নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানকের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ওঠা ২২টি অভিযোগের মধ্যে ১৬টির সত্যতা পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ)। গত বছরের ১৬ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত তদন্ত শেষে ২ ডিসেম্বর প্রতিবেদন চূড়ান্ত করা হয়। প্রতিবেদনে আর্থিক অনিয়ম, কলেজের তহবিল আত্মসাৎ, নির্বাচনে কর্মকর্তাদের হুমকি এবং কর্মচারী জোরপূর্বক অব্যাহতির মতো অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্তে দেখা যায়, অধ্যক্ষ পরীক্ষার বণ্টন খাতে অবৈধ কমিশন নিয়েছেন, গাড়ি কেনার ব্যয় বাড়িয়ে দেখিয়েছেন এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ দিয়েছেন। ডামি নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারদের হুমকি ও কলেজের সম্পদ অপব্যবহারের অভিযোগও প্রমাণিত হয়। তবে ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে কলেজের অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি। অভিযোগকারী প্রভাষক হুমায়ুন কবীর অভিযোগ করেন, অধ্যক্ষ তদন্ত বিলম্বিত করতে কর্মকর্তার পরিবর্তন চেয়েছেন।
ভুক্তভোগী কর্মচারীরা অধ্যক্ষের অপসারণ, শাস্তি এবং চাকরিচ্যুত কর্মচারীদের পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন। অধ্যক্ষ আমিনুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এগুলো মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তিনি আস্থাহীনতার কারণে তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের আবেদন করেছিলেন।
মোহাম্মদপুর মহিলা কলেজ অধ্যক্ষ আমিনুল হকের বিরুদ্ধে ১৬টি অভিযোগ প্রমাণিত