রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বৃত্তি বা মেধা যাচাই পরীক্ষার কার্যক্রম এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ ১৪ ডিসেম্বর প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১১ নভেম্বর পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করেছিল, যা ২১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল।
কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের পরিচালক মো. ফারুক হোসেন ও দুই অভিভাবক ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষার আইনগত বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। আবেদনকারীদের আইনজীবী নিয়াজ মোর্শেদ জানান, শুধুমাত্র সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা আয়োজন করা হাইকোর্টের আগের রায়ের লঙ্ঘন। তিনি অভিযোগ করেন, বেসরকারি শিক্ষার্থীদের বাদ দিতে পরীক্ষার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রও জানিয়েছে, রিট নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত থাকবে।
এই স্থগিতাদেশে হাজারো শিক্ষার্থী প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। আদালতের সিদ্ধান্তের পর পরীক্ষার কাঠামো ও অন্তর্ভুক্তি পুনর্বিবেচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।