কক্সবাজারের মহেশখালীতে স্বামী মুহাম্মদ কাশেম হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করা ফাতেমা বেগম ১৫ মাসের শিশুসন্তানসহ সাত দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ৭ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসাইনের আদালত এক হাজার টাকার বন্ড ও স্থানীয় একজন গণ্যমান্য ব্যক্তির জিম্মায় তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। সোমবার সন্ধ্যায় তিনি কারাগার থেকে বের হন। এ সময় তাঁর স্কুলপড়ুয়া দুই মেয়েকে এতিমখানায় রাখা হয়েছিল।
২০২৫ সালের ২৩ এপ্রিল কুতুবজোমের কবির বাজার থেকে তাড়া করে কাশেমকে বাড়িতে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যার অভিযোগ ওঠে। পরদিন ফাতেমা ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পুলিশ প্রধান অভিযুক্ত গফুর মিয়াসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। ফাতেমার পরিবারের অভিযোগ, হত্যা মামলা তুলে নেওয়া বা আপসের জন্য তাদের চাপ ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছিল।
রাসেলের মা নুরজাহান বেগমের করা পাল্টা মামলায় ফাতেমাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়। পুলিশ তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার কথা জানালেও, সাক্ষী হিসেবে থাকা কয়েকজন বলেন তাঁরা কোনো সাক্ষ্য দেননি এবং ২৪ মে এমন ঘটনা ঘটেনি। স্থানীয়দের একাংশও মামলাটিকে চাপ ও প্রতিশোধের চেষ্টা বলে দাবি করেছে। দুই পক্ষের অভিযোগের নিষ্পত্তি এখনও আইনি প্রক্রিয়ায় রয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।