মোহাম্মদ মুরসিকে ২০১৩ সালে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়া আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি নিরাপত্তা, কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব, বৃহৎ অবকাঠামো, বিনিয়োগ ও আধুনিকায়নকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রনির্ভর উন্নয়ন মডেল এগিয়েছেন। তাঁর সরকারের ‘মিসর ভিশন ২০৩০’-এ টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা, সামাজিক ন্যায়বিচার, পরিবেশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের লক্ষ্য উল্লেখ আছে। নতুন প্রশাসনিক রাজধানী, মহাসড়ক, সেতু, রেলপথ, বিদ্যুৎকেন্দ্র, বন্দর, নতুন শহর ও সুয়েজ খাল সম্প্রসারণ এ মডেলের দৃশ্যমান প্রকল্প।
সমর্থকদের মতে, সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক সক্ষমতা দ্রুত অবকাঠামো বাস্তবায়নে সহায়তা করে এবং বিপ্লব-পরবর্তী অস্থিরতা, সন্ত্রাসবাদ ও আঞ্চলিক সংঘাতের মধ্যে শক্তিশালী নেতৃত্ব প্রয়োজন ছিল। সমালোচকেরা নতুন রাজধানীর আনুমানিক ৫৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয়, সেনাবাহিনীর অর্থনৈতিক ভূমিকা এবং বেসরকারি খাতের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আইএমএফের হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট বিনিয়োগের ৭৪ শতাংশ ছিল সরকারি; প্রতিবেদনে ৯৭টি সামরিক মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের কথাও আছে।
আইএমএফ জানায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সরকারি ঋণ জিডিপির ৯১ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছায় এবং সরকারি রাজস্বের প্রায় ৮৩ শতাংশ সুদ পরিশোধে যায়। বিশ্বব্যাংক ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বললেও দারিদ্র্য ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার সংকোচন নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।