এনসিপি বলেছে, ‘সোমবার থেকে কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে আমরণ অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে সংহতি জানাচ্ছে এনসিপি। ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েট শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদল ও বহিরাগতরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ হামলা চালায়। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অথচ ৩৭ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।’ সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেছেন, কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ না করলেও একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীদের মাঝে ৭ জন নিজ দলের কর্মী থাকার কথা বলেছেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে হামলার সময় উপাচার্যকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার যে অভিযোগ পাওয়া গেছে, তারও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। এছাড়া স্মারকলিপি দেওয়ার পরও সরকার পদক্ষেপ না নেওয়ায় নিন্দা জানানো হয়।