খাগড়াছড়ির রামগড়ে ভারতের স্বার্থে নির্মিত স্থলবন্দরের জমি ভরাটে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, প্রশাসনের চোখের সামনেই পরিবেশ ধ্বংসের এই কাজ চললেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অন্তত তিনটি পাহাড় কেটে প্রায় ১০ একর জমি ভরাট করা হয়েছে, যদিও টেন্ডারে বালু ব্যবহারের শর্ত ছিল। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নেওয়া এই প্রকল্প ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর কিছুদিন বন্ধ থাকলেও সম্প্রতি আবার জোরেশোরে শুরু হয়েছে।
প্রশাসন সীমিত জরিমানা ও তদন্তের কথা জানালেও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে পাহাড়ি মাটি ব্যবহারে স্থাপনার স্থায়িত্ব মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ১৬১ কোটি টাকার এই প্রকল্পে কাস্টমস, যাত্রী টার্মিনাল ও গুদাম ভবন নির্মাণ অন্তর্ভুক্ত। ঠিকাদাররা দায় এড়িয়ে সাব-ঠিকাদারকে দোষারোপ করেছেন।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের সীমান্তঘেঁষা এই বন্দর বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার প্রকল্পের লাভ-ক্ষতি পুনর্মূল্যায়নের ঘোষণা দিয়েছে, যদিও নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে।