উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লিখেছেন, ‘জবি আন্দোলনের সাথে তার দাপ্তরিক সংযোগ নেই। তবে গণঅভ্যুত্থানের পারস্পরিক স্টেক থাকায় তিনি সমাধানে আগ্রহী হন। কিন্তু অকস্মাৎ বোতল কাণ্ড ঘটে। আরও লেখেন, ‘তারপর আমি হতাশা নিয়ে চলে যাচ্ছিলাম। তখন স্যারদের সঙ্গে আমার হতাশা ও ক্ষুব্ধতা ব্যক্ত করি। স্যাররাও এ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে হতচকিত হয়ে গিয়েছিলেন। গত এক সপ্তাহব্যাপী অনলাইনে একটি দলের নিয়মিত আক্রমণ ও হত্যার হুমকির কারণে ন্যায্যভাবেই অনুমান করেছিলাম এটা হুমকিদাতা দলের কাজ হতে পারে। আমার হতাশা ও ক্ষুব্ধতা কাউকে আঘাত করলে আমি আন্তরিক দুঃখপ্রকাশ করছি।’ এছাড়া তিনি ন্যায্য আন্দোলনের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং নাশকতা না করার জন্য ডিএমপিকে বলেছেন বলেও জানান।