চলতি বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জটিল রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে, যার কারণে অনেক রোগী নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর জানিয়েছেন, ডেঙ্গুর ধরন পরিবর্তিত হয়ে জটিলতা বাড়ছে, তাই পোর্টেবল আলট্রাসনোগ্রাম ও বেডসাইড হেমাটোক্রিট যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। বরগুনায় সাম্প্রতিক প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সারা দেশে সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৪০৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, এবং এই বছর এখন পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি রোগী ভর্তি ও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সবাইকে জ্বর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং সরকারি সতর্কতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামও হস্তান্তর করেছে।