যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রথম মুসলিম সিনেটর হিসেবে বর্ণিত ডা. আবদুল আল-সাইয়েদ ইসলামবিদ্বেষ, ধর্মীয় পরিচয়ভিত্তিক বৈষম্য এবং যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আপসহীন পদক্ষেপের অঙ্গীকার করেছেন। সম্প্রতি সিএনএনকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি মার্কিন মুসলিমদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সুসংহত করা এবং ফিলিস্তিনসহ নিপীড়িত মুসলিমদের অধিকার রক্ষাকে রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেন।
নির্বাচনি প্রচারণায় তাঁর মুসলিম পরিচয় নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রিপাবলিকান শিবিরের কটাক্ষ এবং ‘জিহাদি’ তকমার জবাবে আল-সাইয়েদ বলেন, প্রার্থনার ধরন বা ধর্মীয় পদ্ধতির কারণে কাউকে অপরাধী বা দানব বানানোর চেষ্টা বন্ধ করতে হবে। তিনি এমন পরিবেশ গড়ার কথা বলেন, যেখানে মুসলিম ও অন্য সম্প্রদায়ের পরিবার স্কুল বা উপাসনালয়ে সন্তান পাঠাতে গিয়ে আতঙ্কে থাকবে না এবং সবাই সমান মর্যাদা ও নিরাপত্তায় বসবাস করবে।
আল-সাইয়েদ গাজায় অস্ত্র সরবরাহ ও নীতিকে প্রতিরোধের কথা বলেন, যা তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী বর্ণবাদ ও গণহত্যাকে সহায়তা করছে। আন্তর্জাতিক আইন ও লেহি নীতি লঙ্ঘন করে যুদ্ধাপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র সহায়তা বন্ধে আইনি লড়াইয়ের কথাও জানান তিনি। ইরানবিরোধী যুদ্ধ বন্ধ, কূটনীতি ও পরমাণু আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়ে তিনি করপোরেট অস্ত্র ব্যবসায়ী ও ইসরায়েলপন্থি লবির প্রভাবমুক্ত প্রতিনিধিত্বের প্রতিশ্রুতি দেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।