উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, যারা ডিসেম্বরে নির্বাচন চেয়েছিল বা বিভিন্ন সময়ে নির্বাচনের দাবি করেছে তাদের অনেকেই আবার এখন নির্বাচন চাচ্ছে না কিংবা নির্বাচন পেছানোর নানা ষড়যন্ত্রে জড়িত হচ্ছে। এটা কেন হচ্ছে তাও খুব স্পষ্ট। আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে এনে ইনক্লুসিভ ইলেকশন করার পরিকল্পনা তাদের মাথায় ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারিতে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে সেখানে ফ্যাসিবাদীদের অংশগ্রহণের সুযোগ থাকছে না বলে তাদের এখন মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এ ধরনের নানা ষড়যন্ত্র কিংবা পরিকল্পনা আছে।’ আসিফ বলেন, ‘তবে এই সরকারের তিনটা গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা– সংস্কার, বিচার এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর– সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি। জুলাই সনদের কার্যক্রম প্রায় শেষের দিকে। সবার ঐকমত্যের মাধ্যমে এটার বাস্তবায়নের দিকে আমরা যাব এবং পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত সময়ে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে।’ আরও বলেন, ‘যারা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী, রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে সিভিল সোসাইটি– সবার সহযোগিতায় এবং জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এবার একটা সুষ্ঠু ও সুন্দর আয়োজন আমরা করতে পারব।’