ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব লেখেন, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করবেন না। ডক্টর ইউনুসের ক্ষমতা প্রয়োজন নেই, কিন্তু বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ ডেমোক্রেটিক ট্রাঞ্জিশনের জন্য ড. ইউনূস স্যার এর দরকার আছে। বরং ক্যাবিনেটকে আরও গতিশীল হতে হবে। আরো বেশি ফাংশনাল হতে হবে, উপদেষ্টাদের আরো বেশি কাজ করতে হবে, দৃশ্যমান অগ্রগতি জনতার সামনে উপস্থাপন করতে হবে। তিনি লেখেন, সরকারকে এখন থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে আলোচনায় বসতে হবে। আরো লেখেন, সেনাবাহিনীও রাজনীতিতে নাক গলাতে পারবে না। ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের বক্তব্যে সেনাপ্রধান জুরিশডিকশনাল কারেক্টনেস রক্ষা করতে পারেননি। তবে সেনাবাহিনীকে প্রাপ্য সম্মান দেখাতে হবে, আস্থায় রাখতে হবে। ফয়েজ বলেন, সকল দরকারি প্রস্তুতি শেষ করে নির্বাচন এপ্রিল-মে'র মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে, গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তির আগেই খুনি হাসিনার বিচারের প্রথম রায়টি আলোর মুখ দেখতে পাবে বলে আশা করি।
নোটঃ পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানান এটা নিতান্তই তার ব্যক্তিগত মতামত, সরকারী বক্তব্য না।