২৮ জানুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা ভেজাল ও নিম্নমানের কসমেটিকস পণ্যের বিস্তার রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন এবং আমদানিকৃত কসমেটিকস ও বিউটি পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর আহ্বান জানান। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর (ডিএনসিআরপি) ও অ্যাসোসিয়েশন অব স্কিন কেয়ার অ্যান্ড বিউটি প্রোডাক্টস ম্যানুফ্যাকচারারস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অব বাংলাদেশ (এএসবিএমইবি) যৌথভাবে আয়োজিত এ সেমিনারে বক্তারা জনস্বাস্থ্য ও দেশীয় শিল্পের জন্য ভেজাল পণ্যের হুমকি তুলে ধরেন।
ডিএনসিআরপি মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদ বলেন, ভেজাল পণ্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঝুঁকিতে পড়বে। অর্থনীতিবিদ ড. মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম কসমেটিকস খাতকে জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক কল্যাণের সঙ্গে সম্পর্কিত বলে উল্লেখ করেন। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক ইসহাকুল হোসেন সুইট ও আমদানিকারক সংগঠনের মহাসচিব সাহিদ হোসেন কাঁচামাল আমদানিতে ১২৭.৭২ শতাংশ শুল্ক কমানোর দাবি জানান, যাতে দেশীয় উৎপাদন প্রতিযোগিতামূলক হয়।
বক্তারা আরও বলেন, লাগেজ পার্টির মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক আমদানি বন্ধ, বাজার তদারকি জোরদার এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়া ভেজাল পণ্যের বিস্তার রোধ সম্ভব নয়।