জিওপি নেতা রাশেদ খান বলেন, ‘সরকারকে বলব, জাতীয় সংলাপ যাতে চা-নাস্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে কী সিদ্ধান্ত নিলেন, সেটি জাতিকে জানান। বিচার, সংস্কার ও নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রকাশ করা নিয়ে এত গড়িমসি কেন? ১০ মাসে কী সংস্কার করলেন? পদত্যাগ নামে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার মধ্যে নিশ্চিত কোনো রহস্য আছে। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টা পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা ছাড়া বাকিদের পারফরম্যান্স তো দেখি না? এই অযোগ্য উপদেষ্টা পরিষদ দিয়ে টিম জেতা যাবে না। পুনর্গঠন করতে হবে। একই অনুষ্ঠানে জিওপি নেতা আবু হানিফ বলেন, ‘একটা গোষ্ঠী সংস্কার এবং নির্বাচনকে মুখোমুখি করার চেষ্টা করছে। আমরা সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচনের বিষয়ে অগ্রগতি দেখতে চাই।