২০২৫ সালের শেষ দিনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর ঢাকায় পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের স্পিকার আয়াজ সাদিকের সঙ্গে প্রকাশ্যে করমর্দন করেন। বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দাফনে অংশ নিতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের নেতারা সেখানে উপস্থিত ছিলেন। কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এই করমর্দন সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে দেখা দেওয়া তীব্র উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে একটি ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পাকিস্তানের বিশ্লেষকরা একে দীর্ঘদিনের শীতল সম্পর্কের মাঝে সামান্য উষ্ণতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, যদিও ভারতের কিছু বিশ্লেষক এর গুরুত্ব কমিয়ে দেখেছেন। এর আগে কাশ্মীরে হামলা, সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিত এবং মে মাসের আকাশযুদ্ধ দুই দেশের সম্পর্ককে গভীর সংকটে ফেলেছিল। সাবেক কূটনীতিক সরদার মাসুদ খান এই করমর্দনকে কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি সতর্ক করেছেন যে সামনে অনেক বাধা রয়ে গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সীমিত সংলাপ ও আস্থাবর্ধক পদক্ষেপের মাধ্যমে সম্পর্ক স্থিতিশীল করা সম্ভব হলেও পারস্পরিক অবিশ্বাস এখনো বড় প্রতিবন্ধক।