বিক্ষোভকারী, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়নের অভিযোগের মধ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ বলে দাবি করেছেন। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ব্লুমবার্গ ইকোনমিক ফোরামে তিনি এ বক্তব্য দেন। একই সময়ে সরকার প্রতিবাদকারীদের দূরে রাখতে দিল্লিকে কার্যত দুর্গে পরিণত করেছে বলেও অভিযোগ ওঠে।
রাজনীতি, ব্যবসা ও নীতিনির্ধারণী ক্ষেত্রের আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে মোদি ভারতের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, দেশে শতাধিক ভাষা, প্রায় ৮০ হাজার নিবন্ধিত সংবাদপত্র ও সাময়িকী এবং এক হাজারের বেশি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল রয়েছে। ইউটিউব ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীও ৫০ কোটির বেশি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মোদি বলেন, ভারতের মানুষ বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশ্যে বিতর্ক করেন এবং নাগরিকেরা নানা মত প্রকাশ করেন; এ প্রক্রিয়ায় ডিজিটাল প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পরে বিজেপি নেতা পীযূষ গোয়েল ও রাজিব রঞ্জন সিং বিক্ষোভের সমালোচনা করেন। গোয়েল রাহুল গান্ধীকে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলেন, আর সিং অভিযোগ করেন এসব কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কিত করা।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।