মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানে চলমান দমন-পীড়নের কারণে তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নির্ধারিত সব বৈঠক বাতিল করেছেন। ১৩ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিক্ষোভকারীদের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলে নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘সহায়তা আসছে’, যদিও তিনি কী ধরনের সহায়তার কথা বলেছেন তা স্পষ্ট করেননি। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প প্রকাশ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছেন বলে জানিয়েছেন।
এ সিদ্ধান্তের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানবিরোধী একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নেয়। সোমবার ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যেকোনো দেশকে যুক্তরাষ্ট্রে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। পরদিন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ত্যাগ করা উচিত। সাংবাদিকেরা ‘সহায়তা আসছে’ মন্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চাইলে ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট উত্তর দেননি।
গত ডিসেম্বর মুদ্রার দরপতন ও মূল্যস্ফীতির জেরে ইরানে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। সরকারি হিসাবে সহিংসতায় দুই হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।