Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িতদের বিচার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই মিছিলে সংগঠনটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি জানায়। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিদওয়ান মাযহারী। মিছিলে ছাত্র জমিয়তের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা অংশ নেন, যাদের মধ্যে সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহ সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিভিন্ন ক্যাম্পাস শাখার দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের ঘটনার বিচারের দাবিতে ছাত্র সংগঠনটির এই অবস্থান তাদের দীর্ঘদিনের দায়বদ্ধতা ও স্বচ্ছ তদন্তের আহ্বানকে পুনর্ব্যক্ত করে।

Card image

জাপান সরকার ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আর্থিক সহায়তায় এবং সুশীলনের বাস্তবায়নে খুলনায় দুর্যোগ ঝুঁকিহ্রাস (ডিআরআর) কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। খুলনার উপপরিচালক (স্থানীয় সরকার) ও জেলা প্রশাসকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আরিফুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। জেলা প্রশাসন, ডব্লিউএফপি ও স্থানীয় সংস্থার কর্মকর্তারা এতে অংশ নেন। অভিজ্ঞতা বিনিময় পর্বে অতিথিরা ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁরা জনসম্পৃক্ততা বাড়ানো, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময়সীমা বৃদ্ধি, স্থানীয় প্রেক্ষাপট পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির (ইউডিএমসি) সক্ষমতা বৃদ্ধির পরামর্শ দেন। কর্মশালায় সরকারি কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ইউডিএমসি সদস্য, ঠিকাদার, সাংবাদিক ও সুশীলনের কর্মীরা অংশ নেন। সুশীলন খুলনার উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর দুর্যোগ মোকাবিলার সক্ষমতা বাড়াতে ডিআরআর কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে ইউডিএমসি এবং কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটি।

Card image

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান বলেছেন, কৃষক-কৃষাণীসহ সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কৃষিতে সফলতা আসবে। মঙ্গলবার নোয়াখালী সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কৃষি পার্টনার কংগ্রেসের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হুমায়রা ইসলাম এবং মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোশরেফুল হাসান। অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকৌশলী মনসুর আহমেদ, সাবেক বিএনপি নেতা সলিম উল্যা বাহার হিরন, জসিম উদ্দিন ও সাংবাদিক লিয়াকত আলী খান বক্তব্য রাখেন। উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণকারী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম পাটোয়ার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। কৃষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও কৃষি কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন। শাহজাহান রাসায়নিক ও কীটনাশকের ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে। তিনি দাবি করেন, বিএনপির অতীত ও বর্তমান নেতৃত্ব কৃষিবান্ধব নীতি অনুসরণ করছে এবং কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার, বীজ ও উপকরণ সরবরাহ করছে।

Card image

সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক জয়ের পর পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অস্থিরতা ও সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় সংখ্যালঘু মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড, হামলা ও ভাঙচুরের খবর পাওয়া গেছে। আসাম ও উত্তরপ্রদেশের মতো এলাকায় দেখা বুলডোজার অভিযানের হুমকি এবং ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছে সাধারণ মানুষ। কলকাতার টালিগঞ্জ, আসানসোল, নিউটাউনসহ বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। সাবেক মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের অফিসও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। ভোট গণনার সময় বিজেপি এজেন্টদের পেশিশক্তি প্রদর্শন ও বিরোধী দলের এজেন্টদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মিনাখাঁয় তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্য ও তার পরিবারের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে। কোচবিহার থেকে ডানকুনি পর্যন্ত বিরোধী দলের অফিস দখল করে গেরুয়া পতাকা লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুসলিম মহল্লাগুলোতে রাতভর বাইক মিছিল ও বুলডোজারের হুমকিতে মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, এই সহিংসতা ও উসকানি বাংলার দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সংস্কৃতিকে বিপন্ন করছে এবং রাজ্যকে গভীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

Card image

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ক্যাম্পাসকে আধুনিক, নিরাপদ ও বিশ্বমানের স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে একগুচ্ছ গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যেখানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে ক্যাম্পাসে স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, বহিরাগতদের প্রবেশে কঠোর নিয়ন্ত্রণ, এবং অবস্থানকারীদের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ। শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ইউনিক আইডি কার্ড চালু করা হবে, যা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সেবা গ্রহণ করা যাবে। পরীক্ষায় স্বচ্ছতা আনতে উত্তরপত্রে ইউনিক কোডিং সিস্টেম চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৫ ব্যাচ থেকে নতুন একাডেমিক কারিকুলাম কার্যকর হবে, যেখানে মিডটার্ম পরীক্ষা ও নতুন নম্বর বণ্টন পদ্ধতি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আবাসন সংকট নিরসনে আগামী এক বছরের মধ্যে ছাত্রীদের জন্য এবং দেড় বছরের মধ্যে ছাত্রদের জন্য দুটি ১০ তলা হল নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় ইইই, সিই ও এমই বিভাগের জন্য তিনটি নতুন একাডেমিক ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গবেষণা ও স্টাডি ট্যুরের বাজেট বৃদ্ধি এবং ক্যাম্পাসে মানসম্মত রেস্টুরেন্ট, ফার্মেসি ও সেলুন স্থাপনের পরিকল্পনাও জানানো হয়েছে। ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখলে প্রশাসনকে দ্রুত অবহিত করার নির্দেশ দেন।

Card image

রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজে মঙ্গলবার গভীর রাতে নারী শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেন। তারা স্লোগান দেন ছাত্ররাজনীতি বন্ধ ও আবাসিক হলগুলোতে নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে। সম্প্রতি ছাত্রদলের একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর তিন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। যদিও প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করেনি, তবুও গুঞ্জন পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা জানান, তারা নিরাপদ ও নিরপেক্ষ আবাসিক পরিবেশ চান এবং কোনো রাজনৈতিক দলের নিয়ন্ত্রণে হল পরিচালনা মেনে নেবেন না। তাদের অভিযোগ, দলীয় প্রভাব বাড়লে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হয় এবং ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়। এবার সাধারণ শিক্ষার্থীরাই, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীরা, সরাসরি মাঠে নেমেছেন। কলেজ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য না দিলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষার্থীরা সতর্ক করেছেন, বহিষ্কারের গুঞ্জন সত্য হলে বা হল রাজনীতি বন্ধে পদক্ষেপ না নিলে তারা আরও বড় কর্মসূচি দেবেন।

Card image

প্রবাসী ও অভিবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ‘গ্লোবাল ডায়াস্পোরা সেল’ গঠন করেছে। মঙ্গলবার এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নবগঠিত সেলের প্রধান করা হয়েছে যুগ্ম সদস্য সচিব আলাউদ্দীন মোহাম্মদকে, এবং আরও কয়েকজন নেতাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, নতুন এই সেল ‘এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স’-এর কার্যক্রম তদারকি করবে। ইতোমধ্যে ২৬টি দেশে এই এলায়েন্সের কমিটি গঠিত হয়েছে। বিগত জাতীয় নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ প্রচারণা ও দলীয় তহবিল সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল এই সংগঠন। আলাউদ্দীন মোহাম্মদ এনসিপির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক সেলের সহ-প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এনসিপির আহ্বায়ক পদ থেকে সরে দাঁড়ান, যা দলীয় ত্যাগের উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এখন তাকে প্রবাসীদের মধ্যে এনসিপির কার্যক্রম সম্প্রসারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

Card image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশে অধিকাংশ অভিযুক্ত সাড়া দিচ্ছেন না বলে জানা গেছে। মোট ১২ জন অভিযুক্তের মধ্যে মাত্র একজন উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, বাকিরা বিভিন্ন অজুহাতে সাড়া দিচ্ছেন না। ঘটনাটির পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়। পরে সময়সীমা বাড়িয়ে আরও সাত কার্যদিবস দেওয়া হয়, যা আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হবে। তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুব কায়সার জানান, অভিযুক্তদের অনাগ্রহ সত্ত্বেও তদন্ত কার্যক্রম চলবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও বড় কোনো বাধার মুখে পড়েননি। প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ জানান, কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করছে এবং প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত ২৩ এপ্রিল শাহবাগ থানায় সাংবাদিকদের ওপর হামলায় প্রায় ১০ জন আহত হন। অভিযুক্তদের সাড়া না দেওয়ায় তদন্ত প্রক্রিয়া জটিল হয়ে উঠছে বলে সংশ্লিষ্টরা উল্লেখ করেছেন।

Card image

খুলনার দাকোপ উপজেলার কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়নে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি প্রবীর মন্ডলের অপসারণের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে ঝাড়ু মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে মিছিল নিয়ে পরিষদের সামনে জড়ো হন এবং বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া উত্তম কুমার মন্ডল জানান, আগের চেয়ারম্যান আত্মগোপনে যাওয়ার পর এসিল্যান্ডকে প্রশাসক করা হয়, পরে প্রবীর মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করা হয়। জনগণের আন্দোলনের মুখে সিদ্ধান্ত বাতিল হলেও ২০২৬ সালের ৪ মার্চ তিনি পুনরায় দায়িত্ব নেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি আর্থিক অনিয়মে জড়িত এবং নিজস্ব বাহিনী দিয়ে এলাকাবাসীকে ভয়ভীতি দেখান। ৯ মার্চ জেলা প্রশাসকের কাছে গণদরখাস্ত দেওয়া হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। প্রবীর মন্ডল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই। স্থানীয় সংসদ সদস্য আমির এজাজ খান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং জনগণকে মব সৃষ্টি না করার আহ্বান জানান।

Card image

২০২৬ সালের ৫ মে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানো ও অপসারণকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও শিবির সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হলের প্রধান ফটকের সামনে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা, ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত একজন শিক্ষার্থী আহত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়, হল সংসদ শাহবাগে সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাসের ওপর হামলার ঘটনায় মুহসীন হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে অভিযুক্ত করে একটি ব্যানার টানায়। ব্যানারটি ছাত্রদল নেতাকর্মীরা বারবার অপসারণ করলে হল সংসদের সদস্যরা পুনরায় সেটি টানিয়ে দেন। তৃতীয়বার ব্যানার অপসারণের চেষ্টা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সালমান খান দাবি করেন, ব্যানার রক্ষার সময় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তাকে আঘাত করেন। হল সংসদের নেতারা অভিযোগ করেন, ছাত্রদলের শীর্ষ নেতাদের নির্দেশে এই হামলা হয়েছে এবং বিচার না হলে তারা কঠোর আন্দোলনে যাবেন। প্রভোস্ট ও প্রক্টরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

Card image

হেফাজতে ইসলাম ঢাকা জেলা উত্তর শনিবার সাভারের হেমায়েতপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে। সংগঠনটি শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার, আলেমদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ১৩ দফা বাস্তবায়নের দাবি জানায়। সমাবেশে হেফাজতের ঢাকা জেলা উত্তরের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আলী আকবর কাসেমী বলেন, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও শাপলা গণহত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ বিচার না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, বিচার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং জনগণের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি একটি স্বাধীন তদন্ত কমিশন গঠন ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। সমাবেশ শেষে আলী আকবর কাসেমীর নেতৃত্বে একটি বিশাল মিছিল ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে শাপলার খুনিদের বিচারের দাবিতে স্লোগান দেয়।

Card image

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেছেন, আগামীর রাজনীতি শাপলার চেতনাকে ধারণ করেই গড়ে উঠবে। মঙ্গলবার রাজধানীর শাহবাগ জাদুঘরের নলিনীকান্ত অডিটোরিয়ামে ‘শাপলার শহীদচিত্র: অদেখা সত্যের ফ্রেম’ প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। তিনি ২০১৩ সালে শাহাদাত বরণকারীদের এই বাংলার সূর্য সন্তান হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তাদের আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে সত্য ও ন্যায়ের পথে উদ্বুদ্ধ করবে। ইতিহাসের সত্য অনুসন্ধান ও তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, যিনি প্রদর্শনীকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, শাপলার ঘটনাকে ঘিরে যে গবেষণা ও আলোচনা চলছে, তা সত্য উদঘাটন ও বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া লেখক, গবেষক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। আয়োজকরা জানান, প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হলো ইতিহাসকে গবেষণাভিত্তিক ও প্রমাণনির্ভরভাবে উপস্থাপন করা এবং তরুণ প্রজন্মকে সচেতন করে তোলা। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন আরও বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠিত হবে।

Card image

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ডাকসুর সাবেক এজিএস নাজিম উদ্দিন আলম বলেছেন, দেশের যেকোনো সংকট রাজনৈতিক দলগুলো একসঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করবে। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ (জিসপ) আয়োজিত ‘গণতন্ত্র, সুশাসন ও জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এই সভায় তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন। নাজিম উদ্দিন আলম বলেন, সরকারি ও বিরোধী দল সবাই মিলে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলা করতে হবে। তিনি জানান, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি একত্রে ফ্যাসিবাদ উৎখাতে ভূমিকা রেখেছে এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে সামাজিক নিরাপত্তা, আইনের শাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরও বলেন, পরিবার ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খালকাটা কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বর্তমানে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে।

Card image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রইছ উদ্‌দীন শাপলা চত্বরের ঘটনাকে ঘিরে ১৩ বছরের নীরবতা ভেঙে সত্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার শাপলা গণহত্যা দিবস উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) আয়োজিত আলোচনাসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জাতিকে এই বিষয়ে কথা বলতে ১৩ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। উপাচার্য ঘটনাটিকে রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের প্রেক্ষাপটে সংঘটিত জাতির এক গভীর ক্ষত হিসেবে উল্লেখ করেন। মূল আলোচক শিক্ষক ও লেখক আলী হাসান উসামা ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের শাপলা চত্বর সমাবেশের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন। তিনি ১৩ দফা দাবি, রাতের অভিযান এবং পরবর্তী দমন-পীড়নের বিশ্লেষণ করেন এবং নিহতদের সঠিক সংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজ না নেওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, ঘটনাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল এবং এ বিষয়ে গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। বক্তারা সত্য উদঘাটনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে স্বৈরাচারী শক্তির পুনরুত্থান রোধে সচেতন থাকার ওপর গুরুত্ব দেন।

Card image

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, দীর্ঘদিনের বিচারহীনতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের ক্ষোভ থেকেই জুলাই আন্দোলনের জন্ম হয়েছে। মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে ‘শাপলা গণহত্যা থেকে জুলাই’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, শাপলা চত্বরের গণহত্যার সমর্থক ও পরিকল্পনাকারীদের দ্রুত বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশে এমন নীতি বাস্তবায়ন জরুরি যেখানে সাধারণ মানুষ নিরাপদে কথা বলতে পারে। দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর পিলখানা থেকে শাপলা চত্বর পর্যন্ত একের পর এক মানবতাবিরোধী অপরাধ ঘটিয়েছে। তিনি শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিহতদের শহীদ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান। এনসিপির অন্যান্য নেতারাও সেমিনারে বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, শাপলা চত্বরের ঘটনাকে অস্বীকার করে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক দায় থেকে মুক্ত হতে পারবে না এবং অতীত আন্দোলনে নিহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।