Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

রাজশাহীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় গোদাগাড়ী উপজেলার সাবেক সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাসকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার বিকেলে রাজশাহী বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোস্তফা পাভেল রায়হান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডের মধ্যে দণ্ডবিধির ১৬১ ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৮ হাজার টাকা জরিমানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৪ মে গোদাগাড়ী পৌর সদরের সরমংলা একতা মৎস্য চাষী সমবায় সমিতির নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেন আব্দুল বাতেন। নিবন্ধনের প্রক্রিয়ায় তৎকালীন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা নৃপেন্দ্রনাথ দাস ১৫ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। অভিযোগকারী প্রথমে ৭ হাজার টাকা দেন এবং পরে দুদকে অভিযোগ করলে ফাঁদ পাতা হয়। ওই দিন দুপুরে অবশিষ্ট ৮ হাজার টাকা গ্রহণের সময় দুদকের দল তাকে হাতেনাতে আটক করে। পরে তাকে গোদাগাড়ী থানায় সোপর্দ করা হয় এবং মামলার পর আদালত রায় ঘোষণা করেন।

Card image

বাংলাদেশের পাঁচটি একীভূত ইসলামী ব্যাংকে বড় ধরনের ঋণ জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ৭৫ শতাংশ ঋণই জামানত ছাড়া বিতরণ করা হয়। এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ন্যূনতম শর্ত পূরণ ছাড়াই ঋণ দেয়, ফলে ব্যাপক খেলাপি ঋণ সৃষ্টি হয় এবং ব্যাংকগুলো আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হয়। এই পরিস্থিতিতে সরকার ব্যাংকগুলোকে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ গঠন করে। ইতোমধ্যে আমানত বিমা তহবিল থেকে গ্রাহকদের প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, গত ডিসেম্বর শেষে পাঁচ ব্যাংকের মোট ঋণ ছিল ১ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার মাত্র ২৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ জামানত দ্বারা আচ্ছাদিত। খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বা মোট ঋণের ৮৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এস আলম গ্রুপ একাই নিয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা, যার বেশিরভাগই জামানতবিহীন। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় জামানতের অতিমূল্যায়ন দেখানো হয়েছিল বলে জানা গেছে। অন্তর্বর্তী সরকার ৩৫ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত মূলধন নিয়ে নতুন ব্যাংক গঠন করলেও, আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ রেখে আইন সংশোধনের পর আমানতকারীদের মধ্যে নতুন করে আস্থাহীনতা দেখা দিয়েছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও সতর্কবার্তার মুখে কোনো আপস নয়, বরং যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সতর্ক করে বলেন, ইরানের সময় ফুরিয়ে আসছে এবং দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর জবাবে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তারা কোনো ছাড় দেবে না এবং হুমকির মুখে নতি স্বীকার করবে না। রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র বলেন, নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য আরও মারাত্মক ও বিধ্বংসী হবে। তিনি আরও সতর্ক করেন, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন আগ্রাসন চালানো হলে মার্কিন ঘাঁটি ও সম্পদের ওপর অপ্রত্যাশিত ও আক্রমণাত্মক কৌশলে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। তেহরানের মতে, তাদের অবস্থান প্রতিরোধমূলক, তবে ক্রমবর্ধমান বাগাড়ম্বর কূটনৈতিক আলোচনার পথকে আরও সংকীর্ণ করে তুলছে।

Card image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতৃত্বাধীন নতুন রাজ্য সরকার গবাদি পশু জবাইয়ের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করায় রাজ্যজুড়ে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। কোরবানির ঈদের আগে কার্যকর হওয়া এই নির্দেশনা অনুযায়ী ১৯৫০ সালের আইন ও ২০১৮ সালের হাইকোর্টের নির্দেশ কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ১৪ বছরের বেশি বয়সী বা অক্ষম পশু ছাড়া জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রকাশ্যে জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। ফলে গরুর হাটগুলো ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে, ব্যবসায়ীরা আইনি জটিলতার ভয়ে বাজারে আসছেন না। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন হিন্দু গো-খামারিরা, যারা ঋণ নিয়ে সারা বছর গরু লালন করেন কোরবানির মৌসুমে বিক্রির আশায়। বিক্রি বন্ধ থাকায় তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন, কেউ কেউ প্রকাশ্যে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে গরুগুলো কিনে নেওয়ার দাবি তুলেছেন। বিরোধী নেতারা গরুর বয়স নির্ধারণের নিয়মকে অবাস্তব বলে সমালোচনা করেছেন। সমালোচকরা আরও প্রশ্ন তুলেছেন, যখন ভারত করপোরেট কসাইখানার মাধ্যমে বছরে কোটি কোটি টাকার গো-মাংস রপ্তানি করছে, তখন প্রান্তিক খামারিরা কেন নিজেদের পশু বিক্রি করতে গিয়ে দেউলিয়া হচ্ছেন।

Card image

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে এবং রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে। দলটি বিভিন্ন স্তরে নতুন কমিটি গঠন শুরু করেছে এবং হাম টিকা জটিলতা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির মতো ইস্যু সামনে এনে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে, তাদের বিচার দাবি করছে এবং সামাজিকভাবে হেয় করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এসব ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। সরকার দলটির পুনরুত্থান ঠেকাতে কঠোর নজরদারি ও গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ সমর্থক ও কিছু পেশাজীবী সংগঠন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি তুলেছে। শেখ হাসিনা অনলাইনে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক পুনরুজ্জীবনের নির্দেশ দিয়েছেন এবং এ বছর দেশে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। ইতোমধ্যে কয়েকটি নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির কার্যক্রম বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা ও জনঅসন্তোষ থাকা সত্ত্বেও আওয়ামী লীগ পেশাজীবী ও স্থানীয় নেটওয়ার্কে কিছু প্রভাব ধরে রেখেছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী ঐক্য দলটির পূর্ণাঙ্গ প্রত্যাবর্তনকে এখনো কঠিন করে তুলেছে।

Card image

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান আবারও নাগরিকদের বেশি সন্তান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জন্মনিয়ন্ত্রণকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং জন্মহার কমে যাওয়াকে ‘বিপর্যয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে এরদোয়ান ঐতিহ্যবাহী পরিবারব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়ে অন্তত তিনটি, বরং চার বা পাঁচটি সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছেন। তার মতে, অধিক জন্মহার তুরস্ককে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করবে। কিন্তু ২০২৪ সালে দেশের প্রজনন হার নেমে এসেছে সর্বনিম্ন ১ দশমিক ৪৮-এ, যা জনসংখ্যা স্থিতিশীল রাখার প্রয়োজনীয় মাত্রার নিচে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নগরায়ণ, জীবনযাত্রার পরিবর্তন, নারীদের উচ্চশিক্ষা এবং অর্থনৈতিক সংকট এই পতনের মূল কারণ। সরকার মাতৃত্বকালীন ছুটি বৃদ্ধি, নগদ প্রণোদনা ও সুদমুক্ত ঋণসহ নানা উদ্যোগ নিলেও অভিভাবকেরা মনে করছেন এগুলো ব্যয়বহুল জীবনের তুলনায় অপ্রতুল। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কম মজুরির কারণে অনেক পরিবার সন্তান লালন-পালনে হিমশিম খাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এরদোয়ানের এই উদ্যোগ অর্থনৈতিক উদ্বেগের পাশাপাশি রক্ষণশীল ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। তরুণ প্রজন্ম এখন শিক্ষা ও ক্যারিয়ারে বেশি মনোযোগী হওয়ায় জন্মহার বাড়ানো কঠিন হবে বলে তারা মনে করেন। সরকার ২০২৫ সালকে ‘পরিবার বর্ষ’ ঘোষণা করেছে এবং ২০৩৫ সাল পর্যন্ত চলবে ‘পরিবার ও জনসংখ্যা দশক’।

Card image

ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে নিযুক্ত রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি মিখাইল উলিয়ানভ পরামর্শ দিয়েছেন যে, ইরান চীনের মতো মস্কোতেও একজন বিশেষ দূত নিয়োগ করতে পারে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে এই মন্তব্য করেন। উলিয়ানভ এক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে চীনের বিশেষ দূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও কি একই ধরনের পদক্ষেপ বিবেচনা করা সমানভাবে প্রাসঙ্গিক নয়। আলজাজিরা সূত্রে প্রকাশিত এই মন্তব্য ইরান ও রাশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনার ইঙ্গিত দেয়, যদিও ইরানের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

Card image

গাজায় এক শীর্ষ হামাস কমান্ডারের মৃত্যুর পর ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি নিজেদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে ইয়েমেনের হুতি সামরিক নেতৃত্ব। টেলিগ্রামে পাঠানো এক শোকবার্তায় হুতি বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইউসুফ হাসান আল-মাদানি হামাস কমান্ডার ইজ্জ আল-দিন আল-হাদ্দাদের মৃত্যুকে ফিলিস্তিনি আন্দোলন ও সমগ্র অঞ্চলের জন্য বড় ক্ষতি বলে উল্লেখ করেছেন। আল-মাদানি বলেন, হামাস ও তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে হুতিদের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে এবং বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই সমর্থন বজায় থাকবে। এই বার্তাটি হুতিদের ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি দীর্ঘদিনের অবস্থানকে পুনরায় নিশ্চিত করে। আলজাজিরা সূত্রে প্রকাশিত এই বিবৃতি আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হুতিদের ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থান ও সংহতির প্রতিশ্রুতি পুনরায় তুলে ধরেছে।

Card image

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য অ্যাপ্রেন্টিস’ চলচ্চিত্রের একটি ভিডিও ক্লিপ শেয়ার করেছেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কটাক্ষ করা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি ট্রাম্পের প্রাথমিক কর্মজীবনের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, এবং নির্বাচিত দৃশ্যে তার উপদেষ্টা রয় কোন ‘জেতার নিয়মাবলি’ ব্যাখ্যা করছেন—যার মধ্যে রয়েছে সর্বদা নিজের বিজয় দাবি করা এবং কখনো পরাজয় স্বীকার না করা। বাঘাইয়ের এই পোস্টটি ইরানের সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের অনুসারীদের পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে চলমান কটাক্ষ ও উপহাসের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি ট্রাম্পের সমালোচিত ও দুর্বল হামলা পরিকল্পনাকেও ব্যঙ্গ করছে। এর আগে বাঘাই আল জাজিরায় প্রকাশিত এক কলামে মার্কিন নীতির সমালোচনায় সাহিত্যিক এইমে সেজায়ার এবং পারস্যের কবি ফরিদুদ্দিন আত্তারের উদাহরণ টেনেছিলেন। এই ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে তেহরান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বকে সাংস্কৃতিক ও প্রতীকীভাবে চ্যালেঞ্জ করার কৌশল অব্যাহত রেখেছে।

Card image

সিলেট টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের বিপক্ষে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে পাকিস্তানকে ২৩২ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪৬ রানের লিড নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে তিন উইকেটে ১১০ রান তুলে মোট লিড দাঁড়িয়েছে ১৫৬ রানে। স্বাগতিকরা তৃতীয় দিনে পুরোটা ব্যাট করে লিড আরও বাড়াতে চায়। পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতা অব্যাহত থাকে, যেখানে কেবল বাবর আজম ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন, বাকিরা আবারও ব্যর্থ হন। বাংলাদেশের বোলাররা শুরু থেকেই আধিপত্য দেখান। তাসকিন আহমেদ প্রথম দুই ওভারেই দুটি উইকেট নেন, পরে নাহিদ রানা, মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম পাকিস্তানের মিডল ও লোয়ার অর্ডার ধসিয়ে দেন। খুররম শাহজাদের ৪০০ রানের আশা শেষ পর্যন্ত ২৩২ রানে থেমে যায়। ব্যাটিংয়ে মাহমুদুল হাসান জয় হাফ সেঞ্চুরি করলেও অভিষেক টেস্টে তানজিদ হাসান তামিম ব্যর্থ হন। তৃতীয় দিনে বাংলাদেশ লিড আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নামবে, অন্যদিকে পাকিস্তানের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ—তাদের আত্মবিশ্বাস ও পারফরম্যান্স উভয়ই এখন নুইয়ে পড়েছে।

Card image

লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় শহর বালবেকে ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে)-এর এক কমান্ডার ও তার কিশোরী কন্যা নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে শহরের দক্ষিণ প্রবেশপথের কাছে একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে হামলাটি ঘটে। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, একটি নির্দেশিত ক্ষেপণাস্ত্র ভবনটিতে আঘাত হানে, এতে পিআইজে কমান্ডার ওয়ায়েল আবদুল হালি এবং তার ১৭ বছর বয়সী মেয়ে রিমা নিহত হন। হামলার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের আশপাশে উদ্ধার তৎপরতা চালানো হয়। ইসরাইলি বাহিনীর পক্ষ থেকে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদনে অন্য কোনো হতাহতের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লেবানন সীমান্তজুড়ে ইসরাইলি হামলা বেড়েছে। গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসরাইলি বাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাও বৃদ্ধি পেয়েছে।

Card image

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় অচলাবস্থা অব্যাহত থাকায় ইরানকে দ্রুত সমঝোতার পথে আসার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে এবং ইরানকে দ্রুত চুক্তির দিকে অগ্রসর হতে হবে। অন্যথায় দেশটিকে গুরুতর পরিণতির মুখোমুখি হতে হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় নতুন কোনো গতি না আসায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্লেষকদের মতে, কূটনৈতিক অচলাবস্থা কাটাতে উভয় পক্ষের ওপর চাপ বাড়ছে। আল জাজিরার প্রতিবেদক আলমিগদাদ আলরুহাইদ তেহরান থেকে জানিয়েছেন, আলোচনায় এখনো স্পষ্ট কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি, তবে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছে।

Card image

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। সর্বশেষ হামলায় অন্তত আট ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে মধ্য গাজার দেইর আল-বালাহ শহরের একটি কমিউনিটি কিচেনের তিন কর্মীও রয়েছেন, যেটি রোববার সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের জন্য খাদ্য সহায়তা প্রস্তুত ও বিতরণের কাজ করতেন। এছাড়া গাজার দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিস ও উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়াতেও পৃথক হামলায় আরও কয়েকজন নিহত হয়েছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদক হিন্দ খুদারি জানিয়েছেন, চলমান হামলার কারণে বিভিন্ন এলাকায় আতঙ্ক ও মানবিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে। হাজারো মানুষ নিরাপদ আশ্রয় ও খাদ্যের সংকটে ভুগছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের সংঘাতে গাজার বেসামরিক অবকাঠামো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং হাসপাতাল, আশ্রয়কেন্দ্র ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাকারী স্থাপনাগুলোও হামলার ঝুঁকিতে রয়েছে।

Card image

রবিবার ঢাকায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত এক সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা বলেন, অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতা, আমদানিনির্ভর জ্বালানি, ক্যাপাসিটি চার্জ ও ভর্তুকির কারণে দেশের বিদ্যুৎ খাত বড় আর্থিক চাপে রয়েছে। তারা দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সমন্বিত নীতিমালা, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। সেমিনারটির শিরোনাম ছিল ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের সৃষ্ট অর্থনৈতিক বোঝা: সংকট ব্যবস্থাপনায় নীতিগত সুপারিশ’। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, জ্বালানি খাত বর্তমানে নানা সীমাবদ্ধতা ও আর্থিক চাপে ‘মাইনাস অবস্থানে’ রয়েছে এবং অতীতের আন্তর্জাতিক চুক্তি নতুন প্রকল্প গ্রহণে বাধা সৃষ্টি করছে। তিনি সৌরশক্তিসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। আইইবির সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম গ্যাস খাতে দীর্ঘদিনের অপচয় ও অব্যবস্থাপনার সমালোচনা করেন। অধ্যাপক এম. রেজওয়ান খান বলেন, অতিরিক্ত সক্ষমতা ও ব্যয়বহুল আমদানিনির্ভর জ্বালানি জাতীয় অর্থনীতির ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করছে। বক্তারা বলেন, প্রকল্প মূল্যায়নের ঘাটতি দূর করা, দেশীয় জ্বালানি সম্পদের ব্যবহার বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তারই খাতের টেকসই উন্নয়নের জন্য জরুরি।

Card image

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তার তুর্কি সমকক্ষ হাকান ফিদানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া, চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি গুরুত্ব পায়। দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা ও উত্তেজনা কমানোর উপায় নিয়েও মতবিনিময় করেন। কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার আলোচনা কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে তুরস্ক যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে নেপথ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ইরান সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। আঙ্কারা আশঙ্কা করছে, পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে সীমান্ত পেরিয়ে বড় ধরনের শরণার্থী প্রবাহ সৃষ্টি হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান অস্থিরতার মধ্যে তুরস্কের কূটনৈতিক তৎপরতা আঞ্চলিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।