Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত বিমান হামলা স্থগিতের ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নির্ধারিত বিমান হামলার পরিকল্পনা বাতিল করেছেন। এর আগে তিনি সতর্ক করেছিলেন, প্রয়োজনে ইরানের ওপর খুব কঠোর হামলা চালানো হতে পারে। এই ঘোষণার পরপরই তেলের বাজারে প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। ট্রাম্পের ঘোষণার পর ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ২১ ডলার বা ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ৮৯ দশমিক ১৭ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২৩ ডলার বা ১ দশমিক ৪ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৮৬ দশমিক ৪৮ ডলারে। উভয় বেঞ্চমার্কই সাপ্তাহিক লোকসানের মুখে পড়ে, ব্রেন্টের দাম ৪ দশমিক ২ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআই-এর দাম ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। আল জাজিরা সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় বাজারে এই পতন দেখা দিয়েছে।

Card image

ইরান ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান ও বক্তব্য নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকদের মতে, গত আড়াই মাসে ট্রাম্প এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছেন যা বাস্তবতাকে আড়াল করছে। তিনি দাবি করছেন ইরান চুক্তির জন্য মরিয়া, কিন্তু নিজেই সময়সীমা শিথিল করছেন এবং ইরানের উস্কানিকে হালকা করে দেখছেন। সম্প্রতি খার্গ দ্বীপে হামলার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরই তিনি তা থেকে সরে এসে আলোচনার অগ্রগতির কথা বলেন। সমালোচকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনীহা ইরানকে সুযোগ দিচ্ছে, ফলে যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট দীর্ঘায়িত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে, যা ইরানের জন্য রাজনৈতিক সুবিধা তৈরি করতে পারে। মার্কিন অ্যাপাচে হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার পরও ট্রাম্পের অনিচ্ছুক প্রতিক্রিয়া বিতর্ক বাড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের নমনীয়তা ও আগেভাগে পরিকল্পনা প্রকাশ ইরানকে চুক্তিতে সুবিধাজনক অবস্থানে নিচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বাড়ায় রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

Card image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে নতুন চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ায় দুই দেশের চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটেছে। সিনেট প্রার্থী ব্যারি মুরের সমর্থনে আয়োজিত এক টেলি-র‍্যালিতে তিনি বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মূল দাবি ছিল। টেলি-র‍্যালিতে ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের সঙ্গে সবকিছু মীমাংসা হয়ে গেছে এবং তিনি চুক্তি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তার ভাষায়, এটি একটি দুর্দান্ত চুক্তি, যেখানে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না এবং খুব শিগগিরই মার্কিন নাগরিকরা দেশে ফিরতে শুরু করবে। তিনি বলেন, চুক্তিটি প্রায় সম্পন্ন এবং যুক্তরাষ্ট্র যা চেয়েছিল, তার সবই পেয়েছে। তবে চুক্তির বিস্তারিত তথ্য বা ইরানের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিবেদনে কোনো তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

Card image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর হামলা বাতিলের বিষয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করার পর যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা গেছে। বৃহস্পতিবার দেরিতে ওয়াল স্ট্রিটের প্রধান সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়। ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি খুব কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে। তার এই বক্তব্যের পরই বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং প্রযুক্তি খাতের নাসডাক কম্পোজিট বেড়েছে ২ দশমিক ৫৪ শতাংশ। নিউ জার্সির চেরি লেন ইনভেস্টমেন্টসের পার্টনার রিক মেকলার বলেন, প্রশাসনের মতে এটি এমন একটি দিন যখন যুদ্ধ শেষ হতে পারে, যা বাজারকে উর্ধ্বমুখী করেছে। তবে তিনি কিছুটা সংশয় প্রকাশ করে প্রশ্ন তোলেন, এটি কি আরেকটি ভুল ইঙ্গিত, না কি সত্যিই সবকিছু শেষ হতে চলেছে। মেকলার আরও বলেন, যুদ্ধ ও মূল্যস্ফীতি, বিশেষ করে জ্বালানি খাতে এর প্রভাব, বাজারের ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। তাই যদি এটি সত্যিই শেষ হয়, তবে তা বাজারের জন্য বড় ইতিবাচক দিক হবে।

Card image

বাংলাদেশ সরকার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে একাধিক প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। বাজেটে বাণিজ্য সহজীকরণ, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ব্যবসা পরিচালনা সহজ করতে ‘বাংলাবিজ’ নামে একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করা হয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে ১৯টি সম্ভাবনাময় খাত নিয়ে বিশেষ হিট ম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। পটুয়াখালী ও যশোরে নতুন ইপিজেড স্থাপনের কাজ চলছে, যেখানে প্রায় আড়াই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, চাঁদপুর ও কুষ্টিয়ায় নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রপ্তানি সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় আটটি খাতকে ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে শুল্কমুক্ত পণ্য খালাস সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কৃষিজাত পণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, ওষুধ ও ইলেকট্রনিকসসহ শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পকে শুল্কমুক্ত আমদানির সুযোগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন উৎসাহিত করতে বৈদ্যুতিক বাস, ট্রাক, মোটরসাইকেল ও স্কুটার উৎপাদনে নীতিগত সহায়তা ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে ৬০ হাজার কোটি টাকার ‘স্টিমুলাস প্যাকেজ–২০২৬’ ঘোষণা করেছে, যার আওতায় বন্ধ শিল্প পুনরায় চালু, কৃষি, সিএমএসএমই, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং উত্তরাঞ্চলকে কৃষি হাব হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Card image

২০১৬ সালে ওয়ার্কিং হলিডে ভিসায় নিউজিল্যান্ডে গিয়ে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন যুক্তরাষ্ট্রের এরিন ক্ল্যাট। ২০২৬ সালের শুরুতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব ত্যাগ করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিদেশে বসবাসকারী মার্কিন নাগরিকদের ওপর করের চাপ—এই দুই কারণেই তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। নাগরিকত্ব ত্যাগের সময় তিনি ২,৩৫০ ডলার ফি পরিশোধ করেন, যা পরে প্রায় ৮০ শতাংশ কমানো হয়। আমেরিকেন্স ওভারসিস নামের একটি প্রতিষ্ঠান জানায়, ২০২৫ সালে আইআরএসের তালিকায় ৪,৮৮৯ জন মার্কিন নাগরিক নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন, যা ২০২০ সালের পর সর্বোচ্চ। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এ বছর নাগরিকত্ব ত্যাগে আগ্রহীদের অনুসন্ধান ১৫ শতাংশ বেড়েছে এবং এই প্রবণতা আগামী বছরগুলোতেও অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক “অ্যাকসিডেন্টাল আমেরিকান” যুক্তরাষ্ট্রে না থেকেও জটিল কর-দায়বদ্ধতার মুখে পড়ছেন। অভিবাসন আইনজীবীরা সতর্ক করে বলেছেন, নাগরিকত্ব ত্যাগের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস বা ভ্রমণের অধিকার হারানোর ঝুঁকি থাকে। তবে অনেকের কাছে এটি অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক নয়, বরং পরিচয়ের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Card image

জাতীয় সংসদে ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনের পর জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বাজেটটিকে অবাস্তব, উচ্চাভিলাষী ও ঋণনির্ভর বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, সরকার ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে চায়, যেখানে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। এতে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি তৈরি হবে, যা বর্তমান প্রশাসন ও কর কাঠামোর মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব নয়। ফলে সরকারকে দেশীয় ব্যাংক ও বিদেশ থেকে ঋণ নিতে হবে। নাহিদ ইসলাম বলেন, ঋণনির্ভর বাজেট ব্যাংকিং খাতের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং বেসরকারি খাত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তিনি অভিযোগ করেন, বাজেট বক্তৃতায় ঋণখেলাপি, ব্যাংকিং সংস্কার বা পাচারকৃত অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপের উল্লেখ নেই। ইসলামী ব্যাংককে আবারও এস আলমের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে, যা ব্যাংক খাতে নতুন করে অনাস্থা তৈরি করছে। তবে তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিকে ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানো বাস্তবায়িত হলে দ্রব্যমূল্য কিছুটা কমতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন, যদিও সাধারণ মানুষ এতে কতটা উপকৃত হবে তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন।

Card image

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হলো মেক্সিকো সিটির ঐতিহাসিক এস্তাদিও বানোর্তে স্টেডিয়ামে এক বর্ণিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। ১২ জুন ২০২৬ তারিখে আয়োজিত ১৭ মিনিটের এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানে ফুটে উঠেছে মেক্সিকোর ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও ঐক্যের বার্তা। রং, সুর, নৃত্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে সাজানো এই আয়োজনে বিশাল বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতিরূপ ঘুরে বেড়ায় স্টেডিয়ামের কেন্দ্রে, আর হাজারো দর্শক মেতে ওঠেন উৎসবের আবহে। ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওশানের প্রাণবন্ত পরিবেশনা দর্শকদের উচ্ছ্বসিত করে তোলে। কলম্বিয়ার পপ তারকা শাকিরা ও নাইজেরিয়ার বার্না বয় যখন অফিসিয়াল গান ‘দাই দাই’ পরিবেশন করেন, তখন পুরো স্টেডিয়াম পরিণত হয় এক বিশাল সংগীতমঞ্চে। এছাড়া জে বালভিন, টাইলা, আলেহান্দ্রো ফার্নান্দেজ, বেলিন্দা ও লিলা ডাউনসও অংশ নেন। ইতালির প্রযোজক মার্কো বালিচের পরিকল্পনায় সাজানো এই অনুষ্ঠানে মেক্সিকোর ঐতিহ্যবাহী ‘পাপেল পিকাদো’ শিল্পকলাও তুলে ধরা হয়। উদ্বোধনের পর মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিশ্বকাপের আনুষ্ঠানিক লড়াই, যা ইতিহাসে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে।

Card image

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক দুটি আচরণের সমালোচনা করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতভেদ ও বিতর্ক থাকতে পারে, তবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সবসময় সংযম বজায় রাখা জরুরি। তিনি দুটি ঘটনার উল্লেখ করেন যা তার কাছে দৃষ্টিকটু লেগেছে। প্রথমত, জনসভায় তারেক রহমানের “গুপ্ত গুপ্ত” বলে একটি রাজনৈতিক দলকে ঠাট্টা করা অশোভনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। এতে নেতাকর্মীরা সীমা অতিক্রম করে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নষ্ট হয় বলে তিনি মনে করেন। দ্বিতীয়ত, সংসদে বিরোধী দলের কয়েকজন সদস্যের ব্যাংক ঋণ না থাকার প্রসঙ্গে তাদের “জমিদার” বলে ঠাট্টা করা অনুচিত বলে উল্লেখ করেন সারজিস আলম। তিনি বলেন, ঋণ না থাকা কোনো উপহাসের বিষয় নয়, বরং ঋণখেলাপি হওয়াই জাতির জন্য ক্ষতিকর। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দল পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলবেন।

Card image

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে, আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করা ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রদানের পরিকল্পনা থেকে সরে আসতে। বৃহস্পতিবার বাজেটোত্তর এক বিবৃতিতে সংস্থাটি বলেছে, এ ধরনের উদ্যোগ হতাশাজনক ও উদ্বেগজনক এবং এটি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দুর্নীতি ও অনিয়মকে স্বাভাবিক করে তুলবে। টিআইবি মনে করে, বিনিয়োগ বা প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর যুক্তিতে এমন সুযোগ দেওয়া সরকারের জন্য আত্মঘাতী হবে। সংস্থার নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, স্বাধীনতার পর প্রায় সব সরকারই অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ দিয়েছে, যা সংবিধানের চেতনার পরিপন্থি। এসব উদ্যোগে করফাঁকি বেড়েছে এবং সৎ করদাতারা নিরুৎসাহিত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের এই নীতি পুনরায় চালু করার প্রচেষ্টা দুর্নীতিবিরোধী অঙ্গীকারকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং জনআস্থা ক্ষুণ্ণ করতে পারে। টিআইবি সতর্ক করেছে, কালো টাকা ধারকদের পূর্ণ দায়মুক্তি দেওয়া রাজনৈতিক ঐকমত্য ও দুর্নীতি দমন সংস্কারের পরিপন্থি হবে। সংস্থাটি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বদলে দেশের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিতে।

Card image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার রাতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা বাতিল করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য এক চুক্তির চূড়ান্ত বিষয়গুলো অনুমোদন পাওয়ার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে অনুমোদিত হয়েছে, তাই তিনি হামলা স্থগিত করেছেন। তিনি বলেন, আলোচনা ও চূড়ান্ত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের অনুমোদন পেয়েছে। ট্রাম্প জানান, অনুমোদন দেওয়া দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান ও মিসর। তিনি আরও বলেন, চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত নৌ অবরোধ বহাল থাকবে এবং চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ও স্থান শিগগিরই ঘোষণা করা হবে। এর আগেও ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় সম্পন্ন হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তবে তা বাস্তবায়িত হয়নি। সূত্র জানায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতে কাতারের মধ্যস্থতায় ইরান যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রস্তাবিত চুক্তির সর্বশেষ খসড়া পাঠিয়েছে, যদিও উভয় দেশ সাম্প্রতিক দিনগুলোতে পাল্টাপাল্টি হামলা চালিয়েছে।

Card image

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জাতীয় সংসদে পেশ করা ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী ও বাস্তবতা-বিবর্জিত বলে মন্তব্য করেছে। এনসিপির ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ড. আতিক মুজাহিদ এমপি বৃহস্পতিবার (১১ জুন ২০২৬) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সরকার প্রায় ২.৫ লাখ কোটি টাকার ঘাটতির কথা বললেও বাস্তবে ঘাটতি সাড়ে ৪.৫ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। প্রস্তাবিত ৬.৯৫ লাখ কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় অর্জন করা সম্ভব নয় এবং রাজস্ব আদায়ে ২ লাখ কোটিরও বেশি ঘাটতি থেকে যেতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এনসিপির এই মন্তব্যে সরকারের বাজেট বাস্তবায়ন সক্ষমতা ও প্রকৃত ঘাটতির মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া ২৩তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে নানা বিতর্কের মধ্যে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্বীকার করেছেন যে, সংস্থাটির সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা নেই। ‘গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’খ্যাত এই আসর শুরু হওয়ার পর থেকেই টিকিটের উচ্চমূল্য, দল ও সমর্থকদের ভিসা জটিলতা এবং যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের কঠোর নিয়ম নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা চলছে। উদ্বোধনী ম্যাচের আগে সোমালিয়ার রেফারি ওমর আর্তানকে সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ফেরত পাঠানোয় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইনফান্তিনো বলেন, ফিফা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং সরকার ও নিরাপত্তা সংস্থার সিদ্ধান্তকে সম্মান করতে হয়। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি অত্যন্ত আগ্রাসী এবং নিরাপত্তা এখন সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। ফিফা পর্দার আড়ালে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিভিন্ন কূটনৈতিক জটিলতার মধ্যেও ইরানের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাকে ফিফার বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন ইনফান্তিনো, যা যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজনের প্রেক্ষাপটে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে তিনি মনে করেন।

Card image

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সরকারি সিদ্ধান্তকে অনুচিত বলে মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি হাসপাতালটিতে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এর যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন, তবে পুরো প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া সমাধান নয়। তিনি বলেন, তদন্তে যদি কোনো অবহেলা বা অপরাধ প্রমাণিত হয়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কিন্তু হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী। ডা. শফিকুর রহমান উল্লেখ করেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে গরিবের হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত এবং মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছে। তিনি আরও জানান, এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল যেখানে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে এবং নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। কার্যক্রম বন্ধ হলে এসব শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাই তিনি সরকারের প্রতি সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

Card image

আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বলে সমালোচনা করেছে এবং বলেছে, এটি দেশের অর্থনীতিকে আরও ঝুঁকির মুখে ফেলবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট উত্থাপনের পর এক যৌথ বিবৃতিতে দলটির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, বাজেটে বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট ও অনিশ্চয়তা থেকে উত্তরণের কোনো স্পষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। নেতারা বলেন, প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি নিয়ে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট বাস্তবতার চেয়ে কাগুজে উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। এতে কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর পরিকল্পনা নেই। কর বৃদ্ধি ও ঋণনির্ভর অর্থনীতি মূল্যস্ফীতি বাড়াবে, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি করবে এবং বেসরকারি বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করবে বলে তারা মন্তব্য করেন। এবি পার্টি বাজেট পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়ে উৎপাদনমুখী বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দুর্নীতি দমন, ব্যয়সংকোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।