Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ বৃহস্পতিবার টেনেসির একটি জাতীয় গবেষণাগারে প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে এক্সিওস এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে নতুন করে হামলা চালাচ্ছে এবং একই সঙ্গে তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করতে আলোচনা করছে, তখন এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। নিউক্লিয়ার থ্রেট ইনিশিয়েটিভের নিউক্লিয়ার ম্যাটেরিয়ালস সিকিউরিটি প্রোগ্রামের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্কট রোকার জানান, এই গবেষণাগারের বিশ্বজুড়ে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণের ইতিহাস রয়েছে। তিনি সিএনএনকে বলেন, তারা নিরাপদে ইউরেনিয়াম পরিচালনা, রূপান্তর ও পরিবহনে দক্ষ, তবে মাটির নিচে পুঁতে রাখা ইউরেনিয়াম উদ্ধারের অভিজ্ঞতা যুক্তরাষ্ট্রে কারও নেই। মার্কিন গোয়েন্দা পর্যালোচনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনে ইরানের ইস্পহান কমপ্লেক্সে হামলায় ইউরেনিয়ামের বড় অংশ মাটির নিচে চাপা পড়ে কিন্তু ধ্বংস হয়নি। রোকার এই বৈঠককে উৎসাহব্যঞ্জক লক্ষণ হিসেবে দেখেছেন এবং বলেছেন, আলোচনায় মার্কিন বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা প্রযুক্তিগত এবং এতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

Card image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন সামরিক অভিযানের পর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার মাত্র ২১ থেকে ২২ শতাংশ অবশিষ্ট রয়েছে। এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক অবকাঠামো সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দিয়েছে এবং দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি এখন আগের তুলনায় অনেক কম। তবে ট্রাম্পের এই মন্তব্য দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিবেদনের সঙ্গে ভিন্ন। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালির বরাবর ৩৩টি ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটির মধ্যে ৩০টিতে কার্যক্ষম প্রবেশাধিকার পুনরুদ্ধার করেছে এবং যুদ্ধ-পূর্ববর্তী ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের প্রায় ৭০ শতাংশ ধরে রেখেছে। এই পার্থক্য মার্কিন প্রশাসনের প্রকাশ্য বক্তব্য ও গোয়েন্দা মূল্যায়নের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফারাক নির্দেশ করে।

Card image

চট্টগ্রামে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে অর্থ জোগানোর অভিযোগে ১৫ জন স্থানীয় ব্যবসায়ীকে নজরদারিতে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক এক পরিচালক আওয়ামীপন্থি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহ করে মাঠপর্যায়ে নারী কর্মীদের মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করছেন। এমনকি কারাবন্দি নেতাদের পিসি কার্ডেও নিয়মিত টাকা জমা দেওয়া হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ এই অর্থ প্রবাহ পর্যবেক্ষণ শুরু করেছে। সূত্র জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠনটি চট্টগ্রাম নগরীকে দুই ভাগে ভাগ করে ঝটিকা মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে। সাদমান ও জনি নামে দুই প্রশিক্ষিত ক্যাডার মাঠপর্যায়ে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, আর বিদেশে পলাতক সাবেক মন্ত্রী ও এক সাবেক এমপি এসব কর্মকাণ্ড তদারক করছেন। সম্প্রতি জিইসি ও অক্সিজেন এলাকায় বড় মিছিলের পর পুলিশ ৬৮ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং তাদের কাছ থেকে সংগঠনের অর্থায়ন ও সমন্বয় সংক্রান্ত তথ্য পায়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা ও বিরোধী দলগুলোর বিভাজন নিষিদ্ধ সংগঠনটিকে আরও সাহসী করে তুলেছে। তারা ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক ঐক্য পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন যাতে অস্থিতিশীলতা রোধ করা যায়।

Card image

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েনের পর অবশেষে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেয়েছেন ইরানের ফুটবলাররা। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, লস অ্যাঞ্জেলসে প্রথম ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ভিসা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে ইরানের দাবি, দলের কয়েকজন টেকনিক্যাল ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এখনো ভিসা পাননি। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত তাদের ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ইরানের মেক্সিকোস্থ রাষ্ট্রদূত আবুলফজল পাসান্দিদেহ অভিযোগ করেছিলেন, ম্যাচ শুরুর ১০ দিন আগেও দলটির সদস্যরা ভিসা পাননি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবারের বিশ্বকাপ ভূ-রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। ভিসা জটিলতার কারণে তেহরান শুরু থেকেই ম্যাচগুলো সহ-আয়োজক মেক্সিকোয় সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। রাষ্ট্রদূত পাসান্দিদেহ মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে খেলতে যাওয়া ইরানের সিদ্ধান্ত শান্তির প্রতি তাদের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। দলটি রোববার মেক্সিকোর তিজুয়ানায় পৌঁছে প্রস্তুতি ক্যাম্প করবে এবং ১৫ জুন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে।

Card image

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সোমবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন। প্রায় সাত বছর পর এই সফরটি হচ্ছে এমন সময়ে, যখন কিম জং উন রাশিয়ার সঙ্গে কৌশলগত জোট গড়ে অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে উঠেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, শি এই সফরের মাধ্যমে পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে ঐক্য প্রদর্শন করতে চান এবং একই সঙ্গে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব বজায় রাখতে আগ্রহী। কিম রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে চীনের কাছ থেকে আরও অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মস্কোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করে এবং রাশিয়াকে অস্ত্র সরবরাহের বিনিময়ে তেল, খাদ্য ও প্রযুক্তি পাওয়ার ফলে উত্তর কোরিয়া এখন আর কেবল চীনের ওপর নির্ভরশীল নয়। এই পরিবর্তন বেইজিংয়ের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্মেলনে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হতে পারে, যদিও কিম ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের অবস্থান কিছুটা নরম হয়েছে এবং তারা এখন পারমাণবিক উত্তর কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টির উপায় হিসেবে দেখছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে হামলা চালানোর পর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে আহ্বান জানিয়েছে বাহরাইন। শনিবার ভোরে দেশজুড়ে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হলে কর্তৃপক্ষ নাগরিক ও বাসিন্দাদের শান্ত থাকতে এবং নিকটতম নিরাপদ স্থানে চলে যেতে অনুরোধ জানায়। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সামাজিক মাধ্যম এক্সে বার্তা দিয়ে এই নির্দেশনা দেয়। এর আগে বুধবার বাহরাইন জানিয়েছিল যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং বেশ কয়েকটি ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটে বাহরাইন এই সতর্কতা জারি করেছে, যা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। এখনও পর্যন্ত হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, তবে সতর্কতা জারি থাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

Card image

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে ‘শত্রুর ঘাঁটিতে’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, সিরিক শহর ও হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের ওপর মার্কিন সেনাবাহিনীর আগ্রাসনের জবাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরান কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। অপরদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে রাডার স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির দিকে ছোড়া চারটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। গোরুক ও কাশেম দ্বীপে উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে এই হামলা হয়। এই পাল্টা হামলা মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

Card image

হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানি রাডার সাইটে মার্কিন হামলা ও আক্রমণাত্মক ড্রোন ভূপাতিত করার কয়েক ঘণ্টা পরই ইরান কুয়েত ও বাহরাইন লক্ষ্য করে সাতটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সেন্টকমের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে, ছয়টি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ আকাশে প্রতিহত হয়েছে এবং সপ্তমটি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। মার্কিন বাহিনী জানিয়েছে, কোনো মার্কিন কর্মী হতাহত হয়নি এবং বাহরাইনে পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ইরানের দাবি মিথ্যা। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ‘শত্রু ঘাঁটিতে’ অ্যারোস্পেস মিসাইল দিয়ে হামলা চালিয়েছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির কৌশলগত এলাকায় অবস্থিত সিরিক শহর ও কেশম দ্বীপে মার্কিন আগ্রাসনের জবাব হিসেবেই এই পাল্টা হামলা হয়েছে। ঘটনাটি উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে, যেখানে উভয় পক্ষই হামলার ফলাফল নিয়ে ভিন্ন দাবি করছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে রাডার স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড জানায়, ইরানের চারটি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে, যেগুলো হরমুজ প্রণালির দিকে ছোড়া হয়েছিল। এরপর গোরুক ও কাশেম দ্বীপে উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। সেন্ট্রাল কমান্ডের মতে, ইরানের ছোড়া ড্রোনগুলো আঞ্চলিক সামুদ্রিক নৌযান চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করেছিল। পরবর্তী হামলা ঠেকাতে রাডার স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছে, যদিও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল। সহিংসতা বন্ধে আলোচনার প্রচেষ্টা এখনো সফল হয়নি। দুই দেশই শান্তির জন্য প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব দিয়ে আসছে, তবে উভয় পক্ষের নেতারা প্রয়োজনে আবারও আক্রমণ চালানোর প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

Card image

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজায়ি সতর্ক করেছেন, ২৪ বিলিয়ন ডলার বায়োজাপ্ত ইরানি সম্পদ মুক্ত না হলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি ভেস্তে যেতে পারে। তেহরানে সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তা ভাঙতে হবে। রেজায়ি বলেন, সংঘাত পুনরায় শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্র একটি “অন্ধকার সুড়ঙ্গে” প্রবেশ করবে। তিনি জানান, ইরান অন্তর্বর্তী চুক্তির পরপরই ১২ বিলিয়ন ডলার এবং পরবর্তী ধাপে আরও ১২ বিলিয়ন ডলার মুক্তির দাবি জানিয়েছে, যা আস্থা বিনিময়ের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন, এই তহবিল ছেড়ে দিলে ইরানের ওপর চাপ কমে যাবে। ট্রাম্প বলেছেন, নতুন চুক্তি ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির চেয়ে শক্তিশালী হতে হবে। রেজায়ি ট্রাম্প ও খামেনির বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে হরমুজ প্রণালির ওপর ইরান-ওমানের যৌথ সার্বভৌমত্বের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ইরান পারস্য উপসাগরের বাইরেও অভিযান চালাবে, যদিও নতুন সংঘাতের আশঙ্কা কম।

Card image

ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ বা বড় ধরনের সংঘাত এখনই শুরু হবে বলে তারা মনে করছে না। তবে মার্কিন বাহিনীর সঙ্গে সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাতের জন্য তারা সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। তেহরান থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নতুন কিছু প্রস্তাব ইরান খতিয়ে দেখছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এর জবাব দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে তেহরান। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই পুরো প্রক্রিয়াটি তাদের কাছে পুরোনো ও পরিচিত একটি বিষয়। কোনো আলোচনা বা মার্কিন সদিচ্ছার প্রকাশই যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তাদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে যথেষ্ট নয়। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না। তেহরান আশঙ্কা করছে, এই অঞ্চলে যেকোনো মুহূর্তে নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত বা অগ্নিকাণ্ড ছড়িয়ে পড়তে পারে, যদিও কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার কেন্দ্রবিন্দু কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি। আল জাজিরার তেহরান প্রতিনিধি জানিয়েছেন, শনিবার ভোরে ইরানি বাহিনী মার্কিন নৌবাহিনীর কয়েকটি জাহাজ লক্ষ্য করে সতর্কতামূলক গুলি ছোড়ে। ইরান আরও জানিয়েছে, হরমুজগান প্রদেশের সিরিক বন্দরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। ঘটনাটির বিস্তারিত এখনো জানা যায়নি, তবে এটি সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ধারাবাহিক উত্তেজনার অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক দিন ধরে দুই দেশের মধ্যে একই ধরনের ঘটনা ঘটছে, যেখানে উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে একে অপরকে দোষারোপ করেছে। মার্কিন প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি ড্রোন উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। ইরান শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হরমুজ প্রণালি এখন দুই দেশের মুখোমুখি অবস্থানের মূল কেন্দ্র, যেখানে যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান সামরিক উপস্থিতি প্রত্যাহার করে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচল উন্মুক্ত করুক। ইরান এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, তারা প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে। এদিকে বাহরাইনে জরুরি সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে।

Card image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের নেতৃত্ব অত্যন্ত আত্মমর্যাদাশীল এবং তারা সহজে কোনো ছাড় দিতে রাজি নয়। শুক্রবার এনবিসি-র ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বহাল থাকলেও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে নতুন করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান চেষ্টায় উভয় পক্ষই কাজ করছে। একই দিনে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তথ্য নিশ্চিত করে। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প চলমান ইরান পরিস্থিতিকে ‘ভিয়েতনাম যুদ্ধ’-এর সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে তিন মাসের কিছু বেশি সময় ধরে, অথচ ভিয়েতনাম যুদ্ধ স্থায়ী হয়েছিল প্রায় ১৯ বছর। তিনি জানান, তেহরানের সঙ্গে কোনো চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের তাড়াহুড়ো নেই এবং যে কোনো চুক্তি অবশ্যই আমেরিকার জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে। ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের নেতৃত্বের গর্বিত অবস্থান যুদ্ধ অবসানের প্রক্রিয়ার অংশ এবং তিনি তা বুঝতে পারছেন। রাজনৈতিক স্বার্থে আলোচনায় তাড়াহুড়ো করা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

Card image

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেট সংলগ্ন মালামাল রাখার স্থানে শুক্রবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তা-সংবেদনশীল এলাকায় আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ফায়ার সার্ভিস জানায়, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে আগুন লাগার খবর পেয়ে তিন মিনিটের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে চারটি ইউনিটের সমন্বয়ে রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ৯ নম্বর গেটের পাশে মালামাল সংরক্ষণের স্থানে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং বিমানবন্দরের ফ্লাইট পরিচালনায়ও কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয় এবং আশপাশের লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুনের উৎস ও সম্ভাব্য কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

Card image

যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরানের জাতীয় ফুটবল দল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধ এখন সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে থাকলেও উত্তেজনা কমেনি। দেশে স্বাভাবিক পরিবেশ না থাকায় দলটি ১৮ মে থেকে তুরস্কের আন্তালিয়ায় অনুশীলন করছে। খেলোয়াড়রা জানিয়েছেন, যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে প্রশাসনিক প্রক্রিয়াতেও। আঙ্কারায় মার্কিন দূতাবাসে আবেদন করেও ইরানি ফুটবলাররা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাননি, যদিও তাদের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রেই হওয়ার কথা। ইরানের অনুরোধে ফিফা শেষ মুহূর্তে দলের বেস ক্যাম্প যুক্তরাষ্ট্র থেকে মেক্সিকোতে সরিয়ে নেয়। মেক্সিকান দূতাবাস থেকে দ্রুত ভিসা পাওয়ায় দলটি রোববার মেক্সিকোর উদ্দেশে রওনা হবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সময় পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। ইরানের প্রথম দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলেসে, যেখানে বড় ইরানি প্রবাসী জনগোষ্ঠী বাস করে। খেলোয়াড়রা আশা করছেন, প্রবাসীরা মাঠে এসে দলকে সমর্থন দেবেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারবেন।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।