গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্মরণ উৎসবে উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ স্বাধীন হলো। এরপর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা কাজে লাগাতে পারিনি। তাদের সুস্থ করতে পারিনি। খালি হাতে খালি পায়ে গ্রামে ফিরে যেতে হয়েছিল। দেশটাও গত ৫০ বছরে গড়েই উঠল না। গণতন্ত্র, সাম্য, সমাজতন্ত্র, ন্যায়বিচার—সবই আড়ালে থেকে গেল। আমাদের রাজনীতি নিশ্চয় ত্রুটিপূর্ণ ছিল। সেই রাজনীতি ভুল ছিল বলেই চব্বিশ ঘটেছে। শারমীন এস মুরশিদ বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সংস্কৃতি বিরাজমান, সেটির পরিবর্তন ঘটেনি। তরুণদের এই শিক্ষাটা মাথায় রাখতে হবে। পেছনের পচে যাওয়া প্রথাগুলো গ্রহণ করে রাজনৈতিক দল গড়তে চাইলে ভুল হবে। আদর্শের জায়গায় দাঁড়াতে হবে। এ জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর পথ অনুসরণ করতে হবে।
ফেসবুক পোস্টে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানায়, ভিসা মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার সর্বোচ্চ মান বজায় রাখতে যুক্তরাষ্ট্র সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যতক্ষণ না সব ধরনের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট উদ্বেগের সমাধান হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত কোনো ভিসা ইস্যু করা হয় না। আরও জানায়, ভুয়া নথিপত্র দাখিলকারী আবেদনকারীদের কোনো ভিসা দেওয়া হয় না এবং তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী এবং সংশ্লিষ্ট দেশেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইউএসএ’র চেয়ারপারসন মঈন চৌধুরী মার্কিন ভিসাপ্রত্যাশীদের ভুয়া কাগজপত্র ও দালালদের থেকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে শিশুদের ভাষা ও গণিতে সাক্ষর করে তোলার ক্ষেত্রে বিদ্যালয় প্রধান এবং কর্মকর্তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। যদি আদর্শ কিছু বলতে চাই উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, তাহলে প্রাইমারি স্কুল হবে অটোনোমাস। প্রাইমারি স্কুল হবে স্বায়ত্তশাসিত। তারা বাজেট করবে, বাজেট দেওয়াও হবে। একইভাবে শিক্ষার মান নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রেও জবাবদিহিতা থাকবে। এটি একটি আইডিয়াল কন্ডিশন। তবে আমাদের দেশে এখনই করা সম্ভব নয়। আরো বলেন, দুটি প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৬৫ উপজেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু হতে যাচ্ছে।
১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বিএনপির লিয়াঁজো কমিটির বৈঠক শেষে নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, আমাদের একটি জোটের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বাকি জোট ও যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচনের জন্য আন্দোলন করার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। কারণ, আমরাই তো সরকারকে সমর্থন দিয়েছি। তিনি বলেন, 'আমরা মূলত সরকারের কাছে ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি। নির্বাচনের জন্য যা যা প্রস্তুতি প্রয়োজন- তা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে আমরা মনে করি। ফ্যাসিবাদের সঙ্গে যারা যারা জড়িত তাদের বিচার করা ও যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিচার সম্পন্ন করার কথা বলেছি।' ১২ দলীয় জোটেও বিএনপির সাথে সহমত হয়েছে!
দেশের প্রচলিত শ্রম আইনে যৌনকর্মী ও গৃহকর্মীদের শ্রমিক হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের সুপারিশ করেছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। সুপারিশগুলোর মধ্যে আছে–সংসদীয় আসন সংখ্যা ৬০০-তে বৃদ্ধি করা, যেখানে প্রতিটি নির্বাচনি এলাকায় একটি সাধারণ আসন এবং নারীদের জন্য একটি সংরক্ষিত আসন থাকবে। উভয় আসনে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন হবে। এই সুপারিশ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মনে করে কমিশন। উচ্চকক্ষ করার সিদ্ধান্ত হলে ৫০ শতাংশ আসনে প্রত্যেক দল থেকে সমান সংখ্যক নারী ও পুরুষ মনোনীত করা, বাকি ৫০ শতাংশ আসনে নির্দলীয় ভিত্তিতে অন্যান্য গোষ্ঠীর মাঝে ৫টি নারী আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়েছে।
এনসিপি নেতা আরিফ সোহেল লিখেন, ‘আওয়ামী লীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ করতে হবে কিন্তু শুধু নিষিদ্ধের দাবি তোলাটা যথেষ্ঠ নয়। কেন যথেষ্ট নয় সেই শিক্ষা আমাদের হাড়ে হাড়ে হয়েছে। কিভাবে? নির্বাহী আদেশে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করার পরে।’ তিনি বলেন, পুলিশ দুএকটা ধরে, বাকিরা ওপেন সব করছে। ফলত নির্বাহী আদেশ কাগজ ছাড়া কিছুই নয়। আরো বলেন, বরং জুলাই গণহত্যাকারী ছাত্রলীগসহ, আওয়ামী লীগের সব অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিকে প্রধান দাবি করে তুলতে হবে। বিচার হলে লিগ্যালি দলের কারো অস্তিত্ব থাকবে না। সোহেল বলেছেন, বিচার কমপ্লিট না হওয়ার আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের প্রকাশ্য, অপ্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে। এই লেখা শেয়ার করেছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ।
এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, সরকার যে এজেন্ডা-ম্যানডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, বিচার এবং সংস্কার দৃশ্যমান করার মধ্য দিয়ে নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হবে। এটার জন্য যেটুকু সময় পাওয়া প্রয়োজন, সরকার সে সময়টুকু পেতে পারে। কোনোভাবেই কাজ ব্যাতিরেকে সময় পেতে পারে না। সদস্য সচিব বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত সংবিধানের বিষয়ে আলোচনা করেছি৷ বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন, জনপ্রশাসন, দুদক ও পুলিশ সংস্কার কমিশনের মত বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে পারিনি৷ তবে পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন কেন অন্তর্ভুক্ত হয়নি সে বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেছি। এছাড়া সংবিধান পুনর্লিখন ও গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে দলটি।
বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, এখন পর্যন্ত হাসিনার দৃশ্যমান কোনো বিচার হয়নি। আমরা সর্বপ্রথম হাসিনার বিচার দেখতে চাই। তারপর হাসিনার পরিবারের বিচার, গুম-খুন ও দুঃশাসনের বিচার আমরা দেখতে চাই। দেশে সংস্কারও হবে, নির্বাচনও হবে। এ প্রক্রিয়া না থাকলে গণতন্ত্রের ভিত শক্ত হবে না। তিনি বলেন, যতদিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের শক্ত ভিত না থাকবে, ততদিন ফ্যাসিবাদী শক্তি জনগণকে শোষণ করবে। দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ ধ্বংস হয়ে যাক, এই কর্তৃত্ববাদ ধ্বংস হয়ে যাক; এটাই আমাদের আগামী দিনের স্লোগান।
এনসিপি'র সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছিল। এর মূলে ছিল বিলাসবহুল অফিস ও বন্দর কমিটিতে নাম থাকা। এ নিয়ে হান্নান মাসউদ লেখেন, ‘জাস্ট দুইটা বিষয় ক্লিয়ার করি। যে অফিসে বসে ছবি তুলেছি ওটা আমার অফিস না, জাতীয় নাগরিক পার্টির অস্থায়ী অফিস। আর বন্দরে জাতীয় নাগরিক পার্টির শ্রমিক উইংয়ের যে শ্রমিক কমিটি হয়েছে সে কমিটির আমি উপদেষ্টা, বন্দর অথরিটির উপদেষ্টা না।’
জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ কর্মকর্তা অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া ও প্রতারণার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হাফিজা আক্তার ঝুমুর। তিনি বলেন, অহিদুল ইসলাম দুর্জয়ের সঙ্গে ২০২০ সালে কোডেক এনজিওতে চাকরি করার সুবাদে তার সঙ্গে পরিচয় হয়। সেই সময় তিনি অনেক আপত্তিকর ছবি তুলে রাখেন। সেগুলো আমার স্বামীসহ আত্মীয়-স্বজনের কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিয়ের কথা বলে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। চাকরি ও ব্যবসাসহ বিভিন্ন অজুহাতে তার কাছ থেকে নগদ টাকাও নেন। মাঠ কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি হলে আমি পাওনা টাকা চাই। সেই সময় আমাকে একটা ২০ লাখ টাকার চেক দেন অহিদুল ইসলাম দুর্জয়। যা ছিল ভুয়া। এই মামলায় ওহিদুল এখন কারাগারে।
জামায়াত সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, তিনটি প্রহসনের নির্বাচনের নামে একদলীয় শাসন কায়েম করে রাজনীতিকে অকার্যকর করে দিয়েছিল আওয়ামী লীগ। জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসান ঘটিয়েছে। আরও বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে যে রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে, তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সকল দেশপ্রেমিক শক্তিকে এগিয়ে আসতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনই এখন জাতির অগ্রাধিকার।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘যে সুপারিশগুলো দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য সেটা যেন আমাদের মাধ্যমে হয়ে যায়। পৃথিবীর মেয়েরা এটার দিকে তাকিয়ে আছে। তারা এটা নিয়ে পর্যালোচনা করবে। তিনি বলেন, এটা শুধু নারীদের বিষয় নয় সার্বিক বিষয়। এই প্রতিবেদন ছাপিয়ে বিলি করা হবে। এটা পাঠ্যবইয়ের মতো বই আকারে ছাপা হবে। দলিল হিসেবে অফিসে রেখে দিলে হবে না, মানুষের কাছে উন্মুক্ত করে দিতে হবে। নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের এই প্রস্তাবগুলো জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছেও নিয়ে যাওয়া হবে। কমিশনের প্রধান শিরীন পারভিন হক বলেন, সুপারিশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। কিছু এ সরকারই করে যেতে পারবে, কিছু পরের নির্বাচিত সরকার করতে পারবে এবং নারী আন্দোলনের আশা-আকাঙক্ষা আলাদা করে তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন তুলে দেন।
তুরাগ থানায় এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তির সঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর আলাপচারিতার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা গেছে, উপদেষ্টা থানায় উপস্থিত হয়ে বৃদ্ধ ব্যক্তির কাছে জানতে চান, ‘আপনার বিরুদ্ধে কে মামলা করেছে?’ উত্তরে ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমার স্ত্রী’। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানতে চান, স্ত্রী কিসের মামলা করেছেন? বৃদ্ধ লোকটি বলেন, নারী নির্যাতনের মামলা। বৃদ্ধ ব্যক্তি জানান, তার প্রথম দুই স্ত্রী মারা যান। এরপর যে নারীকে বিয়ে করেন, তার সঙ্গে ডিভোর্স হয়। পরে আবার বিয়ে করেন। এখন যিনি মামলা করেছেন, তিনি আগের সেই স্ত্রী এবং তার করা মামলা মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের নিজস্ব আত্মপরিচয়ে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব শিখিয়ে গেছেন শহীদ জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দিয়ে সুসংগঠিত করেছেন। বিএনপি জনগণের পক্ষের দল। এ দল নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র চলবে না। তিনি বলেন, সরকারের কিছু উপদেষ্টা সংস্কার নিয়ে কথা বলছেন। সংসদে বসে বসে সংস্কার করে তা সংশোধন করা হয়েছে। তাহলে কেন এত সংস্কারের কথা বলছেন? যে দল নির্বাচিত হবে, সে দল বাকি সংস্কার করবে। সংসদে আলোচনার মধ্যে সংস্কার হয়। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার ৮ মাস হয়ে গেছে। যদি ডিসেম্বরের সরকার সংসদ নির্বাচন দেয়, তাহলে ৮ মাসের মতো বাকি আছে। তাহলে সংস্কার করতে আর কত সময় লাগতে পারে? বর্তমানে যেটাই সংস্কার করুক, সেটা পরবর্তী সংসদে পাস করতে হবে। এই সময় তিনি ভারত ও আওয়ামী লীগের বাংলাদেশবিরোধী সম্পর্ক নিয়েও সমালোচনা করেন।
প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোত্তম নির্বাচন হবে। এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস এর একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতে আরো বলেন, এ নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক। এটি দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ পেয়ে প্রতিনিধিদল কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এবং স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।