নির্ধারিত সময়ের আগেই সাম্য হত্যার ঘটনায় টিএসসি সংলগ্ন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। ভেকু মেশিন ভাসমান সব দোকান গুড়িয়ে দেয় এবং অবশিষ্ট অংশগুলো এক এক করে ট্রাকের মধ্যে ফেলে। এই অবস্থায় তড়িঘড়ি করে ব্যবসায়ীরা তাদের জিনিসপত্র যতটা সম্ভব সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে অনেকেই তাদের জিনিসপত্র সরানোর সময় পাননি। ওসি খালিদ মনসুর বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতরের সব অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। এসব অবৈধ স্থাপনায় মাদক কেনাবেচা হয় এবং মাদক সেবন হয়। তাই আমরা রাজউক থেকে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে আসি এবং তার নেতৃত্বে এই উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে।
মণিপুরের চান্দেল জেলায় আধা সামরিক বাহিনী আসাম রাইফেলস- এর অভিযানে ১০ স্বাধীনতাকামী নিহত হয়েছেন। বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করা হয়েছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ড বলেছে, ‘সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের চান্দেল জেলার খেংজয় উপজেলার নিউ সামতাল গ্রামে অভিযান চালানো হচ্ছে। অভিযানে এ পর্যন্ত ১০ জন বিচ্ছিন্নতাবাদী নিহত হয়েছে। লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান চলবে।
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সাথে আলোচনার শুরুতে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে আমরা একটি জাতীয় সনদে প্রতিফলিত করতে চাই। ভবিষ্যতে প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দল এই সনদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করবে। আলী রীয়াজ বলেন, ঐকমত্য কমিশনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশাকে ধারণ করে। চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে আকাঙ্ক্ষার স্ফুরণ ঘটেছে তার একটি সুনির্দিষ্ট রূপ দিতে চায় কমিশন। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ যেমন প্রকাশ হয়েছে, তেমনি তাদের প্রত্যাশাকেও প্রকাশ করেছে। বার বার ফ্যাসিবাদের উত্থান হোক তা দেশের মানুষ চায় না। আমরা এমন একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে সকলের সমানাধিকার থাকবে, নাগরিকের অধিকার সুনিশ্চিত হবে এবং ভিন্নমতাদর্শের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থাকবে।
উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের দিকে বোতল ছুড়ে মারা জবি শিক্ষার্থী হুসাইন বলেছেন, ‘আমি বোতলটি আকাশের দিকে ছুড়ে মারি। আমার কাউকে আহত-নিহত কিংবা অপমান করার উদ্দেশ্য ছিল না। সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে গিয়েছি। পুরো ঘটনাটি ছিল অনাকাঙ্ক্ষিত।’ তিনি বলেন, ‘আমার ব্যাপারে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে। আমি কোনো সংগঠনের সাথে যুক্ত না। আমি সেখানে অর্থনীতি ১৯ ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থীদের সাথে যাই। জুলাইয়ে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার ছবি থাকায় পুলিশ আমাকে মারে। এখন আমাকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা।’ হুসাইন বলেন, ‘আমি পড়াশোনায় পাশাপাশি চাকরি করি। পার্ট টাইম জব, টিউশন করে চলি। আমার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দলে সময় দেওয়া সম্ভব না।’ আরও জানান, বুধবার ঘটনার পর বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন দিয়ে হুমকি দিচ্ছে। ক্যাম্পাসে গেলে মব দিয়ে হেনস্থা করা হবে বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ৫ আগস্টের পর দেশে ২৬৬ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হলেও এসব মামলার বিষয়ে সরকার দায়ী নয়। তিনি বলেন, মিথ্যা ও ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার হলেও প্রতিবাদ করতে গেলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের অভিযোগ করা হয়। গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চায় সরকার। আরো বলেন, গণমাধ্যমগুলোকে বিগত সময় করা ভুলগুলো সাহসের সঙ্গে স্বীকার করে জনগণের কাতারে এসে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করতে হবে। নিরাপদ সাংবাদিকতার নিশ্চয়তা দেয়া সরকারের দায়িত্ব। প্রেস সচিব বলেন, ব্যক্তিগত মতাদর্শের প্রতিফলন নয়, সাংবাদিকতা হওয়া উচিত তথ্যনির্ভর। স্বচ্ছতা ও যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে দ্রুত সাংবাদিকদের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।
উমামা ফাতেমা লিখেছেন, ‘প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন ছাত্ররা তথ্য দিল, তারা পুলিশকে বন্দুকে বুলেট লোড করতে দেখেছে। ছাত্ররা আতংকিত, হেয়ার রোডে ৫ জন শিক্ষক কথা বলতে গিয়েছিল, তারাও বের হয়ে আসছে। আমি ছাত্র-শিক্ষকের নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত শঙ্কিত।’ উমামা লিখেছেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের গায়ে যাতে একটা টোকাও না লাগে। মাহফুজ আলম ভাইয়ের গায়ে বোতল ছুঁড়ে মারার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা এই কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা হোক।’ উমামা লিখেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন অত্যন্ত যৌক্তিক।আপনারা অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব হিসেবে ছাত্রদের দাবিগুলো মেনে নিন। আপনারা সরকারে থাকা অবস্থায় কোনোভাবেই জগন্নাথের ছাত্রদের গায়ে একটা টোকাও যাতে না লাগে।’
তিনদফা দাবিতে আজও সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে আন্দোলন করছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন বেগবান করতে ক্যাম্পাস থেকে বাসে করে কাকরাইল মোড়ে আসছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এখন পর্যন্ত ২৫টি বাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছেন। এসব বাসে প্রায় কয়েক হাজার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী অংশ নেন। আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনের সড়ক ও কাকরাইল মসজিদ সংলগ্ন এলাকা।
ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যার দিকে হিলর খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়নের ঘাসুড়িয়া সীমান্তের ৪০০ গজ বাংলাদেশ অভ্যন্তরে ধানখেতে ওই গ্রামের কৃষক প্রফুল্ল টপ্প কাজ করছিলেন। এসময় ধানখেতে পড়ে থাকা অবস্থায় একটি ড্রোন ক্যামেরা পেয়ে সেটি তার বাড়িতে নিয়ে যান। পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ ও বিজিবির একটি টহল দল তার বাড়িতে যায়। ওই ড্রোন ক্যামেরাটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। ধারণা করা হচ্ছে এটি বিএসএফের।
শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান এবং প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমেদের পদত্যাগ দাবি করেছে ছাত্রদল। পদত্যাগ ও বিচারের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনে সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এসময় কালো ব্যাজ ধারণ করেন। কর্মসূচিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ছাড়াও ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা মহিলা কলেজ ও ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন।
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো নগর ভবনের প্রধান ফটকসহ বিভিন্ন গেইট অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করছেন তার সমর্থকরা। এর ফলে সকাল থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নগর ভবনে ঢুকতে পারছেন না। বিভিন্ন সেবা নিতে আসা নাগরিকরাও ভোগান্তিতে পড়ছেন। নেতাকর্মীরা বলেছেন, ইশরাকের শপথ নিয়ে নানা টালবাহানা করা হচ্ছে। আদালতের রায় ও নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের পরও দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে না। বুঝিয়ে না দেওয়ায় আমাদের লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি চলছে।
ভারতের উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের সাত জেলায় অভিযান চালিয়ে মুলসমানদের ২৮০টি ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে ২২৫টি মাদ্রাসা, ৩০টি মসজিদ, ২৫টি মাজার এবং ছয়টি ঈদগাহ। ভারতের কেন্দ্র ও উত্তরপ্রদেশ রাজ্য সরকারে আসীন বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনাগুলো কথিত ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ‘প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে!
আগামী ১ জুন থেকে ঢাকা জুড়ে খাল, লেক, উন্মুক্ত স্থান ও মাঠে উন্নয়ন ও বৃক্ষরোপণ কাজ শুরু হচ্ছে। ল্যান্ডস্ক্যাপ আর্কিটেক সম্পন্ন হয়েছে। উদ্যোগগুলোকে সফল করতে আমরা সকল অংশীদারদের পাশে থাকতে চাই বলে জানান ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। প্রশাসক বলেন, আগে খাল খনন করতে ১০০ কোটি টাকার বেশি খরচ করা হতো কিন্তু দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন দেখতে পেতাম না। আমরা ১০০ কিলোমিটার খাল পরিষ্কার করতে খরচ হচ্ছে ১০ কোটি টাকারও কম। আরো বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ঢাকা শহরের ৩৩টি খালাকে রক্ষণাবেক্ষণ ও দুইপাড়ে গাছ লাগিয়ে সবুজায়ন করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের দায়িত্ব দিয়েছি। প্রতি এক কিলোমিটার খালের পাড়ে গাছ লাগানো ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একজন করে মালী নিয়োগ দিচ্ছি। PLEASE প্রজেক্ট থেকে প্রাপ্ত ভাসমান বর্জ্যের শ্রেণীবিন্যাস করতে পারলে বর্জ্য উৎপাদনকারীদের কাছে উপস্থাপন করা যেতো।
জীবন বাজি রেখে গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া রাকিব ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে সরকারি স্বীকৃতি পাননি। গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও তার নাম সরকারি গেজেটভুক্ত হয়নি। রাকিবের বাড়ি মানিকগঞ্জের কান্দাপাড়া গ্রামে। তিনি ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের কারিগরি বিভাগের ছাত্র। পড়াশুনার পাশাপাশি সাভারে কলকারখানায় কাজ করে সংসার চালান। গত ৫ আগস্ট রাকিব ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। ওইদিন সকাল ১০টায় সাভার মডেল থানার সামনে গেলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গের চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ রাকিবের মাথায় রাইফেল দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। তখন তার ‘পায়ে রাইফেল ঠেকিয়ে গুলি করে পুলিশ’। অভিযোগ, কাগজপত্র জমা দিলেও তদন্তে বাদ পড়েছে বলা হয়!
জবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে পানির বোতল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। বোতল নিক্ষেপকারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা না গেলেও পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গ্রুপে ভিডিও দেখে তাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। ওই যুবকের নাম ইশতিয়াক হোসেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ১৯তম ব্যাচের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী তিনি। প্রক্টর মো. তাজাম্মুল বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থী অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের। আমাদের এখন মূল কাজ হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিদাওয়া আদায়। ওই শিক্ষার্থীর এসব বিষয়ে এখন মাথা ঘামানোর সময় নেই।’
উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, আমাদের নিজস্ব মন্ত্রণালয়ের দাপ্তরিক দায়িত্ব ছাড়াও অতিরিক্ত অনেক দায়িত্ব নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরও, ছাত্রদের যে কোনো সমস্যা, আন্দোলনের সমাধান কিংবা যৌক্তিক দাবি আদায়ে সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করি। অন্য মন্ত্রণালয়ের বিষয়েও মাঝে মাঝে সেতুবন্ধনের ভূমিকা পালন করি এবং সমঝোতার চেষ্টা করি। উপদেষ্টা লেখেন, আজকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বিষয়টিও আমার অফিসিয়াল দায়িত্বের আওতায় পড়ে না। কিন্তু দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে উদ্যোগ নিয়েছি। আরও লেখেন, কয়েক ঘণ্টা আগে মাহফুজ ভাইয়ের সঙ্গে যা ঘটল, তাতে হতাশ হয়েছি। ভাই তো চাইলেই পারতেন, ‘এটা আমার মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়’ বলে এড়িয়ে যেতে। উল্লেখ্য, গতকাল মাহফুজ আলমকে আন্দোলনকারীদের সাথে কথা বলার সময় হেনস্থা করা।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।