নীলফামারীর ডিমলা শহিদ মিনার চত্বরে এক পথসভায় এনসিপি নেতা সারজিস আলম বলেছেন, আমরা দেখেছি পুলিশ টাকা ছাড়া কাজ করে না। গত ১৭ বছরে ডিমলার রাস্তাঘাটের কোনো উন্নয়ন হয়নি, লুটপাট করা হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং সময় বিবেচনায় একাধিক শক্তিশালী রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন। এটি থাকলে দলগুলোর মধ্যে ভালো কাজ করার প্রতিযোগিতা শুরু হবে। যদি না থাকে তখন জনগণের হাতে অপশন কম থাকে। একবার একজন পরে আরেকজন ঘুরে ফিরে আসে। আরো বলেন, আমরা মনোনয়নের কালচার দেখেছি, মার্কার কালচার দেখেছি। যখন ক্ষমতাসীন দলে একটি মার্কা পায় প্রশাসন তাকে জোর করে জিতিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে। নির্বাচনের আগে গণহত্যার বিচার করতে হবে উল্লেখ করে সারজিস বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন করতে হবে। আমরা নির্বাচন চাই তবে সেটা স্থানীয় সরকার নির্বাচন।
গণঅভ্যুত্থানে নিহত নোয়াখালীর সেনবাগের যুবক শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওনের লাশ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। পরে লাশটির ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালীতে মর্গে পাঠানো হয়। শাওন খাজুরিয়া সর্দার পাড়ার বাছির আলমের ছেলে। যাত্রাবাড়ীর একটি মাদ্রাসায় পড়তেন তিনি। গত ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে গুলিতে প্রাণ হারান শাওন। শাওনের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে, এটা সবাই জানে। ঘটনাটি তদন্ত করলে সঠিক কারণ বেরিয়ে আসবে। আমার ছেলের হত্যায় যারা জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, সব কিছুতে ব্যক্তি স্বার্থ, দলের স্বার্থ টানবেন না। আমরা বাংলাদেশকে বর্বর মায়াহীন দেশে পরিণত করতে চাই না। তিনি বলেন, গারো পাহাড়ে হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে ধৈর্য আর ব্যবহারের পরিবর্তন আনতে হবে সবার আগে। কারণ পাহাড়ে মানুষের আগে হাতির বসবাস। বন ও হাতির ক্ষতি করলে আমরা বাঁচতে পারব না। আরো বলেন, ইউক্যালিপটাস, আকাশমণি গাছ লাগিয়ে গারো পাহাড়ের পরিবেশ নষ্ট করেছে বনবিভাগ। তিনি এসব গাছ নিধন করে হাতির পরিবেশ উপযোগী গাছ রোপণ করার নির্দেশ দেন!
তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা কমিশনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন। মাহফুজ আলম বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ সর্বোচ্চ ধর্মীয় স্বাধীনতা ভোগ করছেন। বর্তমান বাংলাদেশে ধর্মীয় কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে না। সব ধর্মের মানুষ সমান অধিকার ভোগ করছেন। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব পালনে সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তিনি জানান, গত কয়েক মাসে দেশে কোনো সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে বলে একটি মহল সবসময় অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। মাহফুজ বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ কেউ নিজেদের আওয়ামী লীগের সহযোগী মনে করছেন এবং এখনো আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। এটি খুবই দুঃখজনক।
এনসিপি নেতা আব্দুল হান্নান মাসউদ লেখেন, ‘আজ সচিবালয়, এনবিআর কিংবা পোর্টে যারা স্ট্রাইক করছেন, তাদের বলছি, বিপ্লব ওখানেও হবে। আপনারা দুর্নীতি আর লুটপাটের স্বাধীনতা চাচ্ছেন, কিন্তু চব্বিশ-পরবর্তী সময়ে এটা আর পাবেন না। তিনি লেখেন, হাসিনার পুরো শাসনামলের প্রতিটি গুম, খুন, দুর্নীতি, অর্থ পাচার—সবকিছুর সহযোগী আপনারা। ভাববেন না, পার পেয়ে গেছেন। পুনশ্চ বলছি, পার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকারের উচিত অবিলম্বে এসব দুর্নীতিগ্রস্তদের অপসারণ করে, নিরপেক্ষ কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্টের মধ্যে অবসরে যাওয়া পদোন্নতি বঞ্চিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। ১৬ জুনের মধ্যে নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, তবে যারা আগে আবেদন জমা দিয়েছেন, তাদের পুনরায় আবেদন করার প্রয়োজন নেই। এর আগে প্রশাসন ক্যাডারের ৭৬৪ জন কর্মকর্তাকে এমন সুবিধা দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডার ছাড়া যেসব ক্যাডারে তৃতীয় গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদ রয়েছে তারা আবেদন করতে পারবেন না।
এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানকে বৃহস্পতিবারের (২৯ মে) মধ্যে অপসারণ করার দাবি জানিয়েছে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ। পরিষদ নেতারা বলেন, তিনদিনের মধ্যে তাকে অপসারণ করতে হবে। তার প্রতি বিশ্বাস ও আস্থার চরম সংকট তৈরি হওয়ায় এই দাবি করা হয়েছে। এর আগে ১২ মে রাতে এনবিআর ভাগ করে ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে এনবিআর বিলুপ্ত করার অধ্যাদেশ বাতিল করার দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছে তারা।
ইশরাক হোসেনকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায় ও ইসি'র গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে লিভ টু আপিল করা হয়েছে। লিভ টু আপিলকারীর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আজ বা আগামীকাল চেম্বার আদালতে শুনানি হতে পারে। এর আগে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায় এবং ইসির গেজেটের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা রিট সরাসরি খারিজ করে ২২ মে আদেশ দেন হাইকোর্ট।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ফেসবুকে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া দৃশ্যমান করার দাবি আছে সমাজে। এটি দৃশ্যমান করা হয়েছিল আট মাস আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে। তিনি জানান, তদন্তকারী অফিস ও প্রসিকিউশন অফিস পুনর্গঠন করা হয়েছে। তদন্তকারী দল কয়েকটি মামলার তদন্ত শেষ করেছে। প্রসিকিউশন টিম পরীক্ষা নিরীক্ষা করে একটি মামলার ফরমাল চার্জ গঠন করেছে। রোববার এটি ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়ার পর তা আমলে নেওয়া হয়েছে। আরো লেখেন, এর মাধ্যমে একটি বিচার প্রক্রিয়ার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রধান আসামি হিসেবে শেখ হাসিনার মামলার বিচারের শুনানি পর্ব শুরু হচ্ছে অচিরেই। ইনশাল্লাহ্, অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলেই এ বিচারের রায় পেয়ে যাবো আমরা। গণহত্যার বিচার, আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার।
ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে টানা তেরো দিনের মতো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবনের সামনে আজও অবস্থান কর্মসূচি চলছে। নগর ভবনে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের নাগরিক সেবা। ভোগান্তিতে পড়েছেন নগরবাসী। সরেজমিনে দেখা যায়, নগর ভবনের ফটকগুলোয় এখনো তালা ঝুলছে। ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন’ ও ‘ঢাকাবাসী’র ব্যানারে ইশরাকের সমর্থকেরা নগর ভবনের ভেতরের ফটকে অবস্থান নিয়েছেন।
এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ দৌলা বলেন, সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, তা সত্য নয়। সেনাবাহিনী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি। বন্দর করিডোর প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনো বিষয়ে সেনাবাহিনী কখনোই সম্পৃক্ত হবে না। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না। প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করবে—এমন গুজবের কোনো ভিত্তি নেই। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, এ বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরেও কোনো আলোচনা হয়নি।
গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নোটিশ জারি করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগামী ৩ জুন সকাল ১০টায় ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ২২৭ জনকে হত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি- এমন একটি অডিও বক্তব্যের ফরেনসিক বিশ্লেষণে এটি শেখ হাসিনার কণ্ঠ বলে প্রমাণ পেয়েছে আইসিটি'র তদন্ত সংস্থা। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে দুটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম লিখেছেন, ‘শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রায় ১৫ বছর ধরে,আ'লীগ ও সমর্থকরা আমাকে নানা ধরণের তকমা দিয়েছিল। কিন্ত এখন একটি নতুন গ্রুপ আমাকে বিশ্বাসঘাতক বলে অভিহিত করতে শুরু করে। কারণ আমার বেশ কয়েকটি প্রেস মন্তব্যে তারা ক্ষুব্ধ।’ তিনি লিখেছেন, ‘সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে, একটি পুরোনো দলের সদস্যদের কাছ থেকে সবচেয়ে কঠোর বার্তা এসেছে - যাদের অনেকেই শেখ হাসিনার আমলে আমার ফেসবুক বন্ধু এবং কমরেড ছিলেন। এখন তারা বিরক্ত, আমার বিরুদ্ধে অহংকার ও এবং ধৃষ্টতা দেখানোর অভিযোগ এনেছে।’ আরও লিখেছেন, ‘তবুও আমি এখানে আছি, জীবনের প্রতিটি ঘণ্টা গণনা করছি যা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। জীবন সুন্দর। আমি আশা করি যখন আমি অবসর মুহূর্ত খুঁজে পাব এবং যদি বেঁচে থাকি, তবে এই অস্থির সময় সম্পর্কে লিখব। যদি না হয়, তবে কোনও অনুশোচনা নেই।'
অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, অপ্রয়োজনীয় এবং অতিরিক্ত খরুচে প্রকল্প বাদ দিয়ে জনভিত্তিক উন্নয়ন দরকার। অতীতে অনেক অপ্রয়োজনীয় ও অতিরিক্ত খরুচে প্রকল্প হাতে নেওয়া হতো। মানুষের জন্য এমন প্রকল্পই গ্রহণ করা দরকার, যাতে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। তিনি বলেন, উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নীতি-নৈতিকতা ও স্বচ্ছতাকে অনেক বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে, যারা অযোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কাজ পেয়ে যায়, প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যায় না। আরও বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছ অডিটের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু সংখ্যার ভিত্তিতে বিবেচনা করা প্রয়োজন এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রকল্প হাতে নিতে হবে। তবেই আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে।
গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে ভারত গেলেও রেখে যান দলের শীর্ষ নেতাকর্মীদেরকেও। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওবায়দুল কাদের জানান, আমি বাংলাদেশেই ছিলাম তিন মাসের মতো। আমার একটা উদ্দেশ্য ছিল-ওখান থেকে কিছু করা যায় কিনা। বিভিন্ন জায়গায় শ্রমিক অসন্তোষ, কর্মচারীদের অসন্তোষ। ক্ষোভগুলো তখন রাস্তায় নেমে আসছিল। বিশেষ করে গার্মেন্টস। সে সময় ভাবলাম-এদের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছু করা যায় কিনা। কাদের বলেন, ‘এরপর একে একে সবাই অ্যারেস্ট হচ্ছি। আমি তো নেত্রীর পরের, তখনই ২১২টা খুনের মামলায় আমি আসামি হয়ে গেছি।' এরপর গ্রেফতারের ভয় দেশ ছেড়েছেন বলে জানান তিনি। আরো জানান, নিজ বাসভবন থেকে পাঁচ আগস্ট আশ্রয় নিয়েছিলেন পার্শবর্তী বাসার বাথরুমে। সেখানেও ছাত্রজনতা চলে যায়। প্রথম ক্ষোভ দেখালেও পরে সেলফি তুলে তাকে সেফ এক্সিট দেওয়া হয়!
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।