ইরান আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে নজরদারি ক্যামেরা বসানো নিষিদ্ধ করেছে। ইসরায়েলি নথি থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পার্লামেন্টের ভাইস স্পিকার হামিদ রেজা হাজি বাবাই মার্কিন নেতৃত্বাধীন শত্রুতার বিরুদ্ধে দেশের দৃঢ়তা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, এই বিরোধিতা শুধুমাত্র পারমাণবিক কর্মসূচির বিরুদ্ধে নয়, বরং ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে।
শেখ হাসিনাকে একজন ‘কুৎসিত স্বৈরাচার’ আখ্যা দিয়ে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ আর কখনো সুস্থ ন্যারেটিভ নিয়ে মানুষের সামনে ফিরে আসতে পারবে না। গত ১৫ বছর তারা যে নৃশংস অত্যাচার-নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে তা ক্ষমার কোনো সুযোগ নেই। এ কারণেই আওয়ামী লীগের পৃষ্ঠপোষকতা করতে চাইলে তাদের গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’ মান্না বলেন, আওয়ামী লীগ জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণে যোগ্যতা হারাবে বলে মনে হচ্ছে। কারণ শেখ হাসিনাসহ তার অনুসারীরা বিচারে শাস্তি হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। আরো বলেন, অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব তরুণরাও দল করেছে। তাদের প্রতি সবার সহানুভূতি আছে। কিন্তু তারা এখনো সবার কাছে যেতে পারেনি। অসংলগ্নতা দেখা যাচ্ছে। তাদের কথায় ও কাজে আরও ঐক্যবদ্ধ ও পরিণত হতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২৭ জুন হোয়াইট হাউসে বলেছেন, তিনি উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়াতে চান না এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। তিনি সম্ভাব্য সংঘাত শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি, ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন যে গাজায় শিগগিরই যুদ্ধবিরতি হতে পারে, তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সম্প্রতি কথা বলেছেন এবং আগামী সপ্তাহের মধ্যেই একটি যুদ্ধবিরতি আশা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রক্ষণশীল বিচারকরা ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পক্ষে রায় দিয়েছেন, যা অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করার উদ্যোগ। আদালত সরাসরি নাগরিকত্ব বিষয়ে রায় না দিলেও, প্রেসিডেন্টের নির্বাহী ক্ষমতার ওপর জোর দিয়েছে। এই রায় নীচু আদালতগুলোকে ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ আটকে দেওয়ার ক্ষমতা সীমিত করেছে এবং ট্রাম্পকে তার এজেন্ডা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্ত বিতর্কিত এবং ভবিষ্যতে আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
টাকা ছাপিয়ে দুর্বল ১২ ব্যাংককে প্রায় ৫৩ হাজার কোটি টাকা ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে এ পর্যন্ত গ্যারান্টি ও বিশেষ সুবিধার আওতায় এসব ঋণসহায়তা দেওয়া হয়। তবুও ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না ব্যাংকগুলো। যদিও দুর্বল ব্যাংককে আর টাকা ছাপিয়ে সহায়তা দেওয়া হবে না, দায়িত্ব নেওয়ার পর একাধিকবার বলেছিলেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর! জানা গেছে, ঈদের দুই কার্য দিবস আগেও পাঁচ ব্যাংককে ধার দেওয়া হয়েছে ৩০০০ কোটি টাকা। তীব্র তারল্য সংকটে থাকা ব্যাংককে ডিপি নোটের বিপরীতে ১০ শতাংশ সুদে ৯০ দিনের জন্য টাকা ছাপিয়ে পাঁচ ব্যাংককে এই ধার দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
জামায়াত আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে সরকার ঘোষিত সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের ব্যাপারে আমাদের সমর্থন রয়েছে। তবে এর আগে নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতা যাছাইয়ের জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন একটি কার্যকর উদ্যোগ। জনপ্রতিনিধি না থাকায় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, ইসলামী আন্দোলনের ইতিহাস, ত্যাগ ও কুরবানির ইতিহাস। আমাদের ওপর সীমাহীন জুলুম-নিপীড়ন চালানো হয়েছে। শীর্ষ নেতাদের অন্যায়ভাবে ফাঁসি দিয়ে ও কারাগারে আটকে রেখে শহীদ করা হয়েছে। কিন্তু আমরা সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল ছিলাম। আরো বলেন, জুলাই ও আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণাকে কোনোভাবেই মুছে দেওয়া যাবে না। দেশপ্রেমিক জনতাকে ঐক্যবদ্ধ করে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র বিনির্মাণে এগিয়ে যেতে হবে।
বিএনপি নেতা আমির খসরু বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় গেলে ১৮ মাসে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান করা হবে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে। ন্যূনতম এসএসসি পাস তরুণ-যুবকদের আইটি খাতে চাকরি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ব্যবসাকে রাজনীতির বাইরে রাখতে হবে, ফ্যাসিস্টমুক্ত করতে হবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নে বিএনপি সরকার কাজ করবে। যারা কৃষিতে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, তাদের সে সুযোগ তৈরি করে দেওয়া হবে। কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েও বিএনপি কাজ করবে। আরো বলেন, বাংলাদেশে অর্থনীতি নিয়ে যে সৃজনশীলতা ছিল তা গেল ১৭ বছরে ধ্বংস করা হয়েছে। আগের মতো রাজনীতি করলে আর হবে না, বাংলাদেশের মানুষের মনমানসিকতা পরিবর্তন হয়েছে।
ফটিকছড়িতে ফেসবুক লাইভে রক্তমাখা ছুরি দেখিয়ে প্রধান উপদেষ্টা, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অপরাধে মো. আলমগীর হোসেন (৪৮) নামের এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে আলমগীর ফেসবুক লাইভে এসে হত্যার হুমকি দেন। এ ছাড়া এ সময় তাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করতেও দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিও জানান অনেকে।
মার্চ মাসে যখন গাজায় যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল এবং বহু জিম্মি মুক্তি পেয়েছিল, তখন নেতানিয়াহু যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্ত অনেকেই ‘রাজনৈতিক আত্মহত্যা’ বলেছেন। খবর বিবিসির! এক জরিপে উঠে এসেছে, ৫৯% ইসরায়েলি চান গাজায় যুদ্ধ এখনই বন্ধ হোক এবং জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে শান্তি ফিরুক। এছাড়া ৪৯% উত্তরদাতা মনে করেন, নেতানিয়াহু শুধু নিজের রাজনৈতিক স্বার্থেই যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। জরিপে দেখা গেছে, ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের যুদ্ধ নেতানিয়াহুর জনপ্রিয়তায় বড় কোনো উত্থান আনতে পারেনি। তার দল লিকুদ পার্টি এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না, বরং ছোট দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠন করাও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেতানিয়াহু আস্থা সংকটে, জনগণ তাকে বিশ্বাস করে না।
আর্মেনিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মেহেদি সোবহানি জানান, ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের সময় ইরানে ব্যবহৃত কিছু ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাইক্রো এয়ার ভেহিকল প্রতিবেশী দেশগুলোর ভূখণ্ড থেকে ইরানে প্রবেশ করেছে বলে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণেই আমাদের প্রেসিডেন্ট আজারবাইজানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তের অনুরোধ করেছেন। সোবহানি বলেন, তদন্তের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছি। সেগুলো স্পষ্ট হলে আমরা প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া জানাব। আরো বলেন, আজারবাইজান আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে, তারা কখনোই তাদের ভূখণ্ডকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেবে না। সবশেষে বলেন, ইসরায়েলি শাসকগোষ্ঠী কোনো আইন মেনে চলে না। তাদের দ্বারা যে কোনো ধরনের অপব্যবহার সম্ভব!
উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বিদেশ থেকে গুড়া দুধ আমদানি করা লজ্জার। আমরা যেই টাকা দিয়ে গুড়া দুধ আমদানি করি সেই টাকা দিয়ে অনেকগুলো চিলিং সেন্টার করতে পারি। কেন আমরা সেই চিলিং সেন্টার করছি না। এটা আমরা সরকারিভাবে করার চেষ্টা করব। পাশাপাশি বেসরকারি খাতেও আমরা উৎসাহ দেব যাতে তারা সেটা করে।’ তিনি বলেন, মাংস রপ্তানি করার জন্য ক্ষুরা রোগের টিকা দেওয়া হচ্ছে বিষয়টা এমন নয়। কোনো রোগেই যেন প্রাণীর কষ্ট না হয় এ জন্যই আমরা ভ্যাকসিনটা দেব। আরো বলেন, যে সব দেশ থেকে আমরা মাংস আমদানি করি ওই সকল দেশে প্রাণীর দুরারোগ্য রোগ নির্মূল করা হচ্ছে। আমরা চাই, প্রাণী সম্পদেরও কোনো রোগ না থাকুক।
শুক্রবার কুমিল্লার মুরাদনগরে ধর্ষণের অভিযোগে এক নারী মামলা করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, সপ্তাহ দুয়েক আগে ওই নারী বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার পর ওই নারীর বাবা-মা বাড়ির বাইরে যান। তখন ফজর আলী নামে এক ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে স্থানীয়রা এসে ফজর আলীকে মারধর করে এবং কেউ কেউ ভিডিও করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়। ভুক্তভোগী বলেন, টাকা ধার নেওয়া নিয়ে ফজর আলীর সঙ্গে তাদের পরিবারের পরিচয় হয়। সেই সূত্রেই ফজর আলী বাড়িতে প্রবেশ করে। ওসি জানান, আসামি পলাতক, ভিডিও করে যারা ছেড়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে স্থানীয় লোকজন ধর্ষককে বিএনপি কর্মী দাবি করলেও বিএনপি নেতারা অস্বীকার করেছেন। এরই মাঝে ধর্ষকের আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশগ্রহণের একাধিক ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ডা. জাহিদ বলেন, দেশের মানুষ এখন নির্বাচনী ট্রেনে উঠেছে। এটিকে ষড়যন্ত্র করে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না। দাবিয়ে রাখার চেষ্টা করলে সে ষড়যন্ত্র স্বার্থক হবে না। তিনি বলেন, এই অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে, অন্যায়ের বিচার করা, সংস্কার সাধন করা, জনগণের অধিকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া। যা করতে গিয়ে ১০ মাস সময় চলে গেছে। আরো বলেন, বিগত ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম জুলাই-আগস্টে গিয়ে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। সবশেষে বলেন, আপনারা দেখেছেন সিইসি নূরুল হুদা, হাবিবুল আউয়াল এখন কী বলছেন। চৌদ্দ, আঠারো এবং চব্বিশসহ সকল নির্বাচন ব্লু-প্রিন্টেড করে নির্বাচন করা হয়েছে। জনগণকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।
সরকারের উদ্দেশে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, ভোট আয়োজন যেমন দায়িত্ব, তেমনি তরুণ প্রজন্মের ওপরও সরকারের দায় আছে। আরাম কেদারায় বসে বড় বড় কথা বলে কাজ করলে হবে না। বিচারিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিচার করতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বুলেটের রেভল্যুশন হয়েছে, সামনে ব্যালটে রেভল্যুশন হবে। আমরা জয়ী হব। আরো বলেন, গত ১৫ বছরে এসএমই খাতে, শেয়ারবাজারে যারা লুণ্ঠন করেছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। পাটওয়ারী বলেন, বিগত সরকার দলের নির্দিষ্ট লোকজনকে আঙুল ফুলে কলাগাছ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। আমরা দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সবার জন্য কাজ করব। আমাদের রক্তের ওপর দিয়ে বাংলাদেশকে আঘাত করতে হবে।
গুমবিষয়ক কমিশন জানিয়েছে, গুমের শিকার ব্যক্তিদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ের লক্ষ্যে প্রায়ই নির্যাতন চালানো হতো, যা তাদের এবং তাদের পরিবারের নাগরিক ও রাজনৈতিক জীবন বিপর্যস্ত করার পাশাপাশি দেশের বিচারব্যবস্থাকেও গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। আরো জানিয়েছে, পূর্ববর্তী মামলাগুলোয় জামিন মঞ্জুর হলেও যেসব মামলায় হেফাজতে স্বীকারোক্তি ছিল, সেগুলোতে বিচারিক স্বস্তি লাভ অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছিল। অথচ স্বীকারোক্তি ছিল জোরপূর্বক। কমিশন বলেছে, গুম নিপীড়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, অনেক পরিবার তাদের নিজ বাড়ির নিরাপদ পরিসরেও ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছিল। আর নির্বাচনের সময়ে এই নিপীড়ন বেড়ে যেতো। কমিশন সুপারিশ করেছে, যদি কেউ দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।