Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ছাত্র সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (জসদ) রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনের ভাসানী ভবনে জরুরি কেন্দ্রীয় সভা আহ্বান করেছে। শনিবার সন্ধ্যায় সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, সভাটি দুপুর আড়াইটায় শুরু হবে এবং সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, একই স্থানে বিকেল সাড়ে চারটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন কলেজ ও জেলা শাখার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যৌথ সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় সাংগঠনিক সমন্বয় ও আসন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ছাত্র রাজনীতির সক্রিয় সময়ে এই জরুরি সভা ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

Card image

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে ভারত। ওয়ানডে ও টেস্ট অধিনায়ক শুভমান গিলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন সূর্যকুমার যাদব, সহ-অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অলরাউন্ডার অক্ষর প্যাটেল। দীর্ঘদিন পর দলে ফিরেছেন বাঁহাতি ব্যাটার ও উইকেটকিপার ঈশান কিষান, ঘরোয়া টি–টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতে সর্বোচ্চ ৫১৭ রান করার পুরস্কার হিসেবে। ফিনিশার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন রিংকু সিং। বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকার জানিয়েছেন, দলের ভারসাম্য ও সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় গিলকে বাদ দেওয়া হয়েছে। শেষ ১৫ টি-টোয়েন্টিতে গিলের গড় মাত্র ২৪.২৫, যা নির্বাচকদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে। অন্যদিকে, ওপেনিংয়ে উইকেটকিপার থাকলে দলীয় কম্বিনেশনে সুবিধা হয় বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দলে রয়েছেন হার্দিক পান্ডিয়া, শিবম দুবে, ওয়াশিংটন সুন্দর ও অক্ষর প্যাটেল অলরাউন্ডার হিসেবে, আর পেস আক্রমণে নেতৃত্ব দেবেন যশপ্রীত বুমরা। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় শুরু হবে বিশ্বকাপ, যেখানে ভারত নতুন ভারসাম্যপূর্ণ দল নিয়ে শিরোপা জয়ের লক্ষ্য রাখছে।

Card image

ঢাকার গ্যালারি চিত্রকে শুরু হয়েছে শিল্পী আজওয়াদ আহমেদের প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শনী ‘একাকিত্বের দীপ্ত ছায়া’। শিল্পসমালোচক ও কিউরেটর নিসার হোসেনের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই প্রদর্শনীতে শিল্পীর নির্বাচিত চিত্রকর্মে নীরবতা, একাকিত্ব ও আত্মমগ্নতার ভাবনা ফুটে উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খ্যাতিমান শিল্পী অধ্যাপক এমেরিটাস রফিকুন নবী, সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মঈনউদ্দিন খালেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস ও জাভেদ জলিল। উদ্বোধনী বক্তৃতায় রফিকুন নবী শিল্পীর নীরব ও নিবেদিত মনোভাবের প্রশংসা করে বলেন, শিল্পকর্ম মানুষের সামনে আসা জরুরি। অধ্যাপক মোহাম্মদ ইউনুস আজওয়াদের কাজের গভীরতা ও পরিবর্তনশীলতার প্রশংসা করেন, উল্লেখ করেন যে প্রতিটি ছবির ভেতরে বহু গল্প লুকিয়ে আছে। সমালোচকরা প্রদর্শনীটিকে সমকালীন চিত্রভাষায় মননশীল ও আবেগপূর্ণ অভিব্যক্তি হিসেবে দেখছেন। ১৮ থেকে ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনীটি দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা আজওয়াদের শিল্পযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অগ্রনায়ক শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে শনিবার (২০ ডিসেম্বর ২০২৫) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জানাজা শেষে তাঁর মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আনা হয়। সহযোদ্ধা, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়ে তাঁকে শেষ বিদায় জানান। সমাধিস্তম্ভে লেখা হয়েছে—‘আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি (১৯৯৩–২০২৫)। শাহাদাত: ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫।’ দাফনে উপস্থিত ছিলেন আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমসহ অনেকে। মোনাজাত পরিচালনা করেন তাঁর বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। মাত্র ৩৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করা এই বিপ্লবীর মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তদন্ত এখনো চলমান, তবে সহযোদ্ধারা তাঁর আদর্শ ও আন্দোলনের ধারাবাহিকতা রক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।

Card image

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সাধারণ ছাত্রজনতার উদ্যোগে আয়োজিত গায়েবানা জানাজার আগে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা ড. কেরামত আলী শহীদ শরীফ ওসমান হাদির সাহসিকতা ও ভারতের আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে তার অবস্থানকে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন। শনিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত এ জানাজায় তিনি বলেন, শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারে না এবং হাদির মতো আরও বহু শহীদ জন্ম নেবে। কেরামত আলী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি হাদির চিন্তা ও চেতনা ধারণ করে সংগ্রাম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। জানাজায় স্থানীয় জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দসহ ছাত্র আন্দোলনের কর্মীরা অংশ নেন। এই বক্তব্য উত্তরাঞ্চলের রাজনৈতিক আবহে জামায়াতের অবস্থান ও জাতীয়তাবাদী বক্তব্যের ধারাবাহিকতাকে প্রতিফলিত করে, যা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভাজনের একটি দিক নির্দেশ করে।

Card image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের শোককে জাতীয় ঐক্যের শক্তিতে রূপান্তরের আহ্বান জানিয়েছেন। শনিবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে হাদির জানাজায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, হাদি আজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের পক্ষে লড়াই করেছেন। তার আত্মত্যাগকে সম্মান জানাতে হলে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দেশি ও বিদেশি যেসব চক্র গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি শান্তিপূর্ণ রাজনীতির মাধ্যমে শহীদের আদর্শ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিএনপি নেতৃত্ব হাদির হত্যাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জাতীয় সংহতির প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে। দলটি হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ তদন্ত এবং আসন্ন নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

Card image

২০২৫ সালের ২০ ডিসেম্বর শনিবার সিলেট কালেক্টরেট মসজিদের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই আন্দোলনের বীর যোদ্ধা শরীফ ওসমান বিন হাদির গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ জোহর অনুষ্ঠিত এই জানাজায় দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণী–পেশার মানুষ অংশ নেন, যা শহরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ঐক্যের প্রতিফলন ঘটায়। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম, বিএনপি নেতা রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, রেড ক্রিসেন্টের ভিপি মাহবুবুল হক চৌধুরী, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দসহ জুলাই যোদ্ধা সংসদের সদস্যরা। নামাজ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফিজ নুরুল ইসলাম কামাল। জানাজার আগে জেলা প্রশাসক সারোয়ার আলম বলেন, একজন হাদিকে হত্যা করে আন্দোলন থামানো যাবে না; বরং আরও বহু হাদি জন্ম নেবে। তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির ঐক্য ও হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

Card image

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে শাহ আলম নামে এক জামায়াত কর্মীর বাসায় লাল কালিতে লেখা একটি চিরকুটে হত্যার হুমকি পাওয়া গেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার স্ত্রী মমতাজ বেগম বাসার বারান্দায় চিরকুটটি দেখতে পান। এতে আতঙ্কিত হয়ে শাহ আলম রাতেই ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। শাহ আলম স্থানীয়ভাবে ব্যবসার পাশাপাশি একটি বেসরকারি মাদ্রাসা পরিচালনা করেন এবং সরকারি কলেজ রোড এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন। ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। শাহ আলম জানান, তিনি কুড়িগ্রামে ইজতেমায় যাওয়ার পথে স্ত্রীর কাছ থেকে খবর পেয়ে বাড়ি ফিরে আসেন এবং থানায় জিডি করেন। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত কোনো বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।

Card image

রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির জানাজায় অংশ নিতে শনিবার সকাল থেকেই ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে মানুষের ঢল নামে। দুপুর ২টায় জানাজা শুরু হলেও সকাল ৯টার পর থেকেই জনতার ভিড় জমতে থাকে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্রবেশমুখ খুলে দেওয়া হয়, যাতে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিতে পারেন। তরুণদের অনেকেই মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধে আসেন, যা দেশপ্রেম ও ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা গেছে। ঢাকা ও আশপাশের জেলা থেকে আসা মানুষ হাদির স্মরণে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। উত্তরা থেকে আসা মমিনুর ইসলাম বলেন, হাদি বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আজীবন লড়েছেন। খিলগাঁওয়ের মোতাকাব্বির হোসেন জানান, হাদির প্রতিটি বক্তব্য তরুণদের জন্য শিক্ষণীয়। জানাজায় বিপুল উপস্থিতি হাদির জনপ্রিয়তা ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে তার প্রভাবের প্রতিফলন। তার হত্যাকাণ্ডের তদন্ত এখনো চলমান, তবে জনমনে শোক ও ক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে।

Card image

জুলাই যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির দাফন শনিবার বিকেলে সম্পন্ন হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে। জানাজা শেষে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে তাকে দাফন করা হয়। দাফনের পর বিশেষ মোনাজাতে সহযোদ্ধা, স্বেচ্ছাসেবী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। শোকাহত পরিবেশে অনেকেই কান্নায় ভেঙে পড়েন, কেউ কোরআনের আয়াত পাঠ করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। তিনি দোয়ায় হাদির রুহের মাগফিরাত ও পরিবারের ধৈর্যের জন্য প্রার্থনা করেন। উপস্থিত সবাই নীরবতায় দাঁড়িয়ে প্রয়াত নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ওসমান হাদির মৃত্যু ইনকিলাব মঞ্চ ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহলে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। সহযোদ্ধারা তার আদর্শ ও আন্দোলন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন, পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদির জানাজা উপলক্ষে শনিবার ঢাকার মানিক মিয়ায় তার ভক্তরা আগ্রাসন ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াইয়ের শপথ নেন। জানাজা শুরুর আগে অনুষ্ঠিত এই আবেগঘন অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং হাদির আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তার সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগ্রাম অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার করেন। ভক্তরা বলেন, হাদি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে উঠেছেন। তারা প্রতিশ্রুতি দেন যে, দেশকে বিদেশি প্রভাব ও বিশেষ করে আঞ্চলিক আধিপত্য থেকে মুক্ত রাখতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। হাদির শুরু করা সাংস্কৃতিক আন্দোলন সম্পূর্ণ করার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা। এই শপথ অনুষ্ঠানটি হাদির অনুসারীদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা ও সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণের আহ্বানকে আরও জোরদার করেছে। এদিকে, হাদির মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর গায়েবানা জানাজা শনিবার (২০ ডিসেম্বর ২০২৫) নওগাঁ শহরের নওজোয়ান মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর আড়াইটায় অনুষ্ঠিত এই জানাজায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। বাংলাদেশ মাজলিসুল মোফাচ্ছিরিন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা হাবিবুর রহমান জানাজার ইমামতি করেন। বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম, এনসিপি, এবি পার্টি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা এতে অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা শরিফ ওসমান হাদীর সামাজিক ও রাজনৈতিক অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। স্থানীয় পর্যবেক্ষকরা বলেন, হাদীর মৃত্যু নওগাঁর সামাজিক ও মতাদর্শিক পরিমণ্ডলে এক শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা পূরণ করা কঠিন হবে।

Card image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার ৪নং শালবাহান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মো. আশরাফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি ‘ধানমন্ডি ৩২’ ফেসবুক পেজের সদস্য হিসেবেও পরিচিত। শনিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি রাশেদুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। একই অভিযানে ৪নং শালবাহান ইউনিয়নের কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফ আলীকেও আটক করা হয়েছে। ওসি রাশেদুল ইসলাম জানান, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ রাখতে সন্দেহভাজন দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্বাচন ঘিরে উত্তরের জেলাগুলোতে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের অস্থিতিশীলতা রোধে তারা কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

Card image

দীর্ঘ ১৫ বছরের প্রতীক্ষার পর টাঙ্গাইলের সোনালিয়া-করটিয়া রেলস্টেশন আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে। শনিবার সকালে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন ফিতা কেটে ও সবুজ পতাকা নাড়িয়ে স্টেশনটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে পাকশি বিভাগের ব্যবস্থাপক লিয়াকত আলী খান শরিফ, বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা গৌতম কুমার কুন্ডু, সাবেক সংসদ সদস্য মোর্শেদ আলী খান পন্নীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। শতশত স্থানীয় মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে অংশ নেন। বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের সোনালিয়া গ্রামে ২০১০ সালের দিকে নির্মিত স্টেশনটি নাম ও প্রশাসনিক জটিলতায় এতদিন বন্ধ ছিল। স্থানীয়রা জানান, স্টেশনটি চালু না থাকায় সরকারের কোটি টাকার সম্পদ অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। এখন তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ এই রেলসুবিধা পাবেন। রেলওয়ে মহাপরিচালক জানান, প্রাথমিকভাবে একটি ট্রেন চলবে, পরবর্তীতে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেসসহ আরও ট্রেন যুক্ত করা হবে। এছাড়া টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেন চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে। স্থানীয়রা করটিয়া অঞ্চলের সড়ক উন্নয়ন ও আন্তঃনগর ট্রেন থামানোর দাবি জানিয়েছেন।

Card image

শনিবার বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে শহীদ ওসমান শরীফ হাদির গায়েবানা জানাজায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইনকিলাব মঞ্চ বগুড়ার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও জেএসডিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। শাহপাড়া জামে মসজিদের খতিব হাফেজ আহসান হাবিব সাকি নামাজ পরিচালনা করেন এবং শেষে হাদির আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। জানাজার আগে বক্তারা বলেন, হাদির হত্যাকাণ্ড প্রমাণ করে দেশে এখনও ফ্যাসিবাদী শক্তি সক্রিয় রয়েছে এবং তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তারা ঘোষণা দেন, কোনো ষড়যন্ত্রই জাতীয় নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না এবং হাদির আত্মত্যাগ বাংলাদেশের স্বাধীন চেতনার প্রতীক হয়ে থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের গণজানাজা বিরোধী দলগুলোর ঐক্য ও জনসমর্থন প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি, তবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।