Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধিস্থলে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির দাফন সম্পন্ন হয়। পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধে এই স্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার ফলে সকাল থেকেই এলাকাজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। শাহবাগ থেকে টিএসসি পর্যন্ত এলাকা এবং মসজিদের আশপাশে পুলিশ, আনসার, র‍্যাব ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা অবস্থান নেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল টিমও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অংশ নেয়। সমাধিস্থলে কেবল অনুমোদিত শিক্ষক, কর্মকর্তা, ডাকসু সদস্য ও সরকার নির্ধারিত ব্যক্তিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এই কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা দাফন অনুষ্ঠানকে ঘিরে সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানোর জন্য নেওয়া হয়। পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, হাদির দাফনস্থল নির্বাচন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঘটনাটির সংবেদনশীলতা এবং এর প্রতীকী গুরুত্বকে প্রতিফলিত করে।

Card image

রাজশাহীর গোদাগাড়ী হেলিপ্যাড মাঠে বিপ্লবী শরীফ ওসমান হাদির গায়েবানা জানাজায় জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, হাদি ভারতের আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে নির্ভীকভাবে কথা বলেছেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ ছিলেন এবং বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতার কঠোর সমালোচনা করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা হাদির সাহসিকতার প্রশংসা করেন এবং তার হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান। তারা বলেন, হাদি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি ছিলেন না, বরং জাতীয় মর্যাদা ও স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। এই জানাজা সমাবেশে বাংলাদেশের ইসলামপন্থী রাজনৈতিক মহলে ভারতের প্রভাব ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা নিয়ে অসন্তোষের প্রতিফলন দেখা যায়। স্বাধীনতা ও ন্যায়বিচারের দাবি আগামী রাজনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।

Card image

ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউয়ে শনিবার দুপুরে জুলাই বিপ্লবী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজা ও জোহরের নামাজে লাখো মানুষ অংশ নেন। দুপুর সোয়া ১টার দিকে নামাজ শুরু হয়, এর আগে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। জানাজাকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা, আগারগাঁও, খামারবাড়ি ও আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। খামারবাড়ি মোড়, আসাদগেট, বিজয় সরণি, আগারগাঁও ও ফার্মগেট এলাকায় অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে মেটাল ডিটেক্টর ও হ্যান্ড স্ক্যানারের মাধ্যমে তল্লাশি চালানো হয়। সন্দেহজনক ব্যাগ ও সামগ্রী আলাদাভাবে পরীক্ষা করা হয়। বিপুল জনসমাগমে হাদির রাজনৈতিক প্রভাব ও জনপ্রিয়তা স্পষ্ট হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে জানাজা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও ট্রাফিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত জারি ছিল।

Card image

রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে শনিবার শহীদ নেতা ওসমান হাদির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকাসহ আশপাশের জেলা থেকে লাখো মানুষ সমবেত হন। সকাল থেকেই মানুষের ঢল নামে জানাজাস্থলে। নারী, পুরুষ ও শিশুরা একসঙ্গে অংশ নেন এই বিদায়ে। অনেকে কালো ব্যাজ ও জাতীয় পতাকা ধারণ করে শোক ও দেশপ্রেম প্রকাশ করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রতিটি প্রবেশপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে উপস্থিতদের প্রবেশের আগে তল্লাশি চালায়। তরুণদের উপস্থিতি ছিল সবচেয়ে বেশি, যারা হাদির স্মরণে নানা স্লোগান দেন এবং তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলক কম হলেও তারা জানান, পুরুষদের পাশাপাশি তারাও শেষ বিদায়ে একাত্ম হতে এসেছেন। হাদির জানাজায় বিপুল জনসমাগম তার জনপ্রিয়তা ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে প্রভাবের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। জানাজা-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জনমতের প্রতিক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন।

Card image

পাকিস্তানের একটি বিশেষ আদালত তোশাখানা দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে অনুষ্ঠিত শুনানিতে আদালত জানায়, তারা রাষ্ট্রীয় উপহার অবৈধভাবে গ্রহণ ও বিক্রি করে সরকারের আর্থিক ক্ষতি করেছেন। ইমরান বর্তমানে এই কারাগারেই বন্দি আছেন। রায়ে বলা হয়েছে, পাকিস্তান দণ্ডবিধির ৩৪ ও ৪০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের অধীনে তাদের দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। উভয়কে এক কোটি ৬৪ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে, যা পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত ইমরানের বয়স ও বুশরার নারী পরিচয় বিবেচনায় সাজা কিছুটা কম দিয়েছে। তাদের আইনজীবীরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে জাতীয় জবাবদিহি ব্যুরো মামলাটি দায়ের করে, যেখানে সৌদি যুবরাজের উপহার হিসেবে পাওয়া অলংকার কম দামে দেখিয়ে তোশাখানা থেকে নেয়ার অভিযোগ আনা হয়। এই রায় ইমরান খানের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর নতুন অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।

Card image

ইসলামী ছাত্রশিবিরের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মোস্তাফিজুর রহমান সম্প্রতি বাম, শাহবাগী, ছায়ানট ও উদীচীকে ‘তছনছ’ করার আহ্বান জানিয়ে দেওয়া বক্তব্য নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুর পর আয়োজিত এক বিক্ষোভে দেওয়া ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। শুক্রবার রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মোস্তাফিজুর ব্যাখ্যা দেন যে, ‘তছনছ’ বলতে তিনি ভাঙচুর নয়, বরং আদর্শিক বয়ান ভাঙাকে বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী বয়ানের মোকাবিলা নিয়মতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক উপায়ে করা হবে। শব্দচয়নে তাড়াহুড়ো হয়েছে স্বীকার করে তিনি জানান, ইসলামী ছাত্রশিবির শান্তিপূর্ণ ও নিয়মতান্ত্রিক সংগ্রামের পথেই অটল থাকবে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ব্যাখ্যা তাৎক্ষণিক উত্তেজনা কিছুটা প্রশমিত করতে পারে, তবে বিশ্ববিদ্যালয় রাজনীতিতে উগ্র বক্তব্য ও আদর্শিক বিভাজন নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অগ্রনায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির লাশ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নেওয়া হয়েছে। এর আগে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। দুপুরের দিকে অ্যাম্বুলেন্সে করে তার লাশ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায় বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাদির মৃত্যু হয়। ১২ ডিসেম্বর বিজয়নগরে গণসংযোগে গেলে মোটরসাইকেল আরোহীর গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দেশে ফেরত আসে এবং জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমাগারে রাখা হয়। ঘটনাটিকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোক ও ক্ষোভের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এখনো হামলার ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।

Card image

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সুবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাতে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শরীফ ওসমান হাদি ইন্তেকাল করেন। এক শোকবার্তায় উপাচার্য বলেন, হাদি ছিলেন জুলাই বিপ্লবের সামনের সারির সাহসী ও আদর্শিক তরুণ সৈনিক, যিনি দেশপ্রেম ও নিষ্ঠার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার, সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। উপাচার্য আরও বলেন, হাদির মৃত্যুতে দেশ একজন নির্ভীক দেশপ্রেমী সন্তানকে হারিয়েছে। হাদির মৃত্যুতে সুনামগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় সংগঠনগুলো তার স্মরণে দোয়া ও গায়েবানা জানাজার আয়োজন করছে।

Card image

জুলাই বিপ্লবী ও আধিপত্যবাদবিরোধী প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত করার প্রস্তুতি চলছে। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর পর ১৮ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হয় এবং ময়নাতদন্ত শেষে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমাগারে রাখা হয়েছে। শনিবার বাদ জোহর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর বিজয়নগরে ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের সময় মোটরসাইকেল আরোহীর গুলিতে হাদি গুরুতর আহত হন। মাথায় গুলি লাগার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জাতীয় কবির পাশে হাদির সমাধি তার রাজনৈতিক ও আদর্শিক সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। জানাজা ও দাফন ঘিরে বিপুল জনসমাগমের আশঙ্কায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

Card image

বাংলাদেশ লেবার পার্টি সাংবাদিক ও সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে পরিচালিত কথিত পরিকল্পিত অপপ্রচার ও চরিত্রহননের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। দলটির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, প্রো-সরকারি ও প্রো-ভারতীয় স্বার্থগোষ্ঠী অনলাইন মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে মাহমুদুর রহমানকে টার্গেট করছে, কারণ তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের আধিপত্যবাদী নীতির সমালোচক হিসেবে পরিচিত। বিবৃতিতে বলা হয়, সীমান্ত হত্যা, পানিবণ্টন বৈষম্য ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নকারী চুক্তির বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমানের অবস্থান তাকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করেছে। ডা. ইরান দাবি করেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্রীয় দমননীতির মুখোশ উন্মোচনের কারণে মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এই অপতৎপরতা শুরু হয়। লেবার পার্টি অবিলম্বে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান অপপ্রচার বন্ধে রাষ্ট্রীয় ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানায় এবং গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তি, সাংবাদিক সমাজ ও নাগরিকদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানায়।

Card image

লিভারপুলের মিসরীয় ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহ সম্প্রতি দল থেকে বাদ পড়ার পর করা বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। গত ৬ ডিসেম্বর লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে ড্রয়ের পর তিনি ক্লাব ও কোচ আর্নে স্লটের সমালোচনা করে বলেন, মৌসুমের দুর্বল শুরুর দায় অন্যায়ভাবে তার ওপর চাপানো হচ্ছে এবং অ্যানফিল্ডে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি অনিশ্চিত। দলের মিডফিল্ডার কার্টিস জোন্স স্কাই স্পোর্টসকে জানান, সালাহ পুরো স্কোয়াডের সঙ্গে কথা বলে বলেছেন—তার কথায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখিত। জোন্সের মতে, সালাহর এই আচরণ তার মানবিক দিক ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে। তিনি আরও জানান, ড্রেসিংরুমে কোনো বিভাজন নেই এবং সবাই ঐক্যবদ্ধ। লিভারপুল বর্তমানে প্রিমিয়ার লিগে ফর্মে ফেরার চেষ্টা করছে। সালাহর ক্ষমা প্রার্থনা দলীয় ঐক্য পুনর্গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Card image

শনিবার সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির জানাজায় অংশ নিতে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা জনসমুদ্রে পরিণত হয়, যেখানে ঢাকাসহ আশপাশের জেলা থেকেও বিপুল জনতা উপস্থিত হন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী—পুলিশ, বিজিবি ও র‍্যাব—সতর্ক অবস্থানে থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। প্রতিটি গেট দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে মানুষ প্রবেশ করে, প্রয়োজনে তল্লাশি চালানো হয়। অনেকেই কালো ব্যাজ পরে শোক প্রকাশ করেন, কেউ কেউ জাতীয় পতাকা নিয়ে হাদির দেশপ্রেমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। নারী ও শিশুরাও জানাজায় অংশ নেন। বিপুল জনসমাগম সত্ত্বেও পরিস্থিতি শান্ত ছিল। সহযোদ্ধা ও সমর্থকেরা হাদির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং জানাজা শেষে দাফনের আগে মোনাজাতে আবেগে ভেঙে পড়েন।

Card image

ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের ফাইনালে ব্রাজিলের ফ্লামেঙ্গোর বিপক্ষে পিএসজির গোলরক্ষক মাতভেই সাফোনভের নায়কোচিত পারফরম্যান্সে দল পেয়েছে প্রথম বৈশ্বিক শিরোপা। নির্ধারিত সময়ের খেলা ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে একের পর এক চারটি শট ঠেকিয়ে পিএসজিকে ২–১ ব্যবধানে জেতান তিনি। তবে ম্যাচ চলাকালীনই ভেঙে যায় তার হাত, যা পরে নিশ্চিত হয় চিকিৎসকদের পরীক্ষায়। পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে জানান, তৃতীয় পেনাল্টি ঠেকানোর সময়ই সম্ভবত ফ্র্যাকচারটি ঘটে। “অবিশ্বাস্য ব্যাপার হলো, ভাঙা হাত নিয়েই সে শেষ দুটি শট ঠেকিয়েছে,” বলেন এনরিকে। তিনি আরও যোগ করেন, সাফোনভের মানসিক দৃঢ়তা ও দলের প্রতি দায়বদ্ধতাই এই জয়ের মূল চাবিকাঠি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তিন থেকে চার সপ্তাহ পর সাফোনভের অবস্থা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। তার অনুপস্থিতিতে পিএসজিকে বিকল্প গোলরক্ষকের ওপর নির্ভর করতে হতে পারে, তবে এই জয়ে ক্লাবের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও জুলাই বিপ্লবের অগ্রনায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজা পড়াবেন তার বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। জানাজা শেষে তাকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ও ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব ডা. আব্দুল আহাদ শনিবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। শনিবার সকালে হাদির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। পরে তা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে ফিরিয়ে আনা হয়। গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে গণসংযোগের সময় মোটরসাইকেল আরোহীর গুলিতে হাদি গুরুতর আহত হন। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে ঢাকায় অস্ত্রোপচারের পর সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়, যেখানে বৃহস্পতিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। হাদির মৃত্যুতে সহযোদ্ধা ও সমর্থকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জাতীয় পতাকা হাতে তরুণরা জানাজায় অংশ নেয় এবং দাফনের পর মোনাজাতে সহযোদ্ধারা কান্নায় ভেঙে পড়েন। গুলিবর্ষণের ঘটনার তদন্ত এখনো চলমান।

Card image

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ৮৫০টি কামিকাজি ড্রোন কেনার প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও বিশেষ বাহিনীর জন্য এই ড্রোনগুলো কেনা হবে, যার বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি রুপি। চলতি ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিলের বৈঠকে অনুমোদন পাওয়ার পর ক্রয় প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মে মাসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’ অভিযানে ভারত প্রথমবার ব্যাপকভাবে সামরিক ড্রোন ব্যবহার করে। প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা জানান, ওই অভিযানে ড্রোন অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিন বাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে ড্রোনের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কামিকাজি ড্রোন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে বিস্ফোরিত হয় এবং নিজেও ধ্বংস হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই উদ্যোগ ভারতের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের অংশ, যা নির্ভুল আঘাতের সক্ষমতা বাড়াবে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে মানবিক ঝুঁকি কমাবে। উন্নত নেভিগেশন ও টার্গেট শনাক্তকরণ প্রযুক্তি যুক্ত এই ড্রোনগুলো ভবিষ্যৎ অভিযানে ভারতের কৌশলগত শক্তি বৃদ্ধি করবে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।