বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের তার হলফনামায় মোট ১ কোটি ৮৫ লাখ টাকার সম্পদের ঘোষণা দিয়েছেন। তার স্ত্রী ডা. হাবিবা আক্তার চৌধুরীর সম্পদের পরিমাণ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এই তথ্য তিনি ২৮ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেওয়া হলফনামায় উল্লেখ করেছেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চান্দিনা) আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। হলফনামা অনুযায়ী, ডা. তাহেরের নামে ১০ শতক কৃষি জমি ও ১৫ শতক অকৃষি জমি রয়েছে, যার মূল্য ২২ লাখ ১৬ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে ০.৮ একর ১৫ কাঠা জমি ও তিনটি বাড়ি রয়েছে, যার মোট মূল্য ৩ কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ৭০০ টাকা। তাহেরের হাতে নগদ ৫১ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর হাতে ২১ লাখ ৯২ হাজার টাকা রয়েছে। হলফনামায় বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে ৩৫টি মামলা থাকলেও বেশিরভাগই আদালতের আদেশে নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো আইনি বাধা নেই। ডা. তাহের কুমিল্লা সেন্ট্রাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান, যার নামে ৩ কোটি ১৪ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে। তার স্ত্রীর বিভিন্ন ব্যাংকে মোট প্রায় ৩৭ লাখ টাকার ঋণ রয়েছে।
চলতি বছরে স্পেনে পৌঁছানোর চেষ্টাকালে সাগরে তিন হাজারেরও বেশি অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্পেনের অভিবাসী অধিকার সংস্থা ‘ক্যামিনান্দো ফ্রন্টিরাস’। সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ৯০ জন ডুবে মারা গেছেন, যাদের মধ্যে ১৯২ জন নারী ও ৪৩৭টি শিশু রয়েছে। যদিও মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০২৪ সালের তুলনায় কমেছে, জাহাজডুবির সংখ্যা বেড়ে ৩০৩ হয়েছে এবং ৭০টি নৌকা কোনো চিহ্ন ছাড়াই নিখোঁজ হয়েছে। সংস্থার গবেষণা সমন্বয়কারী হেলেনা ম্যালেনো জানান, মৃত্যুর সংখ্যা কমলেও জাহাজডুবির বৃদ্ধি উদ্বেগজনক। স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত সমুদ্র ও স্থলপথে ৩৫ হাজার ৯৩৫ জন অনিয়মিত অভিবাসী স্পেনে পৌঁছেছেন, যেখানে ২০২৪ সালে একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ৬০ হাজার ৩১১। এই হ্রাসের প্রধান কারণ হিসেবে সীমান্ত পুলিশিং কঠোরকরণকে দায়ী করা হয়েছে, বিশেষ করে মৌরিতানিয়ায়, যা স্পেনে যাওয়া অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান প্রস্থান বিন্দু। প্রতিবেদনটি ইউরোপে উন্নত জীবনের আশায় ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় নামা অভিবাসীদের চলমান বিপদের চিত্র তুলে ধরেছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশান-২ এর ১৯৬ নম্বর সড়কে অবস্থিত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়। জাতীয় পতাকায় মোড়ানো ফ্রিজিং গাড়িটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে বাসায় প্রবেশ করে। ভিডিওতে দেখা যায়, মায়ের মরদেহের পাশে বসে কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া পড়ছেন ছেলে তারেক রহমান। তারেক রহমানের বাসায় উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী জোবাইদা রহমান, কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমানসহ পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও উপদেষ্টা মাহাদী আমীনও উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এসএসএফ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা। এই বাসাতেই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও দলের শীর্ষ নেতারা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো দেখবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বুধবার ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে হাজারো মানুষ সমবেত হয়েছেন। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ক্রমেই বাড়তে থাকে। দুপুর ২টায় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে লাল-সবুজ গাড়িতে খালেদা জিয়ার মরদেহ সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়, সঙ্গে ছিলেন তারেক রহমান। লাশবাহী গাড়ির চারপাশে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এর আগে সকাল ১১টার দিকে মরদেহবাহী গাড়িটি গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে রওনা হয়। জানাজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে মিরপুর সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকেই এলাকায় নেতাকর্মীরা ভিড় করতে শুরু করেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বুধবার সকালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে। লাল-সবুজ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো মরদেহটি সেনাবাহিনীর হিউম্যান চেইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রোটোকলে আনা হয়। সকাল ১১টা ৪৮ মিনিটে ফ্রিজার ভ্যানটি দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়, যা সকাল ১১টা ৫ মিনিটে তার ছেলে তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এর আগে সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে খালেদা জিয়ার মরদেহ রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানে নেওয়া হয়। শুরুতে তার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে তারেক রহমানের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে পরিবারের সদস্য ও বিএনপি নেতাকর্মীরা শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানান। বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা বুধবার বাদ জোহর রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা পড়াবেন বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। জানাজা শেষে তাকে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বুধবার সকালে উপস্থিত হয় তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী লামিয়া ও তার মা রাবেয়া খাতুন। তারা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো বিদায় জানাতে সেখানে আসেন। আমার দেশকে লামিয়া বলেন, মা-বাবার কাছ থেকে শুনেছেন খালেদা জিয়া ছিলেন খুব ভালো মানুষ, কখনো হিংসা করতেন না এবং সবাইকে ভালোবাসতেন। রাবেয়া খাতুন বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি দেশের জন্য বড় ত্যাগ স্বীকার করেছেন। রাবেয়া জানান, তাদের বাড়ি কেরাণীগঞ্জে হলেও বর্তমানে তারা শাহবাগে থাকেন এবং খালেদা জিয়ার দেশপ্রেম তাকে জানাজায় অংশ নিতে অনুপ্রাণিত করেছে। রাবেয়া আরও বলেন, খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন কারাবরণ ও অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি প্রয়াত নেত্রীর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটি সিটি মোড়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় বিমল বিশ্বাস (৬২) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, দোকান বন্ধ করে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিমল বিশ্বাস। এ সময় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে আরাপপুরগামী একটি মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাজীব চক্রবর্তী জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন জানান, ঘটনাটি সত্য এবং এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, যদিও তদন্ত এখনো শুরু হয়নি।
২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর সকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নিতে গাজীপুর থেকে হাজারো মানুষ ঢাকায় রওনা হন। সকাল থেকেই সড়ক ও রেলপথে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে। ঘন কুয়াশার কারণে সকালে উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। বাস, মিনিবাস, প্রাইভেট কারসহ বিভিন্ন যানবাহনে করে বিপুল সংখ্যক মানুষ ঢাকায় যাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর গাজীপুরের অনেক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যে ঢাকায় অবস্থান করছেন, আর অনেকে ভিড় এড়াতে রাতেই পৌঁছে গেছেন। জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকেও হাজারো মানুষ ট্রেনে ঢাকায় যাচ্ছেন। তারা পাঞ্জাবি ও টুপি পরে শোক প্রকাশের পাশাপাশি জানাজায় অংশ নিচ্ছেন। সংবাদে গাজীপুর থেকে ঢাকায় মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ও শোকাবহ পরিবেশের চিত্র উঠে এসেছে, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতিফলন।
বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ঢাকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ আসেন। সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া এভিনিউমুখী পথে পল্টন থেকে অনেককে হেঁটে যেতে দেখা যায়, কারণ পর্যাপ্ত গাড়ি পাওয়া যাচ্ছিল না। রাজধানীমুখী মানুষের এই স্রোত ছিল প্রাক্তন নেত্রীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধী বেগম খালেদা জিয়া গত ১৭ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসনের সময় জেল-জুলুম সহ্য করেছিলেন। তাঁর জানাজায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে সাধারণ মানুষ, এমনকি ছোট শিশুদের নিয়েও পরিবারগুলো অংশ নেয়, যা তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা গেছে। সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার মেট্রো স্টেশন বন্ধ ছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানাজার ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা শফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ৩০ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় শফিকুল ইসলাম ইন্তেকাল করেন। তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার পরিবার ও সহযোদ্ধাদের প্রতি সমবেদনা জানান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় আহত হন শফিকুল ইসলাম। দীর্ঘ চিকিৎসার পর আন্দোলনের দেড় বছর পর তার মৃত্যু হয়। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এখনো অনেক জুলাই যোদ্ধা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন এবং তাদের আত্মত্যাগ এখনো শেষ হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, শফিকুল ইসলাম তাদেরই একজন, যাদের ত্যাগের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। মৃত শফিকুল ইসলামের বাড়ি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে। বিবৃতিতে বলা হয়, জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে জুলাই যোদ্ধাদের স্মরণ করবে।
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে পাকিস্তানের পার্লামেন্ট স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিক বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ঢাকায় পৌঁছেছেন। পাকিস্তান হাইকমিশনের কাউন্সেলর (প্রেস) মো. ফসিহ উল্লাহ খান জানান, পাকিস্তানের স্পিকার সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। নামাজে জানাজা পড়াবেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব। রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ জিয়ার কবরের পাশে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দাফন করা হবে। পাকিস্তানের স্পিকারের এই সফর সাবেক প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় জানাজাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মনোযোগের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আমার দেশ পত্রিকার আবাসিক সম্পাদক অলিউল্লাহ নোমান চুনারুঘাট ও মাধবপুরের জনগণকে আশ্বস্ত করেছেন যে তিনি সুখে-দুঃখে তাদের পাশে থাকবেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চুনারুঘাট উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনে তিনি ঋণী এবং এলাকার উন্নয়নে নিজেকে কাজে লাগাতে চান। সভার শেষ দিকে উপজেলা আমির তাকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন, এতে উপস্থিত সবাই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। এর আগে ১ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমিরকে প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ-৪ আসনে অলিউল্লাহ নোমানকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। পরবর্তী ২৬ দিন তিনি ইউনিয়নজুড়ে কর্মী ও নেতাদের সঙ্গে গণসংযোগ চালান। তবে জোট রক্ষার স্বার্থে দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিল থেকে বিরত থাকেন। স্থানীয় নেতারা তার নিরলস পরিশ্রমের প্রশংসা করে বলেন, তারা চান অলিউল্লাহ নোমান ভবিষ্যতেও তাদের সঙ্গে থেকে এলাকার উন্নয়নে কাজ করুন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহবাহী লাল-সবুজ গাড়ি বুধবার সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে পৌঁছেছে। তারেক রহমান গাড়ির সঙ্গে ছিলেন। সকাল ১১টার দিকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে মরদেহবাহী গাড়িটি বের হয় এবং চারপাশে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। দুপুর ২টায় একই স্থানে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ৮০ বছর বয়সে খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেন। গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তার অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল। মঙ্গলবার রাত থেকেই এলাকায় নেতাকর্মীরা ভিড় করতে শুরু করেন মরহুম নেত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে। জাতীয় সংসদ ভবনের প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা দেশের রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সমাপ্তি নির্দেশ করছে।
বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৌলতদিয়া–পাটুরিয়া নৌরুটে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। বুধবার ভোর রাত সাড়ে ৪টা থেকে পদ্মা নদীর অববাহিকায় ঘন কুয়াশা জমে দৃশ্যমানতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে নিরাপত্তার স্বার্থে কর্তৃপক্ষ ফেরিসহ সব ধরনের নৌযান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখে। ঘাট সূত্রে জানা যায়, কুয়াশার কারণে নদীতে দিক নির্ণয় কঠিন হয়ে পড়ায় যাত্রী ও যানবাহনের নিরাপত্তা বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে উভয় ঘাটে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। পরে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুয়াশা কেটে গেলে ও দৃশ্যমানতা স্বাভাবিক হলে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু হয়। বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তারা জানান, শীত মৌসুমে ঘন কুয়াশার কারণে প্রায়ই এই নৌরুটে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, যা দক্ষিণাঞ্চলের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনে প্রভাব ফেলে।
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার লাশ বুধবার সকালে তার ছেলের গুলশানের বাসা থেকে জানাজাস্থলের উদ্দেশে নেয়া হয়েছে। সকাল ১১টার দিকে গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে লাশবাহী গাড়িটি বের হয়। গাড়ির চারপাশে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। তার জানাজা দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অনুষ্ঠিত হবে। মঙ্গলবার রাত থেকেই এই এলাকায় নেতাকর্মীরা ভিড় করতে শুরু করেন। খালেদা জিয়া মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি গত ২৩ নভেম্বর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থা ছিল অত্যন্ত জটিল। জানাজাস্থলে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে যাতে অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।
আরো ফিড দেখতে লগইন করুন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।