Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

গাজা শহরের বাসিন্দারা সম্প্রতি ঘোষিত দ্বিতীয় ধাপের যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, প্রথম ধাপের অনেক প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। আলজাজিরাকে কয়েকজন ফিলিস্তিনি জানান, সীমান্ত ক্রসিং খোলার কথা ছিল, পণ্যের দাম কমার কথা ছিল এবং ইসরাইলি হামলা বন্ধ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এসবের কিছুই ঘটেনি। বরং তারা দক্ষিণ থেকে উপতক্যার উত্তরে স্থানান্তরিত হওয়া ছাড়া কোনো পরিবর্তন দেখেননি। একজন নারী বলেন, গাজার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপ শুরু করার আগে প্রথম ধাপটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করা উচিত। আরেকজন বাসিন্দা জানান, তিনি আশাবাদী নন, কারণ সাহায্য ও খাদ্য পৌঁছায়নি এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়নি। অব্যাহত বোমাবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের কারণে তারা আশ্রয় বা তাঁবুও খুঁজে পাচ্ছেন না। এই প্রতিবেদনটি গাজার মানুষের হতাশা তুলে ধরেছে, যারা নতুন যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও বাস্তবে কোনো উন্নতি দেখতে পাচ্ছেন না।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় অগ্রগতির জন্য এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দিয়েছেন। শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এক সমাবেশে তিনি এই ঘোষণা দেন। এর আগে জুমার নামাজের পর ইনকিলাব মঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে, যা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও শাহবাগ এলাকা প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে পরিণত হয়। সমাবেশে জাবের রাজনৈতিক দলগুলোর নীরব ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, তারা যেন ৩০০ সংসদীয় আসন থেকে একযোগে আওয়াজ তোলে এবং দৃঢ়তার সঙ্গে হাদি হত্যার বিচার দাবি করে। তিনি সতর্ক করেন, এক সপ্তাহের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি না হলে সারা দেশে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। তিনি শহীদ হাদির আদর্শের কথা স্মরণ করে বলেন, হাদি ন্যায়বিচার ও ভোটাধিকারের পক্ষে ছিলেন। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিচারিতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, তারা মাঠে না নেমে কেবল সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন পোস্ট দিচ্ছে।

Card image

ইউরোপীয় সামরিক মিশন গঠনের পরও গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিষয়ে অবস্থান পরিবর্তন করবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের এক ব্রিফিংয়ে প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট জানান, ইউরোপে সেনা মোতায়েন ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করবে না। বুধবার ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর বৈঠকে এই ইস্যুতে প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য একটি কর্মী গোষ্ঠী গঠনের বিষয়ে সম্মতি হয়। ডেনমার্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লার্স লোকে রাসমুসেন বলেন, আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে সবাই একমত হলেও পদ্ধতি নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি জোর করে গ্রিনল্যান্ড দখলের চেষ্টা করে, তা ন্যাটোর অস্তিত্বের জন্য হুমকি হতে পারে। গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেন্স-ফ্রেডেরিক নিলসেন সংলাপ ও কূটনীতিকেই সঠিক পথ হিসেবে দেখছেন। এদিকে ন্যাটোর ‘আর্কটিক এন্ডুরেন্স’ মহড়ার অংশ হিসেবে ডেনমার্ক দুটি সামরিক পরিবহন বিমান গ্রিনল্যান্ডে পাঠিয়েছে এবং ইউরোপীয় মিত্ররা সেখানে সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে। ট্রাম্প আবারও বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিনল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Card image

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিকল্প সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের নতুন পরিচালক হিসেবে সামসুল আলম এবং সহকারী পরিচালক হিসেবে ইমরান হাসান মনোনীত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সংগঠনটির আয়োজিত শিল্পী সমাবেশে এই নেতৃত্ব ঘোষণা করেন সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদের নির্বাহী পরিচালক এইচ এম আবু মুসা, বিকল্পের চেয়ারম্যান মুজাহিদ ফয়সল এবং বিদায়ী পরিচালক আহমেদ রায়হান। প্রতিবেদন অনুযায়ী, নবনির্বাচিত পরিচালক সামসুল আলম ইতিহাস বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী এবং সহকারী পরিচালক ইমরান হাসান আরবি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে চেঞ্জ টিভির পরিচালক আমিরুল মোমেনিন মানিক আশা প্রকাশ করেন যে নতুন নেতৃত্ব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সুস্থ ও প্রগতিশীল সংস্কৃতির বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। এই নেতৃত্ব পরিবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতৃত্বাধীন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে, যা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও প্রগতিশীল মূল্যবোধ বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

Card image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা তার স্বামীর হত্যার বিচার দাবি করেছেন। শুক্রবার বিকেলে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, রাষ্ট্রের কাছে তার এবং সন্তানের একমাত্র দাবি হলো ওসমান হাদির হত্যার বিচার। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাগতিক সব চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে রয়েছে এই ন্যায়বিচারের দাবি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির যোদ্ধা ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার বিজয়নগরে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। লাখো মানুষের অংশগ্রহণে জানাজা শেষে জাতীয় কবির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। এর আগে গত বুধবারও রাবেয়া ইসলাম শম্পা একই দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েছিলেন।

Card image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। শুক্রবার দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দলের ২৬৮ আসনে প্রার্থীরা মাঠে কাজ করছেন এবং কেউ মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন না। বাকি ৩২ আসনে কাকে সমর্থন দেওয়া হবে, তা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গাজী আতাউর রহমান বলেন, ইসলামের নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সবার অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার রাজনীতিকে দলের নেতাকর্মীরা পবিত্র ইবাদত হিসেবে মনে করেন। তিনি আরও জানান, দলটি তাদের লক্ষ্য ও আদর্শে দৃঢ় এবং কোনো হতাশা নেই। এর আগে বৃহস্পতিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জোটে থাকবে কি না তা নিয়ে গুঞ্জন ছড়ালেও, মগবাজারে অনুষ্ঠিত ১১ দলের জরুরি বৈঠকে দলটি অংশ নেয়নি। শুক্রবারের সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলটি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে।

Card image

রাজধানীর উত্তরায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত দুই পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার বিকেলে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ১৮ নম্বর সড়কে এসে তিনি নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি নিহত ছয়জনের স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানান এবং হাসপাতালে ভর্তি ১৩ জনের জন্য দোয়া করেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বিপদের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আশপাশের প্রতিবেশীদের আহ্বান জানান যেন তারা শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে থেকে মানসিক সান্ত্বনা ও সাহস জোগান। তিনি আরও বলেন, ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে যারা বেঁচে আছেন তারা যেন সুস্থ হয়ে মানবতার সেবায় নিয়োজিত হতে পারেন, সে প্রার্থনা করেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সুযোগ পেলে তিনি জরুরি নিরাপত্তা বিষয়গুলো শিক্ষার সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেবেন এবং মিডিয়া, মসজিদ, এনজিও ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করবেন।

Card image

চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার বিকেলে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন। তিনি জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি ২৬৮টি আসনে এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে, কারণ ২৭০টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে দু’টি আপিলে বাতিল হয়েছে। গাজী আতাউর রহমান বলেন, জোট ছাড়ার চারটি কারণই জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডকে ঘিরে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের আমির বিএনপি নেতা তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেছেন, যা জোটের মধ্যে সন্দেহ ও শঙ্কা তৈরি করেছে। এছাড়া জামায়াতের নেতৃত্ব খ্রিষ্টান প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেছেন যে তারা ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না—এটি ইসলামী আন্দোলনের আদর্শের পরিপন্থী। তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন ক্ষমতার রাজনীতি নয়, নীতি ও আদর্শের রাজনীতি করে। দলটি ইসলামপন্থি ভোট একত্র করে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাবে।

Card image

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ওঠানামা করা সম্পর্কের পর আফ্রিকায় নিজের অর্থনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে লড়াই করছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের আঙ্কারার হাচি বায়রাম ভেলি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ইউনুস তুরহান জানান, মার্কিন আদমশুমারি ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও আফ্রিকার বাণিজ্যে বড় ওঠানামা হয়েছে। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ৩৪ বিলিয়ন ডলার এবং আমদানি ৩৭.৮ বিলিয়ন ডলার। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৭.৩৭ ট্রিলিয়ন ডলার, যার মধ্যে আফ্রিকার অংশ মাত্র ১.১ শতাংশ। তুরহান বলেন, ২০০০ সালে চালু হওয়া আফ্রিকান গ্রোথ অ্যান্ড অপরচুনিটি অ্যাক্ট (এজিওএ) আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এই কর্মসূচির আওতায় ৩২টি আফ্রিকান দেশ ১,৮০০টিরও বেশি পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করতে পারে। ২০০২ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে এই কর্মসূচির আওতায় আফ্রিকায় মার্কিন রপ্তানি প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ এজিওএ আরও তিন বছরের জন্য বাড়িয়েছে। তুরহানের মতে, আফ্রিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এখন চীন ও রাশিয়া। ২০২৫ সালে আফ্রিকার সঙ্গে চীনের বাণিজ্য দাঁড়িয়েছে ৩১৪ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালে রাশিয়ার বাণিজ্য ২৪.৫ বিলিয়ন ডলার। তিনি মনে করেন, আফ্রিকায় কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উন্নয়ন লক্ষ্যের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করাই যুক্তরাষ্ট্রের বড় চ্যালেঞ্জ।

Card image

রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির। শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো শোকবার্তায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। সকালে সংঘটিত এই অগ্নিকাণ্ডে নারী ও শিশুসহ ছয়জন মারা যান এবং বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। শোকবার্তায় ছাত্রশিবির নেতারা বলেন, তারা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছেন। একই সঙ্গে তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানান এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন। নেতারা আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় আধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান ঘোষণা করেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি জয়ী হলে ইসলামী শরিয়া আইন বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। শুক্রবার বিকেলে আসন সমঝোতা নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। তিনি জানান, শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করা তাদের দায়িত্ব এবং প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জন করলে তা নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। গাজী আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সংবিধান মানতে বাধ্য হলেও কিছু নিপীড়নমূলক আইন পরিবর্তনের সুযোগ রয়েছে। তিনি জানান, ইসলামী আন্দোলন ১১ দলীয় জোট থেকে ন্যায়বিচারের প্রশ্নে বৈরিতার কারণে বেরিয়ে এসেছে এবং নীতি-আদর্শের রাজনীতি করছে। দলটি ২৭০টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে, যার মধ্যে ২৬৮টি বৈধ হয়েছে এবং সব প্রার্থী এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সঙ্গে আলাদা সমঝোতা করায় জোটের প্রতি সন্দেহ তৈরি হয়েছে, ফলে ইসলামী আন্দোলন নিজস্ব আদর্শ রক্ষায় স্বাধীনভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।

Card image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সরকারের কোনো বিশেষ কারণে বা নির্দিষ্ট ভোটের কথা বলা উচিত নয়। সরকারের দায়িত্ব হলো জনগণকে ভোট দিতে উৎসাহিত করা এবং ভোটকেন্দ্রে যেতে উদ্বুদ্ধ করা। শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি আয়োজিত শিশু-কিশোর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, সরকারের লোকজন বিশেষ কারণে ভোটের কথা বললে মানুষের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একটি ভোটের কথা বাদ দিয়ে অন্য ভোটের কথা বলাকে জনগণ ভালোভাবে নিচ্ছে না। সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে ভোট, সেই ভোটের কথাই বলা উচিত, এটিই আসল ভোট বলে তিনি মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক। আরও উপস্থিত ছিলেন শিশু-কিশোর সমাবেশ উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এইচ এম রাশেদ খান ও শাহানশাহ হযরত জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর।

Card image

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৃহস্পতিবার ইস্তাম্বুলে সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আগ্রাসী সামরিক নীতি দেশটিকে আন্তর্জাতিকভাবে ক্রমশ বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে। তিনি জানান, এই নীতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক মৃত্যু ও ধ্বংস নেমে এসেছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে, শুধু তুরস্কের জন্য নয়, বিশ্বের অনেক দেশের ক্ষেত্রেও। ফিদান বলেন, ইসরাইলের সামরিক অভিযান চলতে থাকলে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের কোনো বাস্তব সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেন, ইউরোপীয় মানবাধিকার সংগঠন ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে নেতানিয়াহু সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধিতা বাড়ছে। ইউরোপীয় নেতারা এখন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা ছবি তুলতে অনীহা প্রকাশ করছেন, কারণ এটি রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তিনি আরও বলেন, নেতানিয়াহুর যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সফর করার সক্ষমতা কমে যাচ্ছে এবং এমনকি ঘনিষ্ঠ মিত্ররাও এখন সতর্ক। ফিদানের মতে, তুরস্কের অবস্থান আবেগপ্রবণ নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া। অনেক দেশ প্রকাশ্যে ইসরাইলের বিরোধিতা করছে, আবার কেউ কেউ নীরবে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ এড়িয়ে চলছে।

Card image

আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের পতাকা এখন তাদের পুত্র তারেক রহমানের হাতে ন্যস্ত হয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এই দায়িত্ব যেমন গর্বের, তেমনি এটি এক গভীর চ্যালেঞ্জও। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়ার সন্তান হওয়া গৌরবের হলেও এটি একই সঙ্গে ভয় ও শঙ্কার বিষয়, কারণ বাংলাদেশের মানুষ সবসময় তারেক রহমানকে তার পিতা-মাতার সঙ্গে তুলনা করবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার পঙক্তি উদ্ধৃত করে তিনি প্রার্থনা করেন, আল্লাহ যেন তারেক রহমানকে এই ঐতিহাসিক পতাকা বহনের শক্তি ও সামর্থ্য দান করেন। মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া বাংলাদেশের শত বছরের ইতিহাসে একমাত্র স্বামী-স্ত্রী, যারা সারাজীবন জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। তিনি একে বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

Card image

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত ছিল। শুক্রবার রাজধানীর গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে তাঁর স্মরণে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। রিজভী বলেন, আপস না করার কারণেই খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন কারাবরণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে এবং তিনি গোটা জাতির কাছে আলোর দিশারি ছিলেন। তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার জীবনসংগ্রাম ছিল বিস্তৃত ও বৈপ্লবিক, যার রাজনৈতিক ও কর্মজীবন নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। রিজভীর মতে, তাঁর মৃত্যুর পর যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা শুধু একটি দলের নয়, পুরো জাতির জন্য ক্ষতি। রিজভী আরও অভিযোগ করেন, সরকারি ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের স্বার্থে আওয়ামী সরকার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে, যা খালেদা জিয়া কখনো করতেন না। তিনি দাবি করেন, দেশের কয়লা ও গ্যাসসম্পদ দখলে নিতে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলো এখনো ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে, যার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া সবসময় আপসহীন ছিলেন।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।