Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রুশ বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলা জোরদারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ২৬ জানুয়ারি সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ইউক্রেনীয় ইউনিটগুলোর লক্ষ্য হবে এমন পর্যায়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো, যাতে রাশিয়ার মাসিক ক্ষয়ক্ষতি তাদের শক্তিবৃদ্ধির সংখ্যার চেয়ে বেশি হয়। তিনি প্রতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার রুশ সেনার ক্ষয়ক্ষতির লক্ষ্য নির্ধারণের কথা জানান। জেলেনস্কি ভিডিও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ৩৫ হাজার রুশ সেনা হতাহত হয়েছে, নভেম্বরে ৩০ হাজার এবং অক্টোবরে ২৬ হাজার। ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ওলেক্সান্দ্র সিরস্কি জানান, ডিসেম্বর মাসে ৩৩ হাজারের বেশি রুশ সেনা নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের দাবি, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ১২ লাখ রুশ সেনা নিহত বা পঙ্গু হয়েছে, আর ইউক্রেনের হতাহতের সংখ্যা ৬ লাখ, যার মধ্যে ১ লাখ ৪০ হাজার নিহত। সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজও অনুরূপ পরিসংখ্যান দিয়েছে, তবে আলজাজিরা কোনো পক্ষের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। বর্তমানে যুদ্ধ অচলাবস্থায় রয়েছে, রাশিয়া নতুন ভূখণ্ড দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Card image

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে এক পথসভায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব স্থানীয় ভোটারদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দখলদারি, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত গৌরীপুর গড়তে হলে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইনের বিকল্প নেই। রাকিব আশা প্রকাশ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গৌরীপুরসহ সারাদেশে ধানের শীষের ঐতিহাসিক বিজয় উদ্‌যাপিত হবে। গৌরীপুর পৌর এলাকার উত্তর বাজারের স্টেশন রোড মোড়ে অনুষ্ঠিত এ পথসভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরুজ্জামান সোহেল। ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম ইকবাল হোসেইনও সভায় বক্তব্য দেন। এতে ময়মনসিংহ উত্তর ও দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল, বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও এম ইকবাল হোসেইন গৌরীপুরের শ্যামগঞ্জ, কাউরাট ও গোবিন্দপুরসহ বিভিন্ন এলাকায়ও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে পথসভা করেন।

Card image

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম আবারও আলোচনায় এসেছেন বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারে অংশ নিয়ে। গত বৃহস্পতিবার কাট্টলী এলাকায় অনুষ্ঠিত এই সভায় সীতাকুণ্ড ও মহানগর বিএনপির নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। ২০১০ সালে বিএনপির মনোনয়নে মেয়র নির্বাচিত হওয়া মনজুর পরবর্তীতে রাজনীতি থেকে অবসর ঘোষণা করেছিলেন এবং পরে আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। জুলাই বিপ্লবের পর তিনি শেখ রাসেলের নামে নির্মিত স্টেডিয়ামের নাম পরিবর্তন করে মোস্তফা হাকিম স্টেডিয়াম রাখেন এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্মরণসভা আয়োজন করেন। তার কর্মী-সমর্থকেরা দাবি করছেন, বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেবেন এবং পরবর্তী সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তবে চট্টগ্রাম বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন, তিনি কেবল প্রচারে সহায়তা করছেন, দলে যোগ দেননি। মনজুর আলম বলেছেন, তিনি রাজনীতিবিদের পাশাপাশি সমাজসেবক এবং খালেদা জিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকেই বিএনপিকে ক্ষমতায় ফেরাতে কাজ করছেন, তবে এখনই দলে ফেরার কোনো সিদ্ধান্ত নেননি।

Card image

ভারতে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারে শিল্প, সাহিত্য ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে মোট ১৩৩ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র পাঁচজন মুসলিম ব্যক্তিত্ব রয়েছেন, যাদের অবদান প্রশংসিত হলেও সংখ্যাগতভাবে তা খুবই সীমিত। দক্ষিণ ভারতের চলচ্চিত্র তারকা মামুট্টি পদ্মভূষণ পেয়েছেন, আর রাজস্থানের গাফফারুদ্দিন মেওয়াতি যোগী ও গুজরাটের হাজিভাই কাসামভাই প্রান্তিক সংস্কৃতি রক্ষায় অবদানের জন্য পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ মুসলিম হলেও পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে তাদের প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত কম। এই বৈষম্য জাতীয় স্বীকৃতির অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষ করে যখন সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতার খবর প্রায়ই শিরোনামে আসে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জাতীয় পুরস্কার কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং রাষ্ট্রের বৈচিত্র্য ও সহাবস্থানের প্রতীক হওয়া উচিত। প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দেয় যে এই সীমিত প্রতিনিধিত্ব প্রশাসনিক উদাসীনতার প্রতিফলন হতে পারে এবং সমাজে আস্থা ও সংহতি জোরদার করতে রাষ্ট্রকে আরও সমতাভিত্তিক স্বীকৃতি প্রদানের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Card image

৩০ জানুয়ারি কুমিল্লা টাউন হল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভায় এনসিপির দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা-৪ আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বক্তব্য দেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু টেলিভিশন চ্যানেল আগে আওয়ামী লীগের পক্ষপাত করলেও এখন বিএনপির ছায়াতলে আশ্রয় নিয়েছে। তিনি সময় টিভি, একাত্তর টিভি ও ডিবিসির নাম উল্লেখ করে বলেন, এই চ্যানেলগুলো দীর্ঘ ১৭ বছর তারেক রহমানকে দেশদ্রোহী হিসেবে উপস্থাপন করেছে, অথচ এখন তার সঙ্গেই রয়েছে। তিনি ঘোষণা দেন, তাদের দল আবারও এই ‘দালাল মিডিয়া’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, একটি দল নারীদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিলেও তাদের কর্মীরা নারীদের হুমকি দিচ্ছে এবং হিজাব খুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারে নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের মাধ্যমে নিজেদের জনগণের বন্ধু হিসেবে প্রমাণ করতে। সমাবেশে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Card image

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনার জন্য ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের তিনি জানান, আলোচনায় ইরানের কোনো সমস্যা নেই, তবে হুমকির মুখে কোনো আলোচনা হতে পারে না। আংকারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই মন্তব্য করেন। আরাগচি বলেন, ইরানের মিসাইল ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরানি জনগণের নিরাপত্তা অন্য কারো বিষয় নয় এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজন অনুযায়ী প্রতিরক্ষা সক্ষমতা সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ করা হবে। তার ভাষায়, কোনো দেশই নিজের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করে না; ইরান যেমন আলোচনার জন্য প্রস্তুত, তেমনি যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করেছেন, ইরান আলোচনায় না ফিরলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। আট বছর পর প্রথমবারের মতো কোনো ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চীন সফরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সফরে উভয় পক্ষই সম্পর্কোন্নয়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন এবং একাধিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মধ্যে রয়েছে স্বল্পমেয়াদি ভিসামুক্ত ভ্রমণ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও মানব পাচার মোকাবিলায় সহযোগিতা। যুক্তরাষ্ট্রের নীতিগত অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে ইউরোপ ও পশ্চিমা বিশ্বের আরও কয়েকজন নেতা সম্প্রতি বেইজিং সফর করেছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী। স্টারমার জানান, ২০২১ সালে মানবাধিকার ইস্যুতে আরোপিত ব্রিটিশ সংসদ সদস্যদের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়। ডাউনিং স্ট্রিট জানায়, এই সফরে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো প্রায় ২.২ বিলিয়ন পাউন্ডের রপ্তানি চুক্তি করেছে এবং আগামী পাঁচ বছরে আরও ২.৩ বিলিয়ন পাউন্ডের বাজারসুবিধা পাবে।

Card image

বাংলাদেশে আসন্ন সংসদ নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। প্রচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই অন্তত ১০টি জেলায় সংঘর্ষ, প্রার্থীদের ওপর হামলা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে। শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এসব সহিংসতা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে এবং নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। প্রচার শুরুর প্রথম দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে আচরণবিধি মানার আহ্বান জানিয়েছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন এলাকায় প্রচারে বাধা, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্তেজনা সরাসরি সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের পর গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসায় এই নির্বাচনকে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব রাজনৈতিক দলকে সহিংসতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম আরও দৃশ্যমান ও কার্যকর করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে কার্যকর নজরদারির ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

Card image

দক্ষিণ আফ্রিকা ইসরাইলি কূটনীতিক এরিয়েল সিডম্যানকে বহিষ্কার করেছে এবং তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি ঘোষণা করেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বিভাগ শুক্রবার জানায়, ইসরাইলি দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স সিডম্যানকে দেশ ছাড়ার জন্য ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে কূটনৈতিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিভাগের বিবৃতিতে বলা হয়, সিডম্যান সামাজিক মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার বিরুদ্ধে অপমানজনক আক্রমণ চালিয়েছেন এবং ঊর্ধ্বতন ইসরাইলি কর্মকর্তাদের কথিত সফর সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে ইচ্ছাকৃতভাবে অবহিত করেননি। বিবৃতিতে এই কর্মকাণ্ডকে কূটনৈতিক বিশেষাধিকারের চরম অপব্যবহার এবং ভিয়েনা কনভেনশনের মৌলিক লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আস্থা ও প্রোটোকলকে ক্ষুণ্ন করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ইসরাইল সরকারকে ভবিষ্যতে তাদের কূটনৈতিক আচরণে প্রজাতন্ত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পৃক্ততার প্রতিষ্ঠিত নীতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে।

Card image

কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় নর্থ কিভু প্রদেশের রুবায়ায় কোল্টান খনি ধসে দুই শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রাদেশিক রাজধানী গোমা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খনিটি বুধবার ধসে পড়ে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত নয়। নর্থ কিভু প্রদেশে এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিযুক্ত গভর্নরের মুখপাত্র লুমুম্বা কাম্বেরে মুইসা জানান, ধসের পর কিছু মানুষকে সময়মতো উদ্ধার করা হয়েছে এবং প্রায় ২০ জন আহতকে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এম২৩ নিযুক্ত গভর্নর ইরাস্তন বাহাতি মুসাঙ্গা শুক্রবার এএফপিকে বলেন, কয়েকজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তবে মোট নিহতের সংখ্যা তিনি জানাননি। প্রাদেশিক গভর্নরের এক উপদেষ্টা রয়টার্সকে জানান, মৃতের সংখ্যা দুই শতাধিক হতে পারে। খনিশ্রমিক ফ্রাংক বলিঙ্গো বলেন, এখনো অনেকেই খনির ভেতরে আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Card image

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার তঘলি গ্রামের কৃষক সেলিম মিয়া থাইল্যান্ড-ভিয়েতনামে জনপ্রিয় সবজি স্কোয়াশ চাষে সফল হয়েছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে তিনি শীত মৌসুমে ১৩ শতক জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে স্কোয়াশ চাষ করেন। এতে তার খরচ হয় প্রায় আট হাজার টাকা এবং তিনি আশা করছেন ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার স্কোয়াশ বিক্রি করতে পারবেন। বীজ বপনের দেড় মাস পর গাছে ফল আসতে শুরু করে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীমুল হক শামীম জানান, তিনি সার্বিকভাবে পরামর্শ দিয়েছেন এবং সেলিম মিয়ার সফলতা দেখে অন্য কৃষকরাও স্কোয়াশ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় কর অপু বলেন, স্কোয়াশ বিদেশি সবজি হলেও যারা চাষ করেছেন তারা লাভবান হয়েছেন। তিনি জানান, আগামী মৌসুমে স্কোয়াশসহ ব্রকলি, ক্যাপসিকাম ও রেড ক্যাবেজের মতো বিদেশি সবজি চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। চিন্ময় কর অপু আরও বলেন, স্কোয়াশে ভিটামিন এ, সি, ই, বি-৬ এবং ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রনসহ নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে। নিয়মিত স্কোয়াশ খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং ডায়াবেটিস, ক্যানসার ও হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

Card image

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত এক লেখায় বলেছেন, বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনা টেকসইভাবে আধুনিকায়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) ও আন্তঃসরকার (জি-টু-জি) কনসেশন মডেল সবচেয়ে কার্যকর সমাধান। তাঁর মতে, এই কাঠামো প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সরকারের ঋণভার কমিয়ে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থনৈতিক রূপান্তর পরিকল্পনায় মেরিটাইম খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অংশ হিসেবেই এই প্রস্তাব এসেছে। মনিরুজ্জামান উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯২ শতাংশের বেশি চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সম্পন্ন হয়, তাই এর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন জরুরি। তাঁর মতে, পিপিপি ও জি-টু-জি কাঠামো প্রচলিত ওপেন টেন্ডার পদ্ধতির তুলনায় বেশি কার্যকর, কারণ এতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, ঝুঁকি বণ্টন ও আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়। বাধ্যতামূলক সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নিট প্রেজেন্ট ভ্যালু মানদণ্ড প্রকল্পের আর্থিক নিরাপত্তা রক্ষা করে। তিনি বলেন, এই মডেল বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান অর্জন করবে, টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ পাবে এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে বিশ্বমানের লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে পারবে।

Card image

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে পাঁচটি স্বর্ণের বারসহ ফয়সাল হাসান (২৬) নামে এক যুবককে আটক করেছে বিজিবি। জব্দকৃত স্বর্ণের মূল্য ৭৭ লাখ ৫৩ হাজার টাকা। শুক্রবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহেশপুর উপজেলার খোশালপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। বিজিবি জানায়, এসব স্বর্ণ ভারতে পাচারের চেষ্টা হচ্ছিল। মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সি ইমদাদুর রহমান জানান, খোশালপুর ব্রিজের ওপর চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশির সময় ফয়সালের কোমর থেকে চারটি স্বর্ণের বার ও একটি ছোট টুকরা উদ্ধার করা হয়। পরে আটক যুবক, তার মোবাইল ফোন ও ব্যবহৃত বাইসাইকেল মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। মহেশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে এবং জব্দকৃত স্বর্ণ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

Card image

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ও ভারতের কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের একচেটিয়া প্রভাব কমে গেছে এবং দুই দেশের মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া প্রায় বন্ধ, প্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানিতেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে। লেখকের দাবি, ভারত অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে এবং আগরতলায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের হামলা কূটনৈতিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে অবিশ্বাসের মূল কারণ নিরাপত্তা-ভীতি, হিন্দুত্ববাদ এবং আগ্রাসী নেতৃত্ব। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করছে এবং তুরস্ক, পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যুদ্ধবিমান ও সামরিক ড্রোন প্রকল্প। লেখক সার্ক পুনরুজ্জীবন, জাতীয় নিরাপত্তা রূপরেখা প্রণয়ন এবং ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সহায়ক হবে।

Card image

সাংবাদিক এলাহী নেওয়াজ খানের বিশ্লেষণধর্মী লেখায় বাংলাদেশের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও নির্বাচনী ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, যেখানে মানবতাবিরোধী অপরাধের কারণে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। লেখক বলেন, এই প্রেক্ষাপটে দেশবাসী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে নির্বাচনের তাৎপর্য দেখতে। লেখায় ১৯৪৬ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন থেকে শুরু করে ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচন, স্বাধীনতার পরের রাজনৈতিক উত্থান-পতন এবং বিভিন্ন সময়ের কারচুপি ও স্বৈরশাসনের ঘটনাগুলো বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। লেখক মনে করেন, সামরিক ও বেসামরিক উভয় শাসনই গণতন্ত্রকে দুর্বল করেছে এবং জনগণের আস্থা নষ্ট করেছে। তিনি সতর্ক করেন যে, বর্তমানে আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিভাজন দেখা দিয়েছে। এই বিভাজন অব্যাহত থাকলে তাদের দুর্বলতা ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।