Web Analytics
logo
নোটিশঃ একনজরের সবগুলো মডিউল এখনো একটিভেট না হওয়াতে শুধুমাত্র নিউজগুলো দেখাচ্ছে ফিডে। সবগুলো মডিউল একটিভ করার পর পুরো প্লাটফর্মের সকল একটিভিটিস/আপডেট এখানে ফিড হিসেবে দেখাবে। আমরা আসছি, অনেক কিছু নিয়ে। অপেক্ষায় থাকুন!

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারাদেশে ১ লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে। সোমবার বরিশাল শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। এছাড়া ১.৫ লাখ পুলিশ, ৫ হাজার নৌবাহিনী, ৩৭ হাজার বিজিবি, ১০ হাজার র‍্যাব, ৫ হাজার কোস্টগার্ড ও প্রায় ৬ লাখ আনসার সদস্যও দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে এবং সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। উপকূলীয় এলাকায় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এবার বিএনসিসি সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচনে বডি ক্যামেরা, সিসি ক্যামেরা, ড্রোন ও সুরক্ষা অ্যাপ ব্যবহার করা হবে যাতে অপরাধ প্রতিরোধ করা যায়। মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি এবং বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার সরকারি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Card image

পবিত্র রমজান মাসে ভোক্তাদের স্বস্তি দিতে ন্যায্যমূল্যে গরুর মাংসসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৬৫০ টাকা, প্রক্রিয়াজাত মুরগির মাংস ২৫০ টাকা, প্রতি লিটার দুধ ৮০ টাকা এবং প্রতিটি ডিম ৮ টাকায় বিক্রি করা হবে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ন্যায্যমূল্যের পণ্য বিক্রির পরিসর বাড়ানো হচ্ছে। তার তত্ত্বাবধানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ৪৮টি বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবু সুফিয়ান বলেন, রমজানে রোজাদারদের ভোগান্তি লাঘবে সরকার প্রতিবছরের মতো এবারও ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা করেছে। তিনি আরও জানান, চলতি বছর গত বছরের তুলনায় বেশি স্থানে এসব পণ্য বিক্রি নিশ্চিত করা হবে।

Card image

রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ সতর্ক করেছেন যে, পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি ‘নিউ স্টার্ট’ নবায়ন না হলে বিশ্ব নতুন ঝুঁকির মুখে পড়বে। মস্কোর বাইরে নিজের বাসভবনে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ১৯৭০-এর দশকের পর এই প্রথমবারের মতো বৃহত্তম পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর অস্ত্রভাণ্ডারে কোনো সীমা নাও থাকতে পারে। ২০১০ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও মেদভেদেভের স্বাক্ষরিত এই চুক্তিতে উভয় পক্ষের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা ১,৫৫০-এ সীমাবদ্ধ করা হয়েছিল। এটি ৫ ফেব্রুয়ারি মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাচ্ছে, এবং রাশিয়ান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুতিনের এক বছরের জন্য সীমা বজায় রাখার প্রস্তাবে ওয়াশিংটনের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। মেদভেদেভ বলেন, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তিগুলি শুধু অস্ত্রের সংখ্যা সীমিত করতেই নয়, বরং পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে আস্থা ও যাচাই প্রক্রিয়া বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “বিপর্যয়ের ঘড়ি টিক টিক করছে” এবং দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, তিনি চান চুক্তির মেয়াদ শেষ হোক। ২০২৩ সালে ইউক্রেনের প্রতি মার্কিন সমর্থনের কারণে রাশিয়া চুক্তিতে অংশগ্রহণ স্থগিত করে, যা ভবিষ্যতে পারমাণবিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

Card image

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে এগোতে দিতে চায় না এবং দেশটিকে আফগানিস্তান বানাতে চায়। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ের ঢোলারহাট ইউনিয়নে নিজ নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগকালে তিনি এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, জামায়াত নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের বিরোধিতা করে এবং মেয়েদের ঘরে বসে থাকতে চায়। জামায়াত আমিরের সাম্প্রতিক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টের প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমির যদি নারী-বিদ্বেষী মন্তব্য করে থাকেন, তবে তা অন্যায়। তিনি আরও বলেন, যাদের কাছে নারীর প্রতি সম্মান নেই, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়। বিএনপি মহাসচিব আরও অভিযোগ করেন, জামায়াত হিন্দু সম্প্রদায়কে হুমকি দিচ্ছে এবং সবাইকে নির্ভয়ে চলার আহ্বান জানান। ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী হিসেবে তিনি বলেন, দেশে এখন ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ এসেছে। বিএনপি সব দলের অংশগ্রহণে একটি সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ চায় এবং ভোটারদের আহ্বান জানান যেন তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিএনপিকে সরকার গঠনে সহায়তা করেন।

Card image

বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, ইনডোর বা কৃত্রিম পদ্ধতিতে ইলিশ চাষের জন্য সরকারের কোনো অনুমোদন নেই। সোমবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মন্ত্রণালয় জনগণ ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য বা গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানায়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইলিশের কৃত্রিম চাষ নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনডোর পরিবেশে ইলিশ চাষের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। সভায় উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা অংশ নেন। আলোচনায় উঠে আসে যে, ইলিশ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য এবং এর উৎপাদন প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র ও নদীনির্ভর পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল। মন্ত্রণালয় জানায়, ইলিশ সংক্রান্ত যেকোনো গবেষণা বা পরীক্ষামূলক কার্যক্রম বিদ্যমান আইন, নীতিমালা ও জাতীয় স্বার্থের আলোকে এবং সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে পরিচালিত হতে হবে। অনুমোদনবিহীন কোনো কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য নয়।

Card image

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে দেশব্যাপী প্রচারণা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি রিফাত রশীদ এ কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ভোটকেন্দ্রে সংগঠিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এজেন্ট নিয়োগ ও তালিকা প্রকাশ করা হবে। রিফাত রশীদ বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে রয়েছে। তিনি ক্ষমতালোভী গোষ্ঠীগুলোর কারণে রাষ্ট্রের বারবার সংকটে পড়ার সমালোচনা করেন এবং ঐক্যমত্য কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবগুলো সাধারণ মানুষের কাছে অস্পষ্ট বলে মন্তব্য করেন। তার মতে, অন্তর্বর্তী সরকার ও কমিশন ব্যর্থ হলেও গণভোট আংশিক সংস্কারের সুযোগ এনে দিয়েছে। ৩ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, ময়মনসিংহ, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় ‘ইয়েস র‍্যালি’ ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। রিফাত রশীদ বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোটে বিজয় ভবিষ্যৎ সংস্কারের নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলবে এবং জনগণের ভোটাধিকার রক্ষায় সহায়ক হবে।

Card image

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বিএনপির ২৮ জন নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতদের মধ্যে নোয়াখালী, পটুয়াখালী ও পিরোজপুর জেলার জেলা, উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নেতারা রয়েছেন। তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দল মনোনীত প্রার্থীর বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছেন। দলীয় সূত্র জানায়, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সংগঠনবিরোধী হওয়ায় দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ও তাদের পক্ষে কাজ করার কারণে আরও অনেক নেতার বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

Card image

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদ মর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, লাগামহীন ক্ষমতার অপব্যবহার বন্ধ করে রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, যেন তারা দেশের প্রতিটি প্রান্তে এ সনদের বার্তা পৌঁছে দেয় এবং গণভোটে অংশগ্রহণে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে। তিনি বলেন, এ অঞ্চলের প্রায় দেড়লাখ শিক্ষার্থী যদি প্রত্যেকে পাঁচজনকে পরিবর্তনের পক্ষে ভোট দিতে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন, তাহলে ছয় লাখ মানুষের রায় পাওয়া সম্ভব। একইভাবে, এক লাখের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী আরও পাঁচ লাখ মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে পারেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জুলাই সনদের লক্ষ্য হলো ব্যক্তিকেন্দ্রিক স্বৈরাচার রোধ করা এবং শহীদদের ত্যাগকে অর্থবহ করা। আলী রীয়াজ প্রস্তাবিত সংস্কারের কথা উল্লেখ করে বলেন, সংবিধানে ১০০ আসনের উচ্চকক্ষ গঠনের প্রস্তাব রয়েছে, যেখানে সংখ্যানুপাতে প্রতিনিধিত্ব থাকবে এবং সংবিধান সংশোধনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন প্রয়োজন হবে। তিনি জনগণকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রকে জবাবদিহির আওতায় আনতে আহ্বান জানান।

Card image

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত নথিতে দেখা গেছে, মক্কার কাবা শরিফের গিলাফ বা কিসওয়া সম্পর্কিত একটি পবিত্র কাপড়ের চালান ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছিল এবং তা পরে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের কাছে পৌঁছায়। ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত-সংশ্লিষ্ট যোগাযোগের মাধ্যমে এই চালানটি সমন্বয় করা হয়েছিল। ফেব্রুয়ারি ও মার্চ ২০১৭ সালের চিঠিপত্র অনুযায়ী, আমিরাতি ব্যবসায়ী আজিজা আল-আহমাদি ও আবদুল্লাহ আল-মারিই কিসওয়া সম্পর্কিত তিনটি টুকরো পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিসওয়া হলো কালো রঙের সোনালি কারুকাজ করা কাপড়, যা কাবাকে আবৃত করে রাখে এবং প্রতিবছর এটি পরিবর্তন করা হয়। প্রকাশিত ইমেইলে দেখা যায়, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে ফ্লোরিডায় এয়ার ফ্রেইটে চালান পাঠানো হয়, যেখানে ইনভয়েস, কাস্টমস ও ডেলিভারি নিয়ে বিস্তারিত সমন্বয় ছিল। নথিতে বলা হয়েছে, তিনটি অংশের একটি কাবার ভেতরের, একটি ব্যবহৃত বাইরের আবরণ থেকে নেওয়া এবং একটি অব্যবহৃত হলেও একই উপাদানে তৈরি। অব্যবহৃত অংশটিকে “শিল্পকর্ম” হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছিল। পৃথক এক এফবিআই মেমোতে দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি গোয়েন্দাদের সঙ্গে কাজ করতেন।

Card image

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ভয়াবহ তুষারঝড়ে মৃতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়েছে। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে নিউ ইয়র্ক, কেনটাকি ও টেনেসিতে। উত্তর ক্যারোলিনায় তীব্র শীত ও পিচ্ছিল রাস্তায় এক হাজারেরও বেশি যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়েছে এবং একাধিক মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কান্নাপোলিসে ১৪ ইঞ্চি ও শার্লট ও গ্রিনভিলে ১১ ইঞ্চির বেশি তুষারপাত রেকর্ড হয়েছে, যা শার্লট শহরের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ। দক্ষিণ ক্যারোলিনা, জর্জিয়া ও ভার্জিনিয়াতেও উল্লেখযোগ্য তুষারপাত হয়েছে। উত্তর ক্যারোলিনার গভর্নর জোশ স্টেইন জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ফ্লোরিডায় গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে, যেখানে ভেরো বিচ ও মেলবোর্নে তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৭ ও ২৬ ডিগ্রিতে নেমে এসেছে, যা কয়েক দশকের ফেব্রুয়ারির রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। পূর্ব উপকূলে ঘণ্টায় ২০ থেকে ৩০ মাইল বেগে বাতাস বইছে, যা শীতের তীব্রতা বাড়িয়েছে। তবে নতুন সপ্তাহে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে এবং বাতাসের গতি কমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

Card image

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) জানিয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরের ৩৬ দিনে সারাদেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। সোমবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে ৪০১টি রাজনৈতিক সহিংসতায় ১০২ জন নিহত হয়েছেন এবং ১,৩৩৩টি আগ্নেয়াস্ত্র নিখোঁজ হয়েছে। টিআইবি সতর্ক করেছে, থানায় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নতুন অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ সহিংসতার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় সহিংসতা, নেতাকর্মীদের হেনস্থা, সম্ভাব্য প্রার্থীদের ওপর হামলা এবং সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ৫০টিরও বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে। জুলাই আন্দোলনের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে আইনি প্রক্রিয়া লঙ্ঘনের অভিযোগও তোলা হয়। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান সতর্ক করেছেন, সরকার মব সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এর প্রভাব পড়তে পারে। সংস্থাটি বলেছে, সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও তোষণমূলক অবস্থান অতি ক্ষমতায়নের ঝুঁকি তৈরি করছে।

Card image

২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত তোফায়েল আরিফের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে পাবলিক ইন্টারনেট ব্যবহারের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মল, হাসপাতাল ও পার্কে সহজলভ্য ফ্রি ওয়াইফাই নেটওয়ার্কগুলোতে সাধারণত শক্ত নিরাপত্তা যাচাই থাকে না। একই পাসওয়ার্ডে একাধিক ব্যবহারকারী সংযুক্ত হওয়ায় এসব উন্মুক্ত নেটওয়ার্কে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি ও হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দুর্বল এনক্রিপশন, ম্যান ইন দ্য মিডল আক্রমণ, ভুয়া ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক, সোশ্যাল মিডিয়া ও ইমেইল হ্যাক, আর্থিক তথ্য ফাঁস, ম্যালওয়্যার সংক্রমণ এবং ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মতো ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা সচেতনতা কম থাকায় তারা সহজেই প্রতারণার শিকার হয়। বাংলাদেশে সাইবার সচেতনতা কম, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন ব্যবহারে অনীহা থাকায় ঝুঁকি আরও বাড়ছে। তোফায়েল আরিফ পরামর্শ দিয়েছেন, পাবলিক ওয়াইফাইতে ব্যাংকিং বা সংবেদনশীল কাজ না করতে, অটোকানেক্ট বন্ধ রাখতে, HTTPS ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে, লগআউট করতে এবং প্রয়োজনে VPN ব্যবহার করতে। নিয়মিত ডিভাইস ও অ্যাপ আপডেট রাখলে ঝুঁকি অনেকটা কমানো সম্ভব।

Card image

কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর মধ্যে ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমানো এবং ইরান-সংক্রান্ত সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কাতারের আমিরের বিবৃতিতে জানানো হয়, দুই নেতা ইরান পরিস্থিতি ও তা আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কী প্রভাব ফেলতে পারে, সে বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এই আলোচনা এমন সময়ে হয়েছে, যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি দিয়েছেন। ইরানের অভিযোগ, ওয়াশিংটন নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মাধ্যমে অস্থিরতা সৃষ্টি করে সরকার পরিবর্তনের অজুহাত তৈরি করছে। ইরানি কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন, তাদের ওপর যেকোনো হামলা সীমিত হলেও তার জবাব হবে ‘ব্যাপক ও নজিরবিহীন’। এই তথ্য প্রকাশ্য বিবৃতি ও যুক্তরাষ্ট্রের মূল্যায়নের বরাতে জানানো হয়েছে। ফোনালাপে শেখ তামিম ও ম্যাক্রোঁ গাজা পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। তারা যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় বেসামরিকদের সুরক্ষা এবং লেবাননে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন। ২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর যুদ্ধবিরতি ইসরাইলের দুই বছরের হামলা বন্ধ করে, যেখানে ৭১ হাজার ৭০০ জন নিহত ও ১ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ জন আহত হয়েছিল বলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানায়।

Card image

গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চরাঞ্চলের ভোটাররাই জয়-পরাজয়ের মূল নির্ধারক হয়ে উঠতে পারেন। ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীবিধৌত এই অঞ্চলের আটটি চর ইউনিয়নের মানুষের প্রধান দাবি নদীভাঙন রোধ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে জীবনমানের উন্নতি। প্রতি বছর ভাঙনে বসতভিটা, ফসলি জমি, স্কুল ও বাজার হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন বহু পরিবার। চরের ভোটাররা জানিয়েছেন, তারা এমন প্রার্থীকে ভোট দেবেন যিনি এসব সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কাজ করবেন। বিএনপি প্রার্থী ফারুক আলম সরকার নদীতীর সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, পুলিশ ফাঁড়ি ও পর্যটন কেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। জামায়াত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ পশুপালন কেন্দ্র, হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বালাসী-বাহাদুরাবাদ সংযোগে সেতু বা টানেল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা বলেছেন। কৃষি সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও চরাঞ্চলে যোগাযোগ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার ঘাটতি রয়ে গেছে। স্থানীয়দের মতে, টেকসই নদীশাসন ও চর উন্নয়নই এবারের নির্বাচনে ফল নির্ধারণে মুখ্য ভূমিকা রাখবে।

Card image

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) বিভিন্ন প্রকল্পে ছাত্রদল নেতাদের চাঁদাবাজি ও কর্মকর্তাকে হুমকির অভিযোগে শিক্ষার্থীরা রবিবার রাতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। রাত সাড়ে ১০টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে মিছিল শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে সমাবেশে শেষ হয়। শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি ও রাজনৈতিক দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সমাবেশে ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী সৌরভ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় যেন চাঁদাবাজদের আস্থানা না হয়। ওশানোগ্রাফি বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল ইসলাম রাফি হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা করলেও চাঁদাবাজির প্রবণতা বেড়েছে। শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী মুজতবা ফয়সাল নাঈম বলেন, নতুন বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলকেই চাঁদাবাজি বা টেন্ডারবাজি করতে দেওয়া হবে না। এই কর্মসূচি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতির নামে আর্থিক অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ক্রমবর্ধমান ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

Card image

আরো ফিড দেখতে লগইন করুন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।