Web Analytics

বাংলাদেশের দেশীয় বস্ত্রখাত প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ নিয়ে মারাত্মক সংকটে পড়েছে। ভারত থেকে সস্তা সুতা ও নিম্নমানের কাপড়ের আগ্রাসী আমদানি এই সংকটকে গভীর করেছে। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) জানিয়েছে, ২০২২ সালে ভারত থেকে ৪২৯ মিলিয়ন ডলারের সুতা আমদানি হলেও ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলারে, যা দেশের মোট আমদানির ৯৫ শতাংশ। ২০২৪ সালের আগস্টে স্থলপথে সুতা আমদানি নিষিদ্ধ হলেও ভারত সমুদ্রপথে ডাম্পিং দামে সুতা পাঠাচ্ছে, যেখানে প্রতি কেজিতে ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে।

বিটিএমএ ও স্থানীয় মিলমালিকরা জানিয়েছেন, ভারতীয় সুতার আগ্রাসী দামে দেশীয় মিলগুলো টিকতে পারছে না, ফলে গত তিন বছরে ৩০টির বেশি মিল বন্ধ হয়ে গেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কিছু সুতার শুল্কমুক্ত আমদানি বন্ধের প্রস্তাব দিয়েছে, যা স্থানীয় স্পিনাররা স্বাগত জানালেও বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এর বিরোধিতা করছে। তাদের মতে, এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে এবং রপ্তানি প্রতিযোগিতা কমবে।

শিল্প সংশ্লিষ্টরা দ্রুত নীতি সহায়তা, ব্যাংক ঋণের হার হ্রাস এবং স্থলবন্দরে কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন, যাতে দেশীয় বস্ত্রখাত টিকে থাকতে পারে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।