জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ সীমান্তে ভারতের মেঘালয় ও আসাম ঘেঁষা এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা এখন সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির সঙ্গে একত্রে পাহারা দিচ্ছেন। বিএসএফের পক্ষ থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশইনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তারা রাতভর টহল, তথ্য সরবরাহ ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন। সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে দলবদ্ধভাবে অবস্থান নিয়ে তারা যেন অঘোষিত অতন্দ্র প্রহরীতে পরিণত হয়েছেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা জানান, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া ও পর্যাপ্ত আলোর অভাবের কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকি রয়েছে। বিএসএফ আলো বন্ধ করে দিলে পুরো এলাকা অন্ধকারে ঢেকে যায়, তখনই পুশইনের চেষ্টা হয়। তারা সীমান্ত সুরক্ষায় বাজেট ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান সীমান্তবাসীর সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, জনগণের সহায়তায় সীমান্ত রক্ষা আরও শক্তিশালী হয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত রক্ষার দায় রাষ্ট্রের হলেও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও দৃঢ় করে। বিজিবি ও সীমান্তবাসীর এই ঐক্য দেশপ্রেম ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।