২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ কে করাবেন তা নিয়ে বাংলাদেশে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা দেখা দিয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় কারাবন্দি ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকুকে জামিন বা প্যারোলে মুক্তি দিয়ে শপথ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে বিজয়ী বিএনপি জানিয়েছে, তারা আওয়ামী লীগ সরকারের কারও কাছ থেকে শপথ নেবে না। বিকল্প ব্যবস্থা না পাওয়া গেলে সংবিধান অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের কাছেই এমপিরা শপথ নিতে পারেন।
অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আইনি ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকার টুকুর কারাবাসের কারণে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বিকল্প আইনি পথ হিসেবে প্রধান বিচারপতি বা রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ করানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে।
সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠানের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার রমজানের আগে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় এবং বিএনপি ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন সরকার গঠনের পরিকল্পনা করছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।