বগুড়ার শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ৯ গ্রামে মিল-কারখানা ও বন্ধ কালভার্টের কারণে প্রায় পাঁচ বছর ধরে স্থায়ী জলাবদ্ধতা চলছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বর্ষায় দুর্ভোগ বেড়েছে; মসজিদ, বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামীণ সড়ক পানিতে ডুবে আছে। ঘরে পানি ওঠায় অনেক পরিবার পৈতৃক ভিটা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে।
মির্জাপুর, রামচরণমুকুন্দ, দড়িমুকুন্দ, কানাইকান্দর, রাজবাড়ী, হাতিগাড়া, আড়ংশাইল, মদনপুর ও কৃষ্ণপুর গ্রামের অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দি। শিশুদের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়েছে এবং বদ্ধ নোংরা পানির কারণে চর্মরোগসহ পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর কথা জানানো হয়েছে। প্রায় পাঁচ হাজার বিঘা জমি অনাবাদি রয়েছে; সেখানে আগে বিঘাপ্রতি ২০ থেকে ২৫ মণ বোরো ধান উৎপাদিত হতো।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন, তাঁদের ৬০ বিঘা জমি চার বছর ধরে পানির নিচে এবং বছরে প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান জানান, পরিদর্শন শেষে সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।