প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প লিবিয়ার তেল খাতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের ক্ষমতাসীন পক্ষগুলোর মধ্যে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়েছেন। ১৮ জুন লিবিয়ার তিন প্রধান রাজনৈতিক গোষ্ঠী ক্ষমতা ভাগাভাগি নিয়ে একটি চুক্তি করে, যাতে ২০২৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারির আগে প্রেসিডেন্ট ও পার্লামেন্ট নির্বাচনের রূপরেখা রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের আরব ও আফ্রিকাবিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা মাসাদ বুলোস এ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
চুক্তির কাঠামো গত এপ্রিলে গৃহীত ৩০ বিলিয়ন ডলারের একীভূত রাষ্ট্রীয় বাজেটের ভিত্তিতে তৈরি। লক্ষ্য হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে দৈনিক তেল উৎপাদন দ্বিগুণ করে ৩০ লাখ ব্যারেলে উন্নীত করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল করপোরেশনকে একীভূত ও গোষ্ঠীগত হস্তক্ষেপমুক্ত করা গেলে উৎপাদন দৈনিক ১ দশমিক ৫ মিলিয়ন ব্যারেল ছাড়াতে এবং রাষ্ট্রীয় আয় ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
তবে সুশীল সমাজ, উপজাতি, মিলিশিয়া, নারী ও তরুণদের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় চুক্তিটি নিয়ে সংশয় রয়েছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর বদলে নির্দিষ্ট ক্ষমতাধর ব্যক্তি ও পরিবারের সমঝোতাকেন্দ্রিক। রাশিয়া উদ্যোগটিকে বার্লিন প্রক্রিয়া পাশ কাটানোর চেষ্টা হিসেবে দেখছে; আলজেরিয়া ও তিউনিসিয়া লিবিয়ার নিজস্ব মালিকানা ও নেতৃত্বের ওপর জোর দিয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।