উচ্চ বাণিজ্য ব্যয়, ধীরগতির বন্দর কার্যক্রম ও দুর্বল লজিস্টিক অবকাঠামোর কারণে বৈশ্বিক রপ্তানি সক্ষমতায় ভারত ও ভিয়েতনামের তুলনায় পিছিয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ঢাকায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘বাণিজ্যনির্ভর বাংলাদেশের জন্য সমন্বিত বন্দর এবং লজিস্টিকস খাতের উন্নয়ন’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলেন, কাস্টমস জটিলতা, পরিবহন বিলম্ব ও আধুনিক সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতি বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা কমিয়ে দিচ্ছে।
আলোচনায় জানানো হয়, বৈশ্বিক লজিস্টিক সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৮তম, যেখানে ভারত ৩৮তম ও ভিয়েতনাম ৪৩তম। শুল্ক কার্যক্রমে বাংলাদেশ ১০১তম স্থানে এবং অবকাঠামোগত সক্ষমতায় ১০৮তম। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, অদক্ষ লজিস্টিক কাঠামো ও উচ্চ ব্যবসা ব্যয় দেশের বাণিজ্য সম্ভাবনাকে সীমিত করছে।
বক্তারা দ্রুত জাতীয় লজিস্টিক নীতিমালা বাস্তবায়ন, আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, এআই, ব্লকচেইন ও ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থার মাধ্যমে পণ্য খালাসের সময় কমিয়ে রপ্তানি প্রতিযোগিতা বাড়ানো সম্ভব।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।