ক্রমবর্ধমান বাজেট ঘাটতি ও সরকারি ঋণের চাপে পড়ছে জি-৭-এর উন্নত অর্থনীতিগুলো। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সংস্থাটির বার্ষিক সভায় প্রধান অর্থনীতিগুলোর অবনতিশীল আর্থিক পরিস্থিতি মোকাবিলার ওপর জোর দিয়েছেন। আইএমএফের ধারণা, জি-৭ দেশগুলোর বাজেট ঘাটতি জিডিপির ৬ শতাংশের ওপরে স্থিতিশীল হতে পারে, যা মহামারির আগের পূর্বাভাসের দ্বিগুণেরও বেশি।
জি-৭-এর মধ্যে কানাডা ও জার্মানির সরকারি ঋণ তুলনামূলক কম এবং তাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সংযত বলে বিবেচিত হচ্ছে। উচ্চ সরকারি ঋণ থাকা সত্ত্বেও জাপান নিয়মিতভাবে বাজেট ঘাটতির পূর্বাভাসের চেয়ে ভালো ফল করছে; এতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কঠোর নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ইতালি সুদ পরিশোধের ব্যয় বাদ দিয়ে প্রাথমিক বাজেট উদ্বৃত্ত বজায় রাখায় তার আর্থিক অবস্থা তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে।
যুক্তরাজ্যের দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি কমানোর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় রয়েছে। ফ্রান্স ও যুক্তরাষ্ট্রকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে রাখা হয়েছে, কারণ তাদের ঘাটতি বেশি, ঋণ দ্রুত বাড়ছে এবং সংস্কারে রাজনৈতিক ঐকমত্য দুর্বল। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে দেশ দুটির ঋণ-জিডিপি অনুপাত জাপানকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। আইএমএফ বলেছে, তাৎক্ষণিক সংকট অনিবার্য নয়, তবে কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে ভবিষ্যতে গুরুতর পরিণতি হতে পারে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।