ভারতে ইথানল উৎপাদন সক্ষমতা দ্রুত বাড়লেও অভ্যন্তরীণ চাহিদা সেই হারে বাড়েনি, ফলে প্রায় ৭ বিলিয়ন লিটার ইথানলের নির্দিষ্ট বাজার নেই। দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা এখন প্রায় ২০ বিলিয়ন লিটার এবং চলতি বছর আরও ৪ বিলিয়ন লিটার যুক্ত হওয়ার আশা রয়েছে। ই-২০ জ্বালানি মিশ্রণ কর্মসূচিতে বছরে প্রায় ১১ বিলিয়ন লিটার এবং অ-জ্বালানি খাতে আরও ৩ থেকে সাড়ে ৩ বিলিয়ন লিটার প্রয়োজন হয়।
শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, অতিরিক্ত সক্ষমতার কারণে ভারতীয় ইথানল কারখানাগুলো গড়ে ৬০ শতাংশ সক্ষমতায় চলছে। আগামী তিন বছর সক্ষমতা ব্যবহার ৬৫ থেকে ৭৫ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে। শুধু মহারাষ্ট্রেই উদ্বৃত্ত ইথানলের পরিমাণ প্রায় ২.৭৭ বিলিয়ন লিটার। ২০২৫-২৬ সরবরাহ বর্ষে তেল বিপণন কোম্পানির সঙ্গে ১০ বিলিয়ন লিটারের চুক্তি থাকলেও আগস্ট পর্যন্ত সরবরাহ হয়েছে ৮.৯৫ বিলিয়ন লিটার।
সরকার আপাতত ই-২০-এর বেশি, যেমন ই-২৫ বা ই-৩০, বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা স্থগিত রেখেছে। গাড়ির ইঞ্জিনে ই-২০ ব্যবহারের প্রভাব নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগের কারণে বর্তমান রোডম্যাপ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত ই-২০তেই সীমিত থাকবে। প্রথম প্রজন্মের ইথানল রপ্তানিতে বিধিনিষেধ রয়েছে, তবে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের ইথানল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।