কবি আল মাহমুদের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা অভিযোগ করেন, ফ্যাসিবাদী আমলে কবিকে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৭ বছর কার্যত নিষিদ্ধ ও প্রান্তিক করে রাখা হয়েছিল। রবিবার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের ‘আল মাহমুদ কর্নার’-এ কালের কলস আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সাহিত্য, সংস্কৃতি ও নাগরিক সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ কবির অনুরাগীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কবির কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তাকে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ ও সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলা জাতির প্রতিটি বিপ্লবী পর্যায়ে আল মাহমুদের কবিতা মুক্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। তারা উল্লেখ করেন, দ্রোহ, প্রেম, প্রকৃতি ও প্রার্থনার সমন্বয়ে তিনি বাংলা কবিতাকে সমৃদ্ধ করেছেন। কালের কলসের সম্পাদক আবিদ আজম জানান, আল মাহমুদ কোনো দলীয় কবি নন, বরং সমগ্র জাতির কবি, এবং তার কবিতা পুনরায় পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
জাতিসংঘের প্রতিনিধি ড. আবুল কাসেম শেখ জানান, আল মাহমুদের সাহিত্যকর্মকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরতে উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং ইউনেস্কো ও জাতিসংঘের সহায়তায় তার নামে একটি ইনস্টিটিউট বা গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।