আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া, নেত্রকোনার দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা এবং শেরপুরের কয়েকটি সীমান্ত উপজেলা অস্ত্র, মাদক ও নানা পণ্যের চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ করিডোর হিসেবে উঠে এসেছে। ১৩ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মেঘালয়-সংলগ্ন দীর্ঘ সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে নিজস্ব কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় উন্মুক্ত এলাকায় সংঘবদ্ধ চক্রের তৎপরতার অভিযোগ রয়েছে।
প্রতিবেদনে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, এসব পথ দিয়ে ভারত থেকে অস্ত্র, মাদক, ওষুধ, মদ, গবাদিপশু ও ভোগ্যপণ্য আসে; বাংলাদেশ থেকে মাছ, কৃষিপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, তৈরি পোশাক ও স্বর্ণসহ বিভিন্ন পণ্য ভারতে যায়। দুর্গম পাহাড়, বন, নদী ও উন্মুক্ত জমির কারণে সার্বক্ষণিক নজরদারি কঠিন বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ময়মনসিংহ ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক নুরুল আজিম বায়েজিদ বলেন, তাঁর দায়িত্বাধীন প্রায় ৮০ কিলোমিটার সীমান্তে লিকার ও ট্যাপেন্টাডল পাচারের প্রবণতা রয়েছে এবং অভিযানের পর ট্যাপেন্টাডল কিছুটা কমেছে। নেত্রকোনা ৩১ বিজিবির তৌহিদুল বারী সীমিত জনবল ও প্রায় ৯০ কিলোমিটার দুর্গম সীমান্তের কথা উল্লেখ করেন। বিশ্লেষকেরা প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সমন্বিত উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।