বৈশ্বিক জেট ফুয়েলের দাম বৃদ্ধিতে ক্ষতিগ্রস্ত বিমান সংস্থাগুলোকে সহায়তা দিতে বিশেষ আর্থিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ফ্রান্স সরকার। পরিবহনমন্ত্রী ফিলিপ তাবারো বুধবার জানান, বিমান সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠকে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে প্রদেয় অর্থ পরিশোধে সময় বাড়ানো, কর পরিশোধের সময়সীমা শিথিল করা এবং জ্বালানি বহনে আরও নমনীয়তা দেওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর সরবরাহ ব্যবস্থার ঝুঁকির কারণে ইউরোপজুড়ে সম্ভাব্য বিমান চলাচল সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থা চাপে পড়েছে, ফলে ইউরোপীয় দেশগুলো দ্রুত সমাধান খুঁজছে। ইউরোপের বিমান সংস্থাগুলো সতর্ক করেছে, জেট ফুয়েল সরবরাহ সংকট অব্যাহত থাকলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপ প্রায় ৭৫ শতাংশ জেট ফুয়েল মধ্যপ্রাচ্য থেকে আমদানি করে, যা অঞ্চলের অস্থিরতাকে সরাসরি বিমান খাতের জন্য হুমকি করে তুলেছে।
ফ্রান্সের এই সহায়তা পরিকল্পনাকে শুধু দেশটির বিমান সংস্থাগুলোর জন্য নয়, বরং ইউরোপীয় বিমান পরিবহন ব্যবস্থার স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।