বাংলাদেশ ব্যাংক পুরো ব্যাংক খাত মিলিয়ে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ কত ঋণ নিতে পারবেন, সেই সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করছে। ২৬ জুলাই ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, ঋণঝুঁকি কমানো এবং খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ। একই সঙ্গে বড় ও দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নে ব্যাংক ঋণের বদলে পুঁজিবাজার ও বন্ড মার্কেটকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অংশীজনদের মতামত নেওয়া শুরু হয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগির সার্কুলার জারি হতে পারে।
বর্তমানে একজন গ্রাহক একটি ব্যাংক থেকে ওই ব্যাংকের মূলধনের সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন, কিন্তু সব ব্যাংক মিলিয়ে ঋণের কোনো সীমা নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, এক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর কাছে অতিরিক্ত ঋণ কেন্দ্রীভূত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে নতুন সীমা প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি আমানতের অর্থ ব্যবহারে ব্যাংকের সম্পদ ও দায়ের ভারসাম্যহীনতা এবং তারল্যঝুঁকিও বাড়ছে।
তিন ধাপের কর্মপরিকল্পনায় এক বছরের স্বল্পমেয়াদি, দুই বছরের মধ্যমেয়াদি এবং পাঁচ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ রাখা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এক হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থায়নে ব্যাংক ঋণের বদলে বন্ড ইস্যুর নির্দেশনা, এএমসি গঠনের আইন এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার কথা রয়েছে। ব্যাংকারদের মতে, নীতিটি ধাপে বাস্তবায়ন ও বিকল্প অর্থায়ন নিশ্চিত করা জরুরি।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।