Web Analytics

৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা-২০২৬’ ও ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি-২০২৬’ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়। সরকার জানিয়েছে, এখন ১৯৯৪ সালের অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও সে সময়ের সরকারি মূল্য নির্ধারণ ব্যবস্থা বহাল থাকবে। সিদ্ধান্তটি উচ্চ মূল্যস্ফীতির মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত রোগী ও তাদের পরিবারের চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

বিআইডিএসের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭৯ শতাংশ মানুষকে নিজ পকেট থেকে বহন করতে হয়। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, পুরোনো ব্যবস্থায় কাঁচামাল, উৎপাদন, বিপণন ব্যয় ও ডলারের দাম বৃদ্ধির যুক্তিতে কোম্পানিগুলো ওষুধের দাম বাড়ানোর সুযোগ পেতে পারে। তবে বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবং বলেছে, এতে ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।

১৯৯৪ সালের তালিকায় ১১৭টি ওষুধ ছিল, যেখানে ২০২৫ সালে নতুন তালিকায় সংখ্যা বাড়িয়ে ২৯৭ করা হয়। সরকার বলেছে, আইন অনুযায়ী জাতীয় ওষুধ উপদেষ্টা পরিষদের পরামর্শ না নেওয়ায় নতুন ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন তালিকা প্রণয়ন করা হবে। এদিকে বাতিল হওয়া তালিকা ও মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট বিচারাধীন রয়েছে।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।