Web Analytics

গত সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ও নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের সাবেক বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ আহ্বায়ক মো. কামাল উদ্দিন। একসময় শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনার একনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি ‘গণদল’ নামের একটি ক্ষুদ্র দলের ভাইস চেয়ারম্যান পরিচয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে তার করমর্দনের ছবি প্রকাশের পর প্রশাসন ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ১৮৪ জন আমন্ত্রিত প্রতিনিধির তালিকায় তার নাম কীভাবে অন্তর্ভুক্ত হলো, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কামালের বিরুদ্ধে অতীতে মাদক ব্যবসা, চট্টগ্রামে বাসিন্দাদের লাঞ্ছনা এবং রাজনৈতিক তোষামোদের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালে তার বিরুদ্ধে মতিঝিল থানায় মাদক মামলা দায়ের হয়েছিল। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতায়ও সক্রিয় ছিলেন। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন খতিয়ে দেখছে, কোনো প্রভাবশালী গোষ্ঠী বা রাজনৈতিক ছদ্মবেশী তাকে প্রবেশে সহায়তা করেছে কি না।

বিএনপি নেতারা নাম প্রকাশ না করে ঘটনাটিকে নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং অনুপ্রবেশের পেছনের দায়ীদের চিহ্নিত করতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।