Web Analytics

বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৬ সালে মোদি ঘোষণা করেছিলেন যে ভারত পাকিস্তানকে বিশ্বমঞ্চে একঘরে করবে, কিন্তু এক দশক পর পাকিস্তান বরং কূটনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়েছে। দেশটি চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অধীনে পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখছে। ২০২৫ সালের মে মাসে ট্রাম্প ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করেন, যার কৃতিত্ব পাকিস্তান তাকে দেয় এবং এমনকি নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীতও করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তানের এই উত্থান তার কৌশলগত কূটনীতি ও ভারতের ভুল পদক্ষেপের ফল। ভারতের মুসলিমবিরোধী নীতি, ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপোড়েন নয়াদিল্লির অবস্থান দুর্বল করেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব জোরদার করে এবং নিজেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে ভারত তার নীতির সীমাবদ্ধতা উপলব্ধি করছে। দুই দেশের সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও কূটনীতিকদের মধ্যে বৈঠক হয়েছে এবং ভারতের কিছু প্রভাবশালী নেতা পাকিস্তানের সঙ্গে সংলাপ পুনরায় শুরু করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।