ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার পর সৌদি আরব কঠিন পরিস্থিতিতে পড়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ বাড়ানোর চাপের মুখে রয়েছে। গত সপ্তাহে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একাধিক হামলা হয়। শনিবারের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত ও ৩০০ জনের বেশি আহত হন, আর বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। মার্কিন ও উপসাগরীয় কর্মকর্তাদের মতে, যাত্রী টার্মিনালে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছিল।
এই হামলা সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তেলনির্ভর অর্থনীতি থেকে দেশকে ব্যবসা, পর্যটন ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে রূপান্তরের পরিকল্পনা করছেন। তবে রাজধানী ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় হামলা চলতে থাকলে সেই পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হতে পারে। ২০১৫ সালে হুথিদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সামরিক অভিযান চালিয়েও তাদের পুরোপুরি পরাস্ত করতে পারেনি সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট।
সৌদি আরব এখন সামরিক অভিযান বিস্তৃত করা অথবা রাজনৈতিক সমঝোতার চেষ্টা করার পথ বিবেচনা করছে। হুথি-নিয়ন্ত্রিত উপকূলীয় এলাকা পুনর্দখলে ইয়েমেনি বাহিনীকে সামনে রেখে অভিযানের কথাও ভাবা হচ্ছে, যাতে সৌদি বিমান হামলা ও যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সহায়তা থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দিলেও সরাসরি বড় যুদ্ধে অংশ নেবে কি না, তা অনিশ্চিত বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।