Web Analytics

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন বলেছে, উচ্চ শুল্ক, সরবরাহ শৃঙ্খলের বাধা এবং তাজা ফলকে বিলাসপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করাই আমদানি করা ফলের উচ্চ দাম ও বাজার অস্থিরতার প্রধান কারণ। সম্প্রতি সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আমদানিকৃত ফলের মূল্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে কমিশনের প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। কমিশন তাজা ফলকে বিলাসপণ্যের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে জরুরি নিত্যপণ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপেল, কমলা, মাল্টা ও আঙুর বাংলাদেশে ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এসব ফল আমদানিতে বর্তমানে ৯৬.১০ থেকে ১২১.৭৮ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক রয়েছে। কমিশন প্রকৃত আন্তর্জাতিক বুকিং দরের চেয়ে বেশি মূল্যে শুল্কায়ন, সীমিতসংখ্যক আমদানিকারকের ওপর বাজারনির্ভরতা এবং হিমাগার সংকটের কথাও উল্লেখ করেছে।

কমিশন শুল্ক কাঠামো যৌক্তিক করা, নিয়ন্ত্রণমূলক ও সম্পূরক শুল্ক প্রত্যাহার, আন্তর্জাতিক বাজারদর বিবেচনায় শুল্কায়ন এবং গ্রিন চ্যানেলে পচনশীল ফল খালাসের প্রস্তাব দিয়েছে। বাণিজ্যমন্ত্রী মাল্টার অস্বাভাবিক মূল্য তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা সরবরাহ ঘাটতি, পরিবহন ব্যয়, জাহাজ ও বন্দরের জটিলতা এবং পচনশীল পণ্যের আর্থিক ঝুঁকির কথা জানিয়েছেন।

Card image

Related Threads

logo
No data found yet!

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।