গ্রীষ্ম আসার আগেই দেশে শুরু হয়েছে ব্যাপক লোডশেডিং। জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট ও বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ বিভাগ চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ দিতে পারছে না। রোববার দুপুরে ১৩ হাজার ৫৩০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ১২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে, ফলে ৬০৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন এক দিনের ব্যবধানে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে ৪৫০০ থেকে ৫০০০ মেগাওয়াট, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে প্রায় ৪০০০ মেগাওয়াট এবং ভারতের আদানি, ভেড়ামারা ও ত্রিপুরা কেন্দ্র থেকে গড়ে ১৮০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মোট পাওনা প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে বেসরকারি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বকেয়া প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। গ্রীষ্ম ও সেচ মৌসুমে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পিডিবি জরুরি ভিত্তিতে ২০ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে।
এদিকে ব্যবসায়ীদের অনুরোধে সরকার দোকান ও বিপণিবিতান রাত ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দিয়েছে, যা আগে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সীমিত ছিল।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।