১৮ এপ্রিল বাংলাদেশে পালিত হলো বড়াইবাড়ী দিবস, ২০০১ সালের কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার সীমান্তযুদ্ধের স্মরণে। ওইদিন ভোরে প্রায় ৪০০ ভারতীয় কমান্ডো, সেনা ও বিএসএফ সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করলে স্থানীয় কৃষক মিনহাজ উদ্দিন খবর দেন বিডিআর ক্যাম্পে। পরে সংঘর্ষ শুরু হয় এবং দুই দিনব্যাপী যুদ্ধে তিন বিডিআর সদস্য শহীদ হন, বিএসএফের ১৬ জন নিহত ও দুইজন আটক হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
এই সংঘর্ষের পেছনে ছিল পাদুয়া সীমান্ত এলাকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ। ২০০১ সালের ১৫ এপ্রিল বিডিআর পাদুয়া এলাকা পুনর্দখল করলে তিন দিন পর বিএসএফ বড়াইবাড়ীতে আক্রমণ চালায়। যুদ্ধে অন্তত ১২ বিডিআর সদস্য ও প্রায় ২০ গ্রামবাসী আহত হন। আতঙ্কে প্রায় ২৫টি গ্রামের ৪০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।
২৫ বছর পরও স্থানীয়রা সেই ভয়াবহতা স্মরণ করেন এবং বড়াইবাড়ী যুদ্ধকে বাংলাদেশের সাহস ও আত্মত্যাগের প্রতীক হিসেবে দেখেন।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।