প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিবর্তন বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে। পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সাম্প্রতিক জয় বাংলাদেশের জন্য নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে, কারণ রাজ্যটির সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে এবং বিজেপির নাগরিকত্ব ও পরিচয়ভিত্তিক রাজনীতি সীমান্ত পরিস্থিতিকে জটিল করতে পারে। কংগ্রেস, বামফ্রন্ট ও তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে নাগরিকত্ব ও ধর্মীয় পরিচয় বড় রাজনৈতিক ইস্যু ছিল না।
প্রবন্ধে এনআরসি ও সিএএ নীতির পটভূমি তুলে ধরে বলা হয়েছে, এই দুটি নীতি ভারতে ধর্মীয় মেরূকরণ বাড়িয়েছে এবং মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। লেখকের মতে, এনআরসি ও সিএএ সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেয়ে রাজনৈতিক বিভাজন তৈরির হাতিয়ার হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে, বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বাঙালি মুসলমানদের ক্ষেত্রে।
শেষাংশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশকে এখন থেকেই কৌশলগত পরিকল্পনা নিতে হবে—ভারতের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বাণিজ্য, জ্বালানি ও আঞ্চলিক কূটনীতিতে বিকল্প অংশীদার খুঁজে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে।
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।